ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তিস্তার পানি বৃদ্ধি, খুলে দেওয়া হয়েছে ব্যারাজের ৪৪ গেট

নিজস্ব প্রতিবেদক, লালমনিরহাট
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৩:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / 4070

তিস্তার পানি বৃদ্ধি

উজানের পাহাড়ি ঢল ও কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

রোববার (১ জুন) সকাল ৯টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি রেকর্ড করা হয় ৫১ দশমিক ৮৬ মিটার (অটো গেজ), যা বিপৎসীমার মাত্র ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, তিস্তার বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার।

এ পরিস্থিতিতে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়নসহ তিস্তার তীরবর্তী চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই ইউনিয়নের অন্তত ৭৬টি চর এলাকাজুড়ে রয়েছে নিচু জমিতে ঘরবাড়ি ও ফসলি মাঠ, যেগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

দহগ্রাম ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রাম এলাকার বাসিন্দা সাকিবুল ইসলাম বলেন, “বন্যা এলেই সব শেষ হয়ে যায়। মাঠের ফসল, গরু-ছাগল, ঘরের জিনিস—সব পানিতে ভেসে যায়। এবারও অনেক ভয় লাগছে।”

তিস্তা ব্যারাজ এলাকার পানি পরিমাপক কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম জানান, “গত কয়েক দিন ধরে তিস্তার পানি ক্রমেই বাড়ছে। এজন্য ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়ে অতিরিক্ত পানি সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে এখনো সরাসরি বন্যার আশঙ্কা নেই। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।”

স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানানো হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তিস্তার পানি বৃদ্ধি, খুলে দেওয়া হয়েছে ব্যারাজের ৪৪ গেট

সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৩:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

উজানের পাহাড়ি ঢল ও কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

রোববার (১ জুন) সকাল ৯টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি রেকর্ড করা হয় ৫১ দশমিক ৮৬ মিটার (অটো গেজ), যা বিপৎসীমার মাত্র ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, তিস্তার বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার।

এ পরিস্থিতিতে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়নসহ তিস্তার তীরবর্তী চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই ইউনিয়নের অন্তত ৭৬টি চর এলাকাজুড়ে রয়েছে নিচু জমিতে ঘরবাড়ি ও ফসলি মাঠ, যেগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

দহগ্রাম ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রাম এলাকার বাসিন্দা সাকিবুল ইসলাম বলেন, “বন্যা এলেই সব শেষ হয়ে যায়। মাঠের ফসল, গরু-ছাগল, ঘরের জিনিস—সব পানিতে ভেসে যায়। এবারও অনেক ভয় লাগছে।”

তিস্তা ব্যারাজ এলাকার পানি পরিমাপক কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম জানান, “গত কয়েক দিন ধরে তিস্তার পানি ক্রমেই বাড়ছে। এজন্য ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়ে অতিরিক্ত পানি সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে এখনো সরাসরি বন্যার আশঙ্কা নেই। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।”

স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানানো হয়েছে।