ঢাকা ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত পাঁচজনই মাইলস্টোনের ছাত্রী

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
  • / 291

মাইলস্টোনে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ আরেক শিশুর মৃত্যু

গত সোমবার (২১ জুলাই) রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচ নারীর পরিচয় নিশ্চিত করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ডিএনএ ল্যাব।

গত মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) রক্ষিত অজ্ঞাতনামা মরদেহ ও দেহাংশ থেকে সিআইডির ডিএনএ ল্যাবের সদস্যরা মোট ১১টি নমুনা সংগ্রহ করেন। পরে এসব নমুনা বিশ্লেষণ করে পাঁচটি ভিন্ন নারী ডিএনএ প্রোফাইল প্রস্তুত করা হয়। গতকাল বুধবার (২৩ জুলাই) পর্যন্ত ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পাঁচটি পরিবারের ১১ জন সদস্যের ডিএনএ প্রোফাইলের সঙ্গে মেলানোর পর পাঁচজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলো

১. ওকিয়া ফেরদৌস নিধি। ডিএনএ পরীক্ষায় সে মো. ফারুক হোসেন ও সালমা আক্তার দম্পতির কন্যাসন্তান (ওকিয়া ফেরদৌস নিধি) প্রমাণিত হয়েছে।

২. লামিয়া আক্তার সোনিয়া। ডিএনএ পরীক্ষায় সে মো. বাবুল ও মাজেদা দম্পতির কন্যাসন্তান প্রমাণিত হয়।

৩. আফসানা আক্তার প্রিয়া। ডিএনএ পরীক্ষায় সে মো. আব্বাস উদ্দিন ও মোসা. মিনু আক্তার দম্পতির কন্যাসন্তান প্রমাণিত হয়।

৪. রাইসা মনি। ডিএনএ পরীক্ষায় সে মো. শাহাবুল শেখ ও মিসেস মিম দম্পতির কন্যাসন্তান প্রমাণিত হয়।

৫. মারিয়াম উম্মে আফিয়া। ডিএনএ পরীক্ষায় সে আব্দুল কাদির ও উম্মে তামিমা আক্তার দম্পতির কন্যাসন্তান প্রমাণিত হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, উচ্চমানের পরীক্ষার মাধ্যমে এই পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে যেভাবে দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছিল, তা অত্যন্ত বিভীষিকাময় ও চ্যালেঞ্জিং ছিল। প্রাথমিক শনাক্তকরণে ব্যর্থ হওয়ার পর একমাত্র ভরসা ছিল ডিএনএ প্রযুক্তি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত পাঁচজনই মাইলস্টোনের ছাত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

গত সোমবার (২১ জুলাই) রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচ নারীর পরিচয় নিশ্চিত করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ডিএনএ ল্যাব।

গত মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) রক্ষিত অজ্ঞাতনামা মরদেহ ও দেহাংশ থেকে সিআইডির ডিএনএ ল্যাবের সদস্যরা মোট ১১টি নমুনা সংগ্রহ করেন। পরে এসব নমুনা বিশ্লেষণ করে পাঁচটি ভিন্ন নারী ডিএনএ প্রোফাইল প্রস্তুত করা হয়। গতকাল বুধবার (২৩ জুলাই) পর্যন্ত ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পাঁচটি পরিবারের ১১ জন সদস্যের ডিএনএ প্রোফাইলের সঙ্গে মেলানোর পর পাঁচজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলো

১. ওকিয়া ফেরদৌস নিধি। ডিএনএ পরীক্ষায় সে মো. ফারুক হোসেন ও সালমা আক্তার দম্পতির কন্যাসন্তান (ওকিয়া ফেরদৌস নিধি) প্রমাণিত হয়েছে।

২. লামিয়া আক্তার সোনিয়া। ডিএনএ পরীক্ষায় সে মো. বাবুল ও মাজেদা দম্পতির কন্যাসন্তান প্রমাণিত হয়।

৩. আফসানা আক্তার প্রিয়া। ডিএনএ পরীক্ষায় সে মো. আব্বাস উদ্দিন ও মোসা. মিনু আক্তার দম্পতির কন্যাসন্তান প্রমাণিত হয়।

৪. রাইসা মনি। ডিএনএ পরীক্ষায় সে মো. শাহাবুল শেখ ও মিসেস মিম দম্পতির কন্যাসন্তান প্রমাণিত হয়।

৫. মারিয়াম উম্মে আফিয়া। ডিএনএ পরীক্ষায় সে আব্দুল কাদির ও উম্মে তামিমা আক্তার দম্পতির কন্যাসন্তান প্রমাণিত হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, উচ্চমানের পরীক্ষার মাধ্যমে এই পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে যেভাবে দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছিল, তা অত্যন্ত বিভীষিকাময় ও চ্যালেঞ্জিং ছিল। প্রাথমিক শনাক্তকরণে ব্যর্থ হওয়ার পর একমাত্র ভরসা ছিল ডিএনএ প্রযুক্তি।