ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তোরা চাচা-ভাইপো এলাকায় যা শুরু করেছিস, তোদের সময় শেষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫
  • / 570

তোরা চাচা-ভাইপো এলাকায় যা শুরু করেছিস, তোদের সময় শেষ

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ইত্যা গ্রামে বিএনপি ও যুবদল নেতার বাড়িতে কাফনের কাপড়, দা, চিরকুট, গোলাপজলসহ দাফনের বিভিন্ন সামগ্রী রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার ভোররাতে কে বা কারা এসব রেখে যায়। চিরকুটে লেখা ছিল: ‘তোরা চাচা-ভাইপো এলাকায় যা শুরু করেছিস, তোদের সময় শেষ।’ এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগীরা হলেন কাশিনগর ইউনিয়নের ইত্যা গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহজাহান সরদার ও তার ভাতিজা, যুবদল সদস্য আবু তাহের। তারা দুপুরে মনিরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পাশাপাশি বাড়িতে থাকেন বিএনপি নেতা শাহজাহান সরদার ও যুবদল নেতা আবু তাহের। প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরে শাহজাহান সরদার মসজিদে নামাজ পড়তে বের হলে বাড়ির উঠানে একটি বেলগাছের ডালে ঝুলন্ত একটি সাদা প্যাকেট দেখতে পান। কৌতূহলবশত প্যাকেটটি নামিয়ে দেখেন এর ভিতরে আছে দুই টুকরো কাফনের কাপড়, একটি দা, গোলাপজল, আতর, আগরবাতি, সুরমা এবং একটি চিরকুট।

চিরকুটে লেখা ছিল: ‘তোরা চাচা-ভাইপো এলাকায় যা শুরু করেছিস, তোদের সময় শেষ।’ ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কে আছেন পরিবারের সদস্যরা। কান্নাকাটি করছেন স্বজনরা। এলাকার মানুষ ঘটনাটি জানার পর বাড়িতে ভিড় করছেন।

ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহজাহান সরদার বলেন, “ভোরে প্যাকেটের ভিতরে কাপড়, দা ও চিরকুট দেখে আতঙ্কে পড়ে গেছি। পরিবারের লোকজন কান্নাকাটি করছে। ধারণা করছি, ২০২১ সালে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীরা আমার বাড়িতে হামলা করেছিল। সেবার হত্যার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর এবার নতুন করে হুমকি দিচ্ছে।”

এ বিষয়ে কাশিনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও শাহজাহানের বাড়িতে হামলা হয়েছিল, নেতৃত্বে ছিলেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। এখন তারা আধিপত্য বিস্তারের জন্য ত্রাস সৃষ্টির অংশ হিসেবে এই হুমকি দিয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।”

মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান জানান, “ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করেছি। ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তোরা চাচা-ভাইপো এলাকায় যা শুরু করেছিস, তোদের সময় শেষ

সর্বশেষ আপডেট ১১:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ইত্যা গ্রামে বিএনপি ও যুবদল নেতার বাড়িতে কাফনের কাপড়, দা, চিরকুট, গোলাপজলসহ দাফনের বিভিন্ন সামগ্রী রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার ভোররাতে কে বা কারা এসব রেখে যায়। চিরকুটে লেখা ছিল: ‘তোরা চাচা-ভাইপো এলাকায় যা শুরু করেছিস, তোদের সময় শেষ।’ এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগীরা হলেন কাশিনগর ইউনিয়নের ইত্যা গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহজাহান সরদার ও তার ভাতিজা, যুবদল সদস্য আবু তাহের। তারা দুপুরে মনিরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পাশাপাশি বাড়িতে থাকেন বিএনপি নেতা শাহজাহান সরদার ও যুবদল নেতা আবু তাহের। প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরে শাহজাহান সরদার মসজিদে নামাজ পড়তে বের হলে বাড়ির উঠানে একটি বেলগাছের ডালে ঝুলন্ত একটি সাদা প্যাকেট দেখতে পান। কৌতূহলবশত প্যাকেটটি নামিয়ে দেখেন এর ভিতরে আছে দুই টুকরো কাফনের কাপড়, একটি দা, গোলাপজল, আতর, আগরবাতি, সুরমা এবং একটি চিরকুট।

চিরকুটে লেখা ছিল: ‘তোরা চাচা-ভাইপো এলাকায় যা শুরু করেছিস, তোদের সময় শেষ।’ ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কে আছেন পরিবারের সদস্যরা। কান্নাকাটি করছেন স্বজনরা। এলাকার মানুষ ঘটনাটি জানার পর বাড়িতে ভিড় করছেন।

ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহজাহান সরদার বলেন, “ভোরে প্যাকেটের ভিতরে কাপড়, দা ও চিরকুট দেখে আতঙ্কে পড়ে গেছি। পরিবারের লোকজন কান্নাকাটি করছে। ধারণা করছি, ২০২১ সালে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীরা আমার বাড়িতে হামলা করেছিল। সেবার হত্যার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর এবার নতুন করে হুমকি দিচ্ছে।”

এ বিষয়ে কাশিনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও শাহজাহানের বাড়িতে হামলা হয়েছিল, নেতৃত্বে ছিলেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। এখন তারা আধিপত্য বিস্তারের জন্য ত্রাস সৃষ্টির অংশ হিসেবে এই হুমকি দিয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।”

মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান জানান, “ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করেছি। ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”