টেকনাফে কার্ড বিতরণ নিয়ে ব্যাখ্যা নাসরিন পারভীনের
- সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪৬:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫
- / 219
টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদে কার্ড বিতরণ নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর ব্যাখ্যা দিয়েছেন মহিলা ইউপি সদস্য নাসরিন পারভীন কবির।
নাসরিন পারভীন কবির বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি সেবা বিতরণ কার্যক্রম স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার জন্য তিনি সবসময় সচেষ্ট ছিলেন। কিন্তু একটি মহল রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে।
তিনি জানান, প্রকৃত অসহায় ও হতদরিদ্রদের সহযোগিতার উদ্দেশ্যে তার পরিবারের সদস্যদের নামে দুটি কার্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি কার্ড দেওয়া হয়েছে স্বামীহারা অসহায় বিধবা নারী পারভিন আক্তার (স্বামী মৃত আব্দুল মুনাফ, সিএনজি চালক) এর জন্য এবং অন্যটি দেওয়া হয়েছে এক অসহায় নাইটগার্ড মরিয়ম আক্তারের স্বামী হাফেজ রেজাউল কারিমের জন্য।
তিনি বলেন, “আমার আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে কেউ যদি অতিরিক্ত কার্ড পেয়ে থাকে বা আমি নিজের জন্য কার্ড ব্যবহার করে থাকি কিংবা কারো কাছ থেকে দুই হাজার বা এক হাজার টাকা নিয়ে থাকি, তবে আপনারা প্রমাণ দিতে পারলে আমি নিজেই বলছি, আমার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবেন।”
তিনি আরও বলেন, “আমার জানামতে আমি এরকম কিছু করিনি। আমি জনগণের জন্য কাজ করছি। যখন আমার লিস্টের বইগুলো আসেনি, তখন জনগণ আমাকে অতিরিক্ত বিরক্ত করছিল। আমি দেখি ইউনিয়ন পরিষদে কোনো মেম্বার নেই, চেয়ারম্যানও নেই; কিছু বাহিরের লোকজন কার্ড বিতরণ করছে। আমি তখন তাদের সাথে কথা বলি, কিন্তু তারা উল্টো বলে, ‘আমাদের দরকার নেই, আপনারা দিতে পারেন’। তখন আমি বইগুলো হাতে নেই। সচিব আমাকে আটকাতে চেয়েছিলেন, কিন্তু আমি তার কথা না শুনে বইগুলো পুকুরে ফেলে দিই।”
নাসরিন পারভীন কবির স্পষ্ট করে বলেন, এই দুটি কার্ড ছাড়া তার কোনো আত্মীয় বা পরিবারের নামে আর কোনো কার্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। তিনি কখনো ব্যক্তিগত বা পারিবারিক স্বার্থে সরকারি সুবিধা গ্রহণ করেননি। বরং সবসময় চেষ্টা করেছেন প্রকৃত দরিদ্র মানুষের হাতে সুবিধা পৌঁছে দিতে।
তিনি অভিযোগ করেন, একটি মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে প্রশাসন চাইলে তিনি যে কোনো তদন্তে সহযোগিতা করবেন এবং প্রকৃত সত্য প্রকাশ পেলে সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।
ইউপি মহিলা সদস্য নাসরিন পারভীন কবির আরও বলেন, “অসহায় গরিব মা-বোনদের জন্য করা প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে বিএডব্লিউবি চালের কার্ডের লিস্ট প্রকাশ করা হয়। কিন্তু আমার হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদে ৪ হাজার মানুষের লিস্ট কোনো মেম্বারকে দেওয়া হয়নি। ইউনিয়ন পরিষদের পেজ থেকেও তা প্রকাশ করা হয়নি।”



































