ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তিস্তার ভয়াবহ রূপ, বাংলাদেশেও ঝুঁকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৪২:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • / 316

তিস্তার ভয়াবহ রূপ, বাংলাদেশেও ঝুঁকি

ভুটান ও সিকিমে লাগাতার বৃষ্টির জেরে ফুঁসছে তিস্তা। পানির স্তর ইতোমধ্যে উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইতে শুরু করেছে তিস্তার পানি। এর জেরে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু এলাকা। আতঙ্কিত তিস্তা পাড়ের বাসিন্দারা। এসব এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

তিস্তার পানির স্তর উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তিস্তার দাপট কমাতে নদীর গভীরতা বাড়ানোর কথা ভাবছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সূত্র জানায়, রাজ্যের সেচ দপ্তরের অধীনে তিস্তার খনন কাজ করা হবে।

কালিম্পংয়ের মেল্লি, তিস্তা বাজারেও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে তিস্তার পানি। সংকটপ্রবণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরে আসার নির্দেশ দিয়েছে কালিম্পং জেলা প্রশাসন ও জিটিএ (গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন)। তিস্তা পাড়সংলগ্ন এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা দল। চালু করা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।

তিস্তা পাড়ঘেঁষা এলাকায় জারি করা হয়েছে কড়া সতর্কতা। মাইকিং করে বাসিন্দাদের অনুরোধ করা হয়েছে, অপ্রয়োজনে বাইরে বের হবেন না। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে উত্তরবঙ্গের জেলা প্রশাসন।

উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু এলাকায় ধসের কারণে সিকিম যাওয়ার রাস্তা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। যার ফলে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের সিকিমের বুকিং বাতিল করতে হচ্ছে।

উত্তর সিকিমে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছে। এর ফলে পর্যটকদের জন্য আপাতত সিকিমে ‘নো এন্ট্রি’ ঘোষণা করা হয়েছে। উত্তর সিকিমে তিস্তায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে। এছাড়া সিকিমের পাহাড়ে ধসের মাটি মিশে যাচ্ছে তিস্তার পানিতে। সেই ঘোলা পানি ঢুকছে সমতলে।

কালিম্পংয়ের জেলা প্রশাসক বালাসুব্রহ্মণ্যম টি. জানিয়েছেন, গত শুক্রবার (৩০ মে) থেকে পানির স্তর ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এ কারণে তিস্তা পাড়ের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। ত্রাণ শিবিরের পাশাপাশি কন্ট্রোল রুমও চালু করা হয়েছে। যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তিস্তার ভয়াবহ রূপ, বাংলাদেশেও ঝুঁকি

সর্বশেষ আপডেট ১০:৪২:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

ভুটান ও সিকিমে লাগাতার বৃষ্টির জেরে ফুঁসছে তিস্তা। পানির স্তর ইতোমধ্যে উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইতে শুরু করেছে তিস্তার পানি। এর জেরে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু এলাকা। আতঙ্কিত তিস্তা পাড়ের বাসিন্দারা। এসব এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

তিস্তার পানির স্তর উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তিস্তার দাপট কমাতে নদীর গভীরতা বাড়ানোর কথা ভাবছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সূত্র জানায়, রাজ্যের সেচ দপ্তরের অধীনে তিস্তার খনন কাজ করা হবে।

কালিম্পংয়ের মেল্লি, তিস্তা বাজারেও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে তিস্তার পানি। সংকটপ্রবণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরে আসার নির্দেশ দিয়েছে কালিম্পং জেলা প্রশাসন ও জিটিএ (গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন)। তিস্তা পাড়সংলগ্ন এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা দল। চালু করা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।

তিস্তা পাড়ঘেঁষা এলাকায় জারি করা হয়েছে কড়া সতর্কতা। মাইকিং করে বাসিন্দাদের অনুরোধ করা হয়েছে, অপ্রয়োজনে বাইরে বের হবেন না। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে উত্তরবঙ্গের জেলা প্রশাসন।

উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু এলাকায় ধসের কারণে সিকিম যাওয়ার রাস্তা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। যার ফলে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের সিকিমের বুকিং বাতিল করতে হচ্ছে।

উত্তর সিকিমে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছে। এর ফলে পর্যটকদের জন্য আপাতত সিকিমে ‘নো এন্ট্রি’ ঘোষণা করা হয়েছে। উত্তর সিকিমে তিস্তায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। নদীর পানি হু হু করে বাড়ছে। এছাড়া সিকিমের পাহাড়ে ধসের মাটি মিশে যাচ্ছে তিস্তার পানিতে। সেই ঘোলা পানি ঢুকছে সমতলে।

কালিম্পংয়ের জেলা প্রশাসক বালাসুব্রহ্মণ্যম টি. জানিয়েছেন, গত শুক্রবার (৩০ মে) থেকে পানির স্তর ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এ কারণে তিস্তা পাড়ের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। ত্রাণ শিবিরের পাশাপাশি কন্ট্রোল রুমও চালু করা হয়েছে। যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।