ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডাকসুতে জয়ী হলে পরদিনই বিয়ে করবেন ইলা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • / 122

ডাকসুতে জয়ী হলে পরদিনই বিয়ে করবেন ইলা

ডিমোক্রেজি ক্লাউনস্ ব্যান্ডের ভোকালিস্ট এবং তরুণ শিল্পী ফারিয়া মতিন ইলা। তার ব্যতিক্রমী কণ্ঠ ইতোমধ্যেই তরুণদের মধ্যে পরিচিতি পেয়েছে। তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানেও অংশ নিয়েছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইন্সুরেন্স বিভাগের এই শিক্ষার্থী এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ নির্বাচনে সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে অংশ নিচ্ছেন।

সামাজিক মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ফারিয়া মতিন ইলা। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ডাকসুতে জয়ী হলে পরদিনই বিয়ে করবেন ইনশাআল্লাহ। তিনি আরও লিখেছেন, “আমার শুভ বিবাহের দাওয়াত/নিমন্ত্রণ খেতে চাইলে আমাকে ডাকসুতে জিতান। কুইক।”

এই পোস্টে নেটিজেনরা মজা নিয়েছেন, বন্ধুরাও আনন্দ পেয়েছেন। তবে ইলার আরও একটি পোস্ট মানুষের হৃদয়ে ছাপ রেখেছে। সেখানে তিনি লিখেছেন, “আমার বাবা ঢাকায় আসার পর একটি সময় পর্যন্ত রিকশা চালিয়েছেন। আমার মা শাহাবাগের একটি ফুলের দোকানে দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন। আমি তাদের সন্তান। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার মতো পরিবারের সন্তান অসংখ্য পড়াশোনা করছে। আমি চাষা পরিবারের সন্তানদের সংস্কৃতি অন্তরে লালন করি। আমাকে জিতান বা না জিতান, আমার কাজ আমি করব ইনশাআল্লাহ। আমার মতোদের পথ সুগম করার লড়াই আজীবন চালাব।”

ডাকসুতে জয়ী হলে তিনি কী করবেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে ইলা বলেন, “ঢাবিতে বিভিন্ন জেলার ছেলে-মেয়েরা আসে, তাদের নিজস্ব মাটির সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করব। বিশ্ববিদ্যালয় কালচারাল এক্সচেঞ্জের জন্য খুবই সুন্দর জায়গা। প্রত্যেক মানুষ নিজের সংস্কৃতি নিয়ে আসে এবং সবাই তা গ্রহণ করে। আমি ক্যাম্পাসে আসার পর দুই বছর কোনো কনসার্টে গান গাইতে পারিনি। সব অনুষ্ঠানে লেখা থাকতো ‘ছাত্রলীগ’, আমি তাদের ব্যানারে কোনো গান গাইনি। কোনো ক্লাব বা ট্লাব করিনি। আমার কাছে মনে হয়েছে, একজন শিল্পীকে সৎ থাকা উচিত।”

ফারিয়া মতিন ইলা ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’ প্যানেল থেকে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ডাকসুতে জয়ী হলে পরদিনই বিয়ে করবেন ইলা

সর্বশেষ আপডেট ০৭:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

ডিমোক্রেজি ক্লাউনস্ ব্যান্ডের ভোকালিস্ট এবং তরুণ শিল্পী ফারিয়া মতিন ইলা। তার ব্যতিক্রমী কণ্ঠ ইতোমধ্যেই তরুণদের মধ্যে পরিচিতি পেয়েছে। তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানেও অংশ নিয়েছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইন্সুরেন্স বিভাগের এই শিক্ষার্থী এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ নির্বাচনে সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে অংশ নিচ্ছেন।

সামাজিক মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ফারিয়া মতিন ইলা। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ডাকসুতে জয়ী হলে পরদিনই বিয়ে করবেন ইনশাআল্লাহ। তিনি আরও লিখেছেন, “আমার শুভ বিবাহের দাওয়াত/নিমন্ত্রণ খেতে চাইলে আমাকে ডাকসুতে জিতান। কুইক।”

এই পোস্টে নেটিজেনরা মজা নিয়েছেন, বন্ধুরাও আনন্দ পেয়েছেন। তবে ইলার আরও একটি পোস্ট মানুষের হৃদয়ে ছাপ রেখেছে। সেখানে তিনি লিখেছেন, “আমার বাবা ঢাকায় আসার পর একটি সময় পর্যন্ত রিকশা চালিয়েছেন। আমার মা শাহাবাগের একটি ফুলের দোকানে দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন। আমি তাদের সন্তান। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার মতো পরিবারের সন্তান অসংখ্য পড়াশোনা করছে। আমি চাষা পরিবারের সন্তানদের সংস্কৃতি অন্তরে লালন করি। আমাকে জিতান বা না জিতান, আমার কাজ আমি করব ইনশাআল্লাহ। আমার মতোদের পথ সুগম করার লড়াই আজীবন চালাব।”

ডাকসুতে জয়ী হলে তিনি কী করবেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে ইলা বলেন, “ঢাবিতে বিভিন্ন জেলার ছেলে-মেয়েরা আসে, তাদের নিজস্ব মাটির সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করব। বিশ্ববিদ্যালয় কালচারাল এক্সচেঞ্জের জন্য খুবই সুন্দর জায়গা। প্রত্যেক মানুষ নিজের সংস্কৃতি নিয়ে আসে এবং সবাই তা গ্রহণ করে। আমি ক্যাম্পাসে আসার পর দুই বছর কোনো কনসার্টে গান গাইতে পারিনি। সব অনুষ্ঠানে লেখা থাকতো ‘ছাত্রলীগ’, আমি তাদের ব্যানারে কোনো গান গাইনি। কোনো ক্লাব বা ট্লাব করিনি। আমার কাছে মনে হয়েছে, একজন শিল্পীকে সৎ থাকা উচিত।”

ফারিয়া মতিন ইলা ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’ প্যানেল থেকে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন।