ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডাকসু নির্বাচন স্থগিত চেয়ে আবারও হাইকোর্টে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাবি
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৩০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 100

ডাকসু নির্বাচন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন স্থগিতের আবেদন জানিয়ে ফের হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) এই রিটটি করেন মো. জুলিয়াস সিজার তালুকদার। তিনি এর আগে সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এবার ডাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার চেষ্টা করছিলেন।

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় তার নাম ও ব্যালট নম্বর পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত।

ঘটনার সূত্রপাত হয় চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর। সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের এক হাউস টিউটর এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, জুলিয়াস সিজার নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনালে শুনানি হলেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না দিয়ে কমিশনে সুপারিশ পাঠানো হয়। পরে সেই সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন তার প্রার্থিতা বাতিল করে দেয় এবং ব্যালট নম্বরও বাদ দেয়।

এ নিয়ে জুলিয়াস সিজারের অভিযোগ, তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের যথাযথ সুযোগ দেওয়া হয়নি। এ কারণে গত ২৭ আগস্ট তিনি চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আইনি নোটিশ পাঠান। কিন্তু কোনো পদক্ষেপ না পাওয়ায় তিনি শেষ পর্যন্ত প্রার্থিতা পুনর্বহাল ও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বৈধতা নিশ্চিত করতে হাইকোর্টে রিট করেছেন।

ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে এবারও আইনি জটিলতা তৈরি হলো। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ভর করবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ডাকসু নির্বাচন স্থগিত চেয়ে আবারও হাইকোর্টে রিট

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৩০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন স্থগিতের আবেদন জানিয়ে ফের হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) এই রিটটি করেন মো. জুলিয়াস সিজার তালুকদার। তিনি এর আগে সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এবার ডাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার চেষ্টা করছিলেন।

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় তার নাম ও ব্যালট নম্বর পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত।

ঘটনার সূত্রপাত হয় চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর। সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের এক হাউস টিউটর এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, জুলিয়াস সিজার নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনালে শুনানি হলেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না দিয়ে কমিশনে সুপারিশ পাঠানো হয়। পরে সেই সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন তার প্রার্থিতা বাতিল করে দেয় এবং ব্যালট নম্বরও বাদ দেয়।

এ নিয়ে জুলিয়াস সিজারের অভিযোগ, তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের যথাযথ সুযোগ দেওয়া হয়নি। এ কারণে গত ২৭ আগস্ট তিনি চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আইনি নোটিশ পাঠান। কিন্তু কোনো পদক্ষেপ না পাওয়ায় তিনি শেষ পর্যন্ত প্রার্থিতা পুনর্বহাল ও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বৈধতা নিশ্চিত করতে হাইকোর্টে রিট করেছেন।

ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে এবারও আইনি জটিলতা তৈরি হলো। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ভর করবে।