ঢাকা ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আবিদের প্রশ্ন

ঢাবি প্রশাসন কি ছাত্রদের সঙ্গে তামাশা করছে?

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাবি
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 79

আবিদের প্রশ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ছাত্রদল মনোনীত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কি প্রশাসন ও কমিশন তামাশা করছে?”

আবিদুলের দাবি, স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর দেশে নতুন গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ডাকসু নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করা হলেও হঠাৎ স্থগিতাদেশের খবরে শিক্ষার্থীরা বিস্মিত। তিনি জানান, যখন তাদের প্যানেল বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে প্রচারে ব্যস্ত ছিল, তখন সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পারেন নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “ডাকসু নির্বাচন ৯ সেপ্টেম্বর যথাসময়ে হতে হবে, একে ব্যাহত করার অধিকার কারও নেই।”

ঢাবি প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে আবিদ অভিযোগ করেন, “আপনারা এমন একটি তপশিল ঘোষণা করেছেন যেখানে ইচ্ছাকৃতভাবে স্থগিতের সুযোগ রাখা হয়েছে। বামজোটের সমর্থিত এক প্রার্থী রিট করে শিবির সমর্থিত ফরহাদের প্রার্থিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফরহাদ ছাত্রলীগের পদে ছিলেন, তবুও প্রার্থী হয়েছেন। এই রিটকে কেন্দ্র করে হাইকোর্ট নির্বাচন স্থগিত করে। পরে অবশ্য চেম্বার জজ আদালত সেই স্থগিতাদেশ স্থগিত করেন।”

আবিদ আরও বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন জনগণের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বসেছে, তাদের কোনো দলের প্রতিনিধি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু তারা নির্বাচনে ফাঁক-ফোঁকর রেখে দিয়েছে, যা অপশক্তির সুবিধা দিচ্ছে।”

আদালতের নির্দেশনা ও নির্বাচন সূচি

এর আগে হাইকোর্ট ডাকসু নির্বাচন ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করে। তবে চেম্বার জজ আদালত দ্রুতই স্থগিতাদেশের কার্যকারিতা বন্ধ করে দেয়।

তপশিল অনুযায়ী, ডাকসু ও হল সংসদের ভোটগ্রহণ হবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর। এবার ডাকসুর ২৮টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৪৭১ প্রার্থী, যাদের মধ্যে নারী প্রার্থী আছেন ৬২ জন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আবিদের প্রশ্ন

ঢাবি প্রশাসন কি ছাত্রদের সঙ্গে তামাশা করছে?

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ছাত্রদল মনোনীত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কি প্রশাসন ও কমিশন তামাশা করছে?”

আবিদুলের দাবি, স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর দেশে নতুন গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ডাকসু নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করা হলেও হঠাৎ স্থগিতাদেশের খবরে শিক্ষার্থীরা বিস্মিত। তিনি জানান, যখন তাদের প্যানেল বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে প্রচারে ব্যস্ত ছিল, তখন সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পারেন নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “ডাকসু নির্বাচন ৯ সেপ্টেম্বর যথাসময়ে হতে হবে, একে ব্যাহত করার অধিকার কারও নেই।”

ঢাবি প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে আবিদ অভিযোগ করেন, “আপনারা এমন একটি তপশিল ঘোষণা করেছেন যেখানে ইচ্ছাকৃতভাবে স্থগিতের সুযোগ রাখা হয়েছে। বামজোটের সমর্থিত এক প্রার্থী রিট করে শিবির সমর্থিত ফরহাদের প্রার্থিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফরহাদ ছাত্রলীগের পদে ছিলেন, তবুও প্রার্থী হয়েছেন। এই রিটকে কেন্দ্র করে হাইকোর্ট নির্বাচন স্থগিত করে। পরে অবশ্য চেম্বার জজ আদালত সেই স্থগিতাদেশ স্থগিত করেন।”

আবিদ আরও বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন জনগণের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বসেছে, তাদের কোনো দলের প্রতিনিধি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু তারা নির্বাচনে ফাঁক-ফোঁকর রেখে দিয়েছে, যা অপশক্তির সুবিধা দিচ্ছে।”

আদালতের নির্দেশনা ও নির্বাচন সূচি

এর আগে হাইকোর্ট ডাকসু নির্বাচন ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করে। তবে চেম্বার জজ আদালত দ্রুতই স্থগিতাদেশের কার্যকারিতা বন্ধ করে দেয়।

তপশিল অনুযায়ী, ডাকসু ও হল সংসদের ভোটগ্রহণ হবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর। এবার ডাকসুর ২৮টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৪৭১ প্রার্থী, যাদের মধ্যে নারী প্রার্থী আছেন ৬২ জন।