ঢাকা ০৪:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তিস্তা পাড়ে রেড অ্যালার্ট, নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক, লালমনিরহাট
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩১:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 101

তিস্তা পাড়ে রেড অ্যালার্ট, নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি হঠাৎ বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে লালমনিরহাট জেলার তিস্তা তীরবর্তী এলাকাগুলোতে দেখা দিয়েছে বন্যার আশঙ্কা। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) রোববার সন্ধ্যায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে এবং স্থানীয়দের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং শুরু করেছে।

রোববার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে পানির স্তর রেকর্ড করা হয় ৫২.২৫ মিটার, যা বিপৎসীমা ৫২.১৫ মিটারের চেয়ে ১০ সেন্টিমিটার ওপরে। দুপুরে পানি ছিল বিপৎসীমার নিচে, কিন্তু বিকেল থেকে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে সন্ধ্যায় তা বিপৎসীমা অতিক্রম করে।

পাউবো জানায়, উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণেই পানির এ হঠাৎ বৃদ্ধি ঘটেছে। এতে তিস্তা তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। নদীর পাড়ে বসবাসরত মানুষ বন্যা ও নদীভাঙনের আতঙ্কে রয়েছেন।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের ৮–১০টি চর, পাটগ্রামের দহগ্রাম, আদিতমারীর চর গোবর্ধন ও মহিষখোঁচা, আর সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, রাজপুর ও গোকুন্ডা ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলগুলোতে ইতোমধ্যে পানি প্রবেশ করেছে।

স্থানীয়দের অনেকে জানিয়েছেন, নদী ভাঙনের আশঙ্কায় তারা সারারাত জেগে আছেন।

তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টের পানির পরিমাপক নুরুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যা ৬টায় নদীর পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছিল এবং রাতে তা আরও বাড়তে পারে। তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, বর্তমানে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তাই রেড অ্যালার্ট জারি করে নিম্নাঞ্চলের মানুষদের নিরাপদ স্থানে যেতে বলা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তিস্তা পাড়ে রেড অ্যালার্ট, নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩১:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি হঠাৎ বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে লালমনিরহাট জেলার তিস্তা তীরবর্তী এলাকাগুলোতে দেখা দিয়েছে বন্যার আশঙ্কা। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) রোববার সন্ধ্যায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে এবং স্থানীয়দের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং শুরু করেছে।

রোববার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে পানির স্তর রেকর্ড করা হয় ৫২.২৫ মিটার, যা বিপৎসীমা ৫২.১৫ মিটারের চেয়ে ১০ সেন্টিমিটার ওপরে। দুপুরে পানি ছিল বিপৎসীমার নিচে, কিন্তু বিকেল থেকে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে সন্ধ্যায় তা বিপৎসীমা অতিক্রম করে।

পাউবো জানায়, উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণেই পানির এ হঠাৎ বৃদ্ধি ঘটেছে। এতে তিস্তা তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। নদীর পাড়ে বসবাসরত মানুষ বন্যা ও নদীভাঙনের আতঙ্কে রয়েছেন।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের ৮–১০টি চর, পাটগ্রামের দহগ্রাম, আদিতমারীর চর গোবর্ধন ও মহিষখোঁচা, আর সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, রাজপুর ও গোকুন্ডা ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলগুলোতে ইতোমধ্যে পানি প্রবেশ করেছে।

স্থানীয়দের অনেকে জানিয়েছেন, নদী ভাঙনের আশঙ্কায় তারা সারারাত জেগে আছেন।

তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টের পানির পরিমাপক নুরুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যা ৬টায় নদীর পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছিল এবং রাতে তা আরও বাড়তে পারে। তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, বর্তমানে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তাই রেড অ্যালার্ট জারি করে নিম্নাঞ্চলের মানুষদের নিরাপদ স্থানে যেতে বলা হয়েছে।