ঢাকা ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টঙ্গীতে দগ্ধ ফায়ারকর্মীদের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:১১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 102

টঙ্গীতে দগ্ধ ফায়ারকর্মীদের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে

গাজীপুরের টঙ্গীতে কেমিক্যাল গুদামে আগুন নেভাতে গিয়ে দগ্ধ ফায়ার সার্ভিসের চার কর্মীর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

মঙ্গলবার সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “দগ্ধদের চিকিৎসায় কোনো অবহেলা বা গাফিলতি করা যাবে না। আমাদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, হাসপাতালে ভর্তি চারজনের মধ্যে দুইজনের অবস্থা গুরুতর। তবে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউট আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল হিসেবে তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। উপদেষ্টা আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসার জন্য যা যা প্রয়োজন সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন জানান, দগ্ধ ফায়ার কর্মীদের চিকিৎসায় একটি বিশেষ মনিটরিং টিম কাজ করবে। তিনি বলেন, “রোগীদের চিকিৎসার বিষয়ে আবেগ নয়, বিজ্ঞানের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দেশে কিংবা প্রয়োজনে বিদেশে—সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে আমরা প্রস্তুত।”

এ সময় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল এনডিসিসহ বার্ন ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসাধীন চার ফায়ার সার্ভিস কর্মী হলেন — টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর খন্দকার জান্নাতুল নাঈম (৪২% দগ্ধ), ফায়ার ফাইটার শামীম আহমেদ (১০০% দগ্ধ), ফায়ার ফাইটার মো. নূরুল হুদা (১০০% দগ্ধ) ও ফায়ার ফাইটার মো. জয় হাসান (৫% দগ্ধ)। এছাড়া কেমিক্যাল গুদামের কর্মচারী আল আমিন বাবু (৯৫% দগ্ধ) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

উল্লেখ্য, সোমবার গাজীপুরের টঙ্গীর সাহারা মার্কেটে একটি কেমিক্যাল গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আগুন নেভাতে গিয়ে চারজন ফায়ার সার্ভিস সদস্য ও একজন শ্রমিক মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

টঙ্গীতে দগ্ধ ফায়ারকর্মীদের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে

সর্বশেষ আপডেট ০৪:১১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাজীপুরের টঙ্গীতে কেমিক্যাল গুদামে আগুন নেভাতে গিয়ে দগ্ধ ফায়ার সার্ভিসের চার কর্মীর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

মঙ্গলবার সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “দগ্ধদের চিকিৎসায় কোনো অবহেলা বা গাফিলতি করা যাবে না। আমাদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, হাসপাতালে ভর্তি চারজনের মধ্যে দুইজনের অবস্থা গুরুতর। তবে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউট আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল হিসেবে তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। উপদেষ্টা আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসার জন্য যা যা প্রয়োজন সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন জানান, দগ্ধ ফায়ার কর্মীদের চিকিৎসায় একটি বিশেষ মনিটরিং টিম কাজ করবে। তিনি বলেন, “রোগীদের চিকিৎসার বিষয়ে আবেগ নয়, বিজ্ঞানের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দেশে কিংবা প্রয়োজনে বিদেশে—সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে আমরা প্রস্তুত।”

এ সময় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল এনডিসিসহ বার্ন ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসাধীন চার ফায়ার সার্ভিস কর্মী হলেন — টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর খন্দকার জান্নাতুল নাঈম (৪২% দগ্ধ), ফায়ার ফাইটার শামীম আহমেদ (১০০% দগ্ধ), ফায়ার ফাইটার মো. নূরুল হুদা (১০০% দগ্ধ) ও ফায়ার ফাইটার মো. জয় হাসান (৫% দগ্ধ)। এছাড়া কেমিক্যাল গুদামের কর্মচারী আল আমিন বাবু (৯৫% দগ্ধ) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

উল্লেখ্য, সোমবার গাজীপুরের টঙ্গীর সাহারা মার্কেটে একটি কেমিক্যাল গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আগুন নেভাতে গিয়ে চারজন ফায়ার সার্ভিস সদস্য ও একজন শ্রমিক মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন।