ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আন্তর্জাতিক আদালতের রায়

টেংরাটিলা বিস্ফোরণে বাংলাদেশ পাচ্ছে ৪২ মিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 11

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণের ক্ষতিপূরণ বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকোকে ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে হবে।

জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশের আশা অনুযায়ী রায় হয়নি। আমরা ১০০ মিলিয়ন ডলার দাবি করেছিলাম, পেয়েছি ৪.২০ মিলিয়ন।” তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করা হবে।

২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর নাইকোকে কাজের জন্য চুক্তি দেওয়া হয়। চুক্তি মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশি ভাইস প্রেসিডেন্টের অনুকূলে ৪০ লাখ কানাডিয়ান ডলার ছাড় শুরু করে।

পরবর্তী সময়ে অভাবনীয় দুর্নীতির কারণে জাতীয় সম্পদের অংশ টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রের কাজে ক্ষতি হয়। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটে, যার ফলে গ্যাস মজুদ নষ্ট হয় এবং আশপাশের স্থাপনা ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, দুর্নীতির কারণে অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার খেসারত বহন করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। অনেকের ধারণা, এই দুর্নীতি না হলে দেশের গ্যাস সংকট এভাবে গুরুতর হতো না।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আন্তর্জাতিক আদালতের রায়

টেংরাটিলা বিস্ফোরণে বাংলাদেশ পাচ্ছে ৪২ মিলিয়ন ডলার

সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণের ক্ষতিপূরণ বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকোকে ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে হবে।

জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশের আশা অনুযায়ী রায় হয়নি। আমরা ১০০ মিলিয়ন ডলার দাবি করেছিলাম, পেয়েছি ৪.২০ মিলিয়ন।” তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করা হবে।

২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর নাইকোকে কাজের জন্য চুক্তি দেওয়া হয়। চুক্তি মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশি ভাইস প্রেসিডেন্টের অনুকূলে ৪০ লাখ কানাডিয়ান ডলার ছাড় শুরু করে।

পরবর্তী সময়ে অভাবনীয় দুর্নীতির কারণে জাতীয় সম্পদের অংশ টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রের কাজে ক্ষতি হয়। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটে, যার ফলে গ্যাস মজুদ নষ্ট হয় এবং আশপাশের স্থাপনা ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, দুর্নীতির কারণে অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার খেসারত বহন করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। অনেকের ধারণা, এই দুর্নীতি না হলে দেশের গ্যাস সংকট এভাবে গুরুতর হতো না।