টেস্টের অধিনায়কও লিটন দাস
- সর্বশেষ আপডেট ১২:৩০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
- / 78
টেস্ট অধিনায়ক কে হবেন তা জানতে চাইলে একসময় নাজমুল আবেদীন ফাহিম বলেছিলেন, ১৫ জনের মধ্যে যে কারও অধিনায়ক হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে এবার টেস্ট অধিনায়ক নির্বাচন নিয়ে আলাদা মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার ফাঁকে একটি বিশেষ সভা হয়েছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সহসভাপতি ফারুক আহমেদ, ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন এবং পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক। বিসিবির একাধিক পরিচালক নিশ্চিত করেছেন, সভায় সাবেক চার ক্রিকেটারের অংশগ্রহণে টেস্ট অধিনায়ক নির্বাচন বিষয়ক আলোচনা হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে লিটন কুমার দাসকে আপৎকালীন টেস্ট অধিনায়ক করার।
টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে মুমিনুল হককে প্রথম পছন্দ ছিল বিসিবির। ক্রান্তিকালে টেস্ট দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে এই বাঁহাতি ব্যাটারের। ২০১৯ সালে সাকিব আল হাসানকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করার সময় মুমিনুল হক টেস্ট দলে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং তার নেতৃত্বে নিউজিল্যান্ডে টেস্ট জিতেছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তিনি রাজি হননি। মুমিনুল হক নিজেই সাম্প্রতিক সময়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নাজমুল হোসেন শান্তকে টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি। টেস্ট অধিনায়কের বাকি প্রার্থী ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন কুমার দাস। ওয়ানডেতে মিরাজের নেতৃত্ব নিয়ে সমালোচনা থাকায় তাকে টেস্টে অধিনায়ক করার পক্ষে বিসিবি নন। সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও সহসভাপতি ফারুক আহমেদ লিটনের ওপরই আস্থা রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন।
লিটন শীর্ষ পছন্দে না থাকার কারণ হিসেবে তার ধারাবাহিকতা কম থাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এক পরিচালক বলেন, “লিটন ধারাবাহিক হলে কোনো প্রশ্ন থাকত না। কিন্তু মাঝে মধ্যে তিনি দলে থাকেন না।” টেস্ট অধিনায়ক নির্বাচনের সভায় উপস্থিত একজন পরিচালক বলেন, “ক্রিকেট বিষয়ক আলোচনা করতে আমরা চারজন বসেছিলাম। বিষয়টি বোর্ডে মাঝে মাঝে হয়।”
নাজমুল আবেদীন সভায় অন্য কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান। তিনি বলেন, “আমরা শুধু ক্রিকেটার নিয়ে আলোচনা করেছি। সেখানে অন্য কোনো বিষয় হয়নি এবং বিষয়টিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করার সুযোগ নেই।”
ক্রীড়া পরিচালনা বিভাগে কোনো উপকমিটি করার আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “এ ধরনের কোনো আলোচনা হয়নি। কোনো উপকমিটি হচ্ছে না। স্ট্যান্ডিং কমিটির শূন্যপদগুলো পূরণ করা হবে।” গাজী আশরাফ হোসেন লিপু চেয়ারম্যান থাকার সময় ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের একটি টেকনিক্যাল কমিটি ছিল, যা কেন্দ্রীয় চুক্তির ক্রিকেটার বাছাই, জাতীয় দল নির্বাচক প্যানেল, কোচিং প্যানেল ও সাপোর্ট স্টাফ নিয়োগের সুপারিশ করতো।































