ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডাকসু বিজয়ীদের অভিনন্দন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 154

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। বলেন, ডাকসুতে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তাদের ব্যক্তিগতভাবে অভিনন্দন জানাই। এটা গণতন্ত্রের রীতি। কিছু ত্রুটিবিচ্যুতি হলেও বহুদিন পর নির্বাচন হয়েছে।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্যকালে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।

সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমার মতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ডাকসু ভোটে অংশ নেয়নি। ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটকে অভিনন্দন জানাই।”

শিক্ষাঙ্গনের রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, “ডাকসু-চাকসু যা-ই হোক, এখানকার বিজয়ীদের কেউ কেউ বড় রাজনীতিবিদ হয়েছেন, আবার অনেকেই এখনও সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। বড় দল ছাড়া ডাকসু নির্বাচিতরা রাজনীতিতে খুব বেশি সাফল্য পাননি। দেশের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পরিবর্তনের অনেকগুলোই এসেছে ছাত্র আন্দোলন বা ছাত্র সংসদের মাধ্যমেই।”

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তনের সংগ্রাম চালু রাখতে হবে। নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধারা প্রচলন করতে হবে। তিনি বলেন, ‘যদি আমরা ফ্যাসিবাদের উত্থান–পুনরুত্থান না চাই, ব্যক্তি স্বৈরতান্ত্রিক পদ্ধতি অথবা দলীয় স্বৈরতান্ত্রিক পদ্ধতির উত্থান না চাই, সংসদীয় একনায়কতন্ত্র না চাই এবং একদলীয় রাষ্ট্রব্যবস্থা কামনা না করি, তাহলে আমাদের নতুন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।’

ভালো রাজনৈতিক স্থাপনার মধ্য দিয়ে অপরাজনীতির বিলুপ্তি ঘটাতে পারবেন বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘সেই রাজনীতির চর্চা আমাদের করতে হবে। রাজনীতিতে প্রতিযোগিতা থাকবে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে। কিন্তু দিন শেষে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আমরা সবাই সবাইকে অভিনন্দন জানাব। এটাই আমাদের রীতি হবে।’

রাষ্ট্রীয় পরিবর্তনের সূতিকাগার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ছাত্ররাজনীতির চর্চা থাকতেই হবে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যাঁরা ছাত্ররাজনীতির বিপক্ষে বলেন বা ছাত্ররাজনীতি বন্ধের কথা বলেন, আমি তাঁদের বিরুদ্ধে। কারণ, রাজনীতির চর্চা শিক্ষাঙ্গন, পাঠশালা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়, সেখান থেকে জাতীয় রাজনীতির নেতৃত্ব উঠে আসে ক্রমবিকাশের মধ্য দিয়ে।’

বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমদ জাতীয়তাবাদী মহিলা নেতৃত্বকে আরও সুগঠিত হয়ে কাজ করা ও আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান। বিএনপি সরকার গঠন করলে নারী নেতৃত্ব ও সংসদ নির্বাচনে সরাসরি নারী প্রার্থী বাড়ানোর বিধান করবে বলেও জানান তিনি।

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রমুখ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ডাকসু বিজয়ীদের অভিনন্দন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। বলেন, ডাকসুতে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তাদের ব্যক্তিগতভাবে অভিনন্দন জানাই। এটা গণতন্ত্রের রীতি। কিছু ত্রুটিবিচ্যুতি হলেও বহুদিন পর নির্বাচন হয়েছে।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্যকালে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।

সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমার মতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ডাকসু ভোটে অংশ নেয়নি। ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটকে অভিনন্দন জানাই।”

শিক্ষাঙ্গনের রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, “ডাকসু-চাকসু যা-ই হোক, এখানকার বিজয়ীদের কেউ কেউ বড় রাজনীতিবিদ হয়েছেন, আবার অনেকেই এখনও সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। বড় দল ছাড়া ডাকসু নির্বাচিতরা রাজনীতিতে খুব বেশি সাফল্য পাননি। দেশের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পরিবর্তনের অনেকগুলোই এসেছে ছাত্র আন্দোলন বা ছাত্র সংসদের মাধ্যমেই।”

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তনের সংগ্রাম চালু রাখতে হবে। নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধারা প্রচলন করতে হবে। তিনি বলেন, ‘যদি আমরা ফ্যাসিবাদের উত্থান–পুনরুত্থান না চাই, ব্যক্তি স্বৈরতান্ত্রিক পদ্ধতি অথবা দলীয় স্বৈরতান্ত্রিক পদ্ধতির উত্থান না চাই, সংসদীয় একনায়কতন্ত্র না চাই এবং একদলীয় রাষ্ট্রব্যবস্থা কামনা না করি, তাহলে আমাদের নতুন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।’

ভালো রাজনৈতিক স্থাপনার মধ্য দিয়ে অপরাজনীতির বিলুপ্তি ঘটাতে পারবেন বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘সেই রাজনীতির চর্চা আমাদের করতে হবে। রাজনীতিতে প্রতিযোগিতা থাকবে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে। কিন্তু দিন শেষে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আমরা সবাই সবাইকে অভিনন্দন জানাব। এটাই আমাদের রীতি হবে।’

রাষ্ট্রীয় পরিবর্তনের সূতিকাগার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ছাত্ররাজনীতির চর্চা থাকতেই হবে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যাঁরা ছাত্ররাজনীতির বিপক্ষে বলেন বা ছাত্ররাজনীতি বন্ধের কথা বলেন, আমি তাঁদের বিরুদ্ধে। কারণ, রাজনীতির চর্চা শিক্ষাঙ্গন, পাঠশালা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়, সেখান থেকে জাতীয় রাজনীতির নেতৃত্ব উঠে আসে ক্রমবিকাশের মধ্য দিয়ে।’

বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমদ জাতীয়তাবাদী মহিলা নেতৃত্বকে আরও সুগঠিত হয়ে কাজ করা ও আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান। বিএনপি সরকার গঠন করলে নারী নেতৃত্ব ও সংসদ নির্বাচনে সরাসরি নারী প্রার্থী বাড়ানোর বিধান করবে বলেও জানান তিনি।

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রমুখ।