ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তিনটি নতুন রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিচ্ছে ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:২৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 109

ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনটি নতুন রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) এবং বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টি।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, “চূড়ান্ত পর্যালোচনা শেষে কমিশন এই তিন দলকে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন দাবি-আপত্তি চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপত্তি না এলে বা তা নিষ্পত্তি হলে দলগুলোকে চূড়ান্ত নিবন্ধন দেওয়া হবে।”

ইসির তথ্য অনুযায়ী, নিবন্ধনের জন্য মোট ১৪৩টি রাজনৈতিক দল আবেদন করে। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে ২২টি দলের কার্যক্রম মাঠপর্যায়ে যাচাই করতে পাঠানো হয়। ওই তদন্তের পর কমিশন প্রথমে এনসিপি ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগকে নিবন্ধন দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয়।

তবে এনসিপির প্রতীক সংক্রান্ত জটিলতা এবং বাংলাদেশ জাতীয় লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর ইসি বিষয়গুলো পুনরায় যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। এতে ১০টি দলের ওপর অধিকতর তদন্ত চালানো হয়। পরে সব প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই ও একাধিক বৈঠক শেষে চূড়ান্তভাবে তিন দলকে নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

নতুন করে মাঠপর্যায়ে যাচাইয়ের জন্য পাঠানো ১০টি দল হলো— আমজনতার দল, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টি (বিজিপি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), বাংলাদেশ জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, বাংলাদেশ বেকার মুক্তি পরিষদ, জনতার দল, মৌলিক বাংলা, জনতা পার্টি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগ।

নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, নিবন্ধন পেতে হলে দলটির একটি কেন্দ্রীয় কমিটি থাকতে হবে, অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় এবং ১০০টি উপজেলায় সাংগঠনিক কাঠামো থাকতে হবে, পাশাপাশি প্রতিটি কমিটিতে ন্যূনতম ২০০ ভোটারের সমর্থনের প্রমাণ জমা দিতে হবে।

এ ছাড়া কোনো দলের সদস্য আগে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে থাকলে অথবা আগের জাতীয় নির্বাচনে কমপক্ষে পাঁচ শতাংশ ভোট পেয়ে থাকলেও সেই দল নিবন্ধনের যোগ্য বিবেচিত হয়। নিয়মিত সাংগঠনিক কার্যক্রম, আর্থিক স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক কাঠামোও নিবন্ধন পাওয়ার শর্তের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তিনটি নতুন রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিচ্ছে ইসি

সর্বশেষ আপডেট ০৩:২৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনটি নতুন রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) এবং বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টি।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, “চূড়ান্ত পর্যালোচনা শেষে কমিশন এই তিন দলকে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন দাবি-আপত্তি চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপত্তি না এলে বা তা নিষ্পত্তি হলে দলগুলোকে চূড়ান্ত নিবন্ধন দেওয়া হবে।”

ইসির তথ্য অনুযায়ী, নিবন্ধনের জন্য মোট ১৪৩টি রাজনৈতিক দল আবেদন করে। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে ২২টি দলের কার্যক্রম মাঠপর্যায়ে যাচাই করতে পাঠানো হয়। ওই তদন্তের পর কমিশন প্রথমে এনসিপি ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগকে নিবন্ধন দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয়।

তবে এনসিপির প্রতীক সংক্রান্ত জটিলতা এবং বাংলাদেশ জাতীয় লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর ইসি বিষয়গুলো পুনরায় যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। এতে ১০টি দলের ওপর অধিকতর তদন্ত চালানো হয়। পরে সব প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই ও একাধিক বৈঠক শেষে চূড়ান্তভাবে তিন দলকে নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

নতুন করে মাঠপর্যায়ে যাচাইয়ের জন্য পাঠানো ১০টি দল হলো— আমজনতার দল, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টি (বিজিপি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), বাংলাদেশ জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, বাংলাদেশ বেকার মুক্তি পরিষদ, জনতার দল, মৌলিক বাংলা, জনতা পার্টি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগ।

নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, নিবন্ধন পেতে হলে দলটির একটি কেন্দ্রীয় কমিটি থাকতে হবে, অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় এবং ১০০টি উপজেলায় সাংগঠনিক কাঠামো থাকতে হবে, পাশাপাশি প্রতিটি কমিটিতে ন্যূনতম ২০০ ভোটারের সমর্থনের প্রমাণ জমা দিতে হবে।

এ ছাড়া কোনো দলের সদস্য আগে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে থাকলে অথবা আগের জাতীয় নির্বাচনে কমপক্ষে পাঁচ শতাংশ ভোট পেয়ে থাকলেও সেই দল নিবন্ধনের যোগ্য বিবেচিত হয়। নিয়মিত সাংগঠনিক কার্যক্রম, আর্থিক স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক কাঠামোও নিবন্ধন পাওয়ার শর্তের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।