ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডাকসু নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ ছাত্রদলের, ভিসির অস্বীকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:০৮:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 114

ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কারচুপির মৌখিক অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছিরউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খানের কাছে এ অভিযোগ পেশ করে। এ সময় সহ–উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দুপুরের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি প্রবেশপথে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা ব্যাপক হারে জড়ো হয়, যা পরিস্থিতিকে সংঘর্ষের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

তিনি দাবি করেন, “ডাকসুর নির্বাচন ঘিরে প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে ‘জামায়াতিকরণ’ হয়েছে এবং কারচুপি চলছে। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিয়েও কোনো ফল পাইনি।”

অভিযোগের জবাবে উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, বিকেল চারটার পর থেকে প্রবেশপথে জনসমাগমের খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য বাড়ানো হয়েছে। তিনি ব্যক্তিগত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানান, “বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে যেকোনো মতামত সাদরে গ্রহণ করব।”

নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ অস্বীকার করে উপাচার্য বলেন, সারাদিন গণমাধ্যমের সদস্যরা ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। কোথাও অনিয়ম ধরা পড়লে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভোট গণনার প্রক্রিয়া বাইরে প্রদর্শিত হবে, তাই কারচুপির কোনো সুযোগ নেই।

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ডাকসু নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ ছাত্রদলের, ভিসির অস্বীকার

সর্বশেষ আপডেট ০৮:০৮:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কারচুপির মৌখিক অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছিরউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খানের কাছে এ অভিযোগ পেশ করে। এ সময় সহ–উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দুপুরের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি প্রবেশপথে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা ব্যাপক হারে জড়ো হয়, যা পরিস্থিতিকে সংঘর্ষের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

তিনি দাবি করেন, “ডাকসুর নির্বাচন ঘিরে প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে ‘জামায়াতিকরণ’ হয়েছে এবং কারচুপি চলছে। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিয়েও কোনো ফল পাইনি।”

অভিযোগের জবাবে উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, বিকেল চারটার পর থেকে প্রবেশপথে জনসমাগমের খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য বাড়ানো হয়েছে। তিনি ব্যক্তিগত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানান, “বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে যেকোনো মতামত সাদরে গ্রহণ করব।”

নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ অস্বীকার করে উপাচার্য বলেন, সারাদিন গণমাধ্যমের সদস্যরা ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। কোথাও অনিয়ম ধরা পড়লে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভোট গণনার প্রক্রিয়া বাইরে প্রদর্শিত হবে, তাই কারচুপির কোনো সুযোগ নেই।