ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
গুলিতে ঘরের টিনের চাল ক্ষতিগ্রস্ত

টেকনাফ সীমান্তে গোলাগুলির শব্দে আতঙ্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, টেকনাফ (কক্সবাজার)
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 49

গুলিতে ঘরের টিনের চাল ক্ষতিগ্রস্ত

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফ নদীর ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বিবদমান সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবার ভোরে শুরু হওয়া এই গোলাগুলি বেলা ১১টা পর্যন্ত চলে। এ সময় বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকায় ঘরবাড়ি কেঁপে ওঠে।

সীমান্ত সূত্রে জানা গেছে, রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মির সঙ্গে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা) এবং আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে ছোড়া গুলির কিছু অংশ বাংলাদেশ ভূখণ্ডে এসে পড়ে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বালুখালী গ্রামের বাসিন্দারা জানান, ভোরে গোলাগুলির শব্দ শোনার পর আতঙ্কে অনেকেই ঘরের ভেতর নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। কয়েকটি বাড়ির টিনের চাল গুলিতে ছিদ্র হয়েছে। এক বাসিন্দার ঘরের ভেতরে গুলি পড়ে গেলে সেটি গরম অবস্থায় পাওয়া যায় বলে তিনি দাবি করেন।

এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, টানা কয়েক ঘণ্টা গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দে পুরো সীমান্ত এলাকা থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অনেক সময় মর্টারশেল বিস্ফোরণের শব্দও শোনা গেছে এবং নাফ নদীর পাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়।

হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জানান, কয়েকটি বাড়ি ও বাজারসংলগ্ন এলাকায় ওপার থেকে ছোড়া গুলি এসে পড়েছে। এতে মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জানান, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে এবং গুলি পড়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গুলিতে ঘরের টিনের চাল ক্ষতিগ্রস্ত

টেকনাফ সীমান্তে গোলাগুলির শব্দে আতঙ্ক

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফ নদীর ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বিবদমান সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবার ভোরে শুরু হওয়া এই গোলাগুলি বেলা ১১টা পর্যন্ত চলে। এ সময় বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকায় ঘরবাড়ি কেঁপে ওঠে।

সীমান্ত সূত্রে জানা গেছে, রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মির সঙ্গে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা) এবং আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে ছোড়া গুলির কিছু অংশ বাংলাদেশ ভূখণ্ডে এসে পড়ে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বালুখালী গ্রামের বাসিন্দারা জানান, ভোরে গোলাগুলির শব্দ শোনার পর আতঙ্কে অনেকেই ঘরের ভেতর নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। কয়েকটি বাড়ির টিনের চাল গুলিতে ছিদ্র হয়েছে। এক বাসিন্দার ঘরের ভেতরে গুলি পড়ে গেলে সেটি গরম অবস্থায় পাওয়া যায় বলে তিনি দাবি করেন।

এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, টানা কয়েক ঘণ্টা গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দে পুরো সীমান্ত এলাকা থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অনেক সময় মর্টারশেল বিস্ফোরণের শব্দও শোনা গেছে এবং নাফ নদীর পাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়।

হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জানান, কয়েকটি বাড়ি ও বাজারসংলগ্ন এলাকায় ওপার থেকে ছোড়া গুলি এসে পড়েছে। এতে মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জানান, ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে এবং গুলি পড়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।