ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবদেক, লালমনিরহাট
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / 52

তিস্তা ব্যারেজ। ছবি: সংগৃহীত

তিস্তা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদী উপচে সেই পানি হু হু করে ঢুকছে নিম্নাঞ্চলগুলোতে। এতে নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুরের তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে দেখা দিয়েছে বন্যার আশঙ্কা। নদীর পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় তীরবর্তী এলাকার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছেন।

সোমবার (৬ অক্টোবর) ভোরে পানি কিছুটা কমতে শুরু করলেও এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ৬টায় হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানী এলাকায় তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ২৫ মিটার, যা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে।

গতকাল রাত ১০টার দিকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ফলে তিস্তা ব্যারেজ এলাকায় রেড অ্যালার্ট জারি করে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। রাতে মাইকিং করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় ব্যারেজের ফ্লাড বাইপাস সড়কের ওপর দিয়েও পানি প্রবাহিত হয়।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, ‘রোববার রাতে বিপৎসীমার অনেক ওপরে পানি উঠায় ব্যারেজ এলাকায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়। রাতেই ঝুঁকিপূর্ণ গ্রামগুলো থেকে মানুষকে সরিয়ে নিরাপদে নেওয়া হয়। ভোরে পানি কমতে শুরু না করলে ব্যারেজ রক্ষায় বাইপাস সড়ক কেটে দিতে হতো। তিস্তার সব গেট খুলে রাখা হয়েছে।’

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার জানান, ‘ব্যারেজে পানি কিছুটা কমলেও ভাটির দিকে পানি বাড়ছে। তিস্তাপাড়ে অন্তত ১ লাখ মানুষ পানিবন্দি। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধগুলো হুমকির মুখে পড়লেও এখনো কোথাও ক্ষতি হয়নি। আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি।’

অন্যদিকে কুড়িগ্রামের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ‘তিস্তাপাড়ে বন্যা দেখা দিলেও ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার, ধরলা, গঙ্গাধর, জিনজিরাম ও কালজানি নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে আছে।’

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা

সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

তিস্তা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদী উপচে সেই পানি হু হু করে ঢুকছে নিম্নাঞ্চলগুলোতে। এতে নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুরের তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে দেখা দিয়েছে বন্যার আশঙ্কা। নদীর পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় তীরবর্তী এলাকার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছেন।

সোমবার (৬ অক্টোবর) ভোরে পানি কিছুটা কমতে শুরু করলেও এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ৬টায় হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানী এলাকায় তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ২৫ মিটার, যা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে।

গতকাল রাত ১০টার দিকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ফলে তিস্তা ব্যারেজ এলাকায় রেড অ্যালার্ট জারি করে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। রাতে মাইকিং করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় ব্যারেজের ফ্লাড বাইপাস সড়কের ওপর দিয়েও পানি প্রবাহিত হয়।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, ‘রোববার রাতে বিপৎসীমার অনেক ওপরে পানি উঠায় ব্যারেজ এলাকায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়। রাতেই ঝুঁকিপূর্ণ গ্রামগুলো থেকে মানুষকে সরিয়ে নিরাপদে নেওয়া হয়। ভোরে পানি কমতে শুরু না করলে ব্যারেজ রক্ষায় বাইপাস সড়ক কেটে দিতে হতো। তিস্তার সব গেট খুলে রাখা হয়েছে।’

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার জানান, ‘ব্যারেজে পানি কিছুটা কমলেও ভাটির দিকে পানি বাড়ছে। তিস্তাপাড়ে অন্তত ১ লাখ মানুষ পানিবন্দি। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধগুলো হুমকির মুখে পড়লেও এখনো কোথাও ক্ষতি হয়নি। আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি।’

অন্যদিকে কুড়িগ্রামের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ‘তিস্তাপাড়ে বন্যা দেখা দিলেও ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার, ধরলা, গঙ্গাধর, জিনজিরাম ও কালজানি নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে আছে।’