ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে
- সর্বশেষ আপডেট ০৯:০০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / 106
নানা শঙ্কা ও উত্তেজনা কাঁটিয়ে সকাল ৮টার নির্ধারিত সময়েই শুরু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।
এবার প্রথমবারের মতো হলের বাইরে ৮টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ভোটগ্রহণ নিশ্চিতে সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়েছে ঢাবি কর্তৃপক্ষ। সব কেন্দ্রের নিরাপত্তা পরিস্থিতি খুবই স্বাভাবিক এবং বিঘ্নিত হবার কোনো ধরনের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে একজন ভোটারকে মোট ৪১টি ভোট দিতে হবে। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে ২৮টি ও হল সংসদে ১৩ পদে ভোট দেবেন শিক্ষার্থীরা।
আগামী কয়েক মাস পরেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগের এই নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই বাড়তি চাপ ছিলো লক্ষ্যনীয়।
গতবছর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের যে আন্দোলন হয়েছিল; সেই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলো প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। যাদের অধিকাংশ এবার বিভিন্ন পদে ডাকসুতে প্রার্থী হয়েছেন। সবকিছু মিলেছে এবারের ডাকসু নির্বাচন নিয়ে ছিলো অন্যরকম উত্তেজনা।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯,৮৭৪ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ভোটার রয়েছেন ১৮,৯৫৯, যা মোট ভোটারের ৪৭.৫৫ শতাংশ। অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক ভোটারই নারী। বিশেষ করে পাঁচটি আবাসিক হলের মধ্যে রোকেয়া হলে রয়েছে সর্বোচ্চ ৫,৬৬৫ ভোটার। বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে ২,১১০, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে ২,৬৪৫, শামসুন নাহার হলে ৪,০৯৬ এবং কবি সুফিয়া কামাল হলে ৪,৪৪৩ ভোটার। এই ভিকটিমাইজড নারী ভোটাররা বড় পদগুলোর ফলাফলে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারেন।”
“এবারের নির্বাচনে মোট ২৮টি কেন্দ্রীয় পদে ভোট হচ্ছে। এর মধ্যে ভিপি, সাধারণ সম্পাদকসহ প্রধান ২৫টি পদ আগের মতোই থাকলেও, তিনটি নতুন পদ যুক্ত হয়েছে। মোট ৫৬৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। নির্বাচনের কেন্দ্রীয় পদগুলোর পাশাপাশি হল সংসদে ১৩টি পদ থাকছে, যা আগের মতোই রয়েছে।”
“ভোটের জন্য ক্যাম্পাসে বুথ সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। আগের মতো আট কেন্দ্রে ৭১০টি বুথ থাকলেও এবার তা করা হয়েছে ৮১০টি। এতে আবাসিক ও অনাবাসিক ভোটারদের কোনোভাবে দীর্ঘ লাইন বা অস্বস্তি থেকে বাঁচানো সম্ভব হবে। এ ধরনের প্রস্তুতি নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও সুবিধার্থে নেওয়া হয়েছে।”
এবারের নির্বাচনে অনুপস্থিত নিষিদ্ধ হওয়া ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ।
প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সালের পর ২০১৯ সালে দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হয়েছিল ডাকসু নির্বাচন। তবে নানা অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে সে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। আবার ছয় বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে ডাকসু নির্বাচন।






































