ঢাকা ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জেদ্দা বিমানবন্দরে আটক বিমানের পাইলট ক্যাপ্টেন মুনতাসির

বিশেষ প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 251

ক্যাপ্টেন মুনতাসির রহমান

পাসপোর্ট ছাড়া সৌদি আরবের জেদ্দায় ফ্লাই করায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট ক্যাপ্টেন মুনতাসির রহমানকে আটক করেছে স্থানীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। এর আগে একই ধরনের ঘটনায় একাধিকবার বিমানের পাইলটরা বিদেশে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন।

পাসপোর্ট ছাড়া বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ পরিচালনা করায় জেদ্দা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটকে রাখে ক্যাপ্টেন মুনতাসির রহমানকে।

বুধবার সকালে বিমান কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে ক্যাপ্টেন মুনতাসিরকে বিমানবন্দর থেকে হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সন্ধ্যার একটি ফ্লাইটে তার পাসপোর্ট পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয় বলে বিমান কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, ক্যাপ্টেন মুনতাসিরের আগেও বিভিন্ন সময়ে নানা বিতর্কিত ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে শুধু তিনি নন, বিমানের ইতিহাসে এর আগেও একাধিক পাইলট একই ধরনের ঘটনায় বিদেশি বিমানবন্দরে বিপাকে পড়েছেন।

২০১৯ সালে ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফ্লাইট পরিচালনা করে দোহা বিমানবন্দরে পৌঁছান পাসপোর্ট ছাড়া। সে সময় তাকে বিমানবন্দরের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে তিনি অন্য ফ্লাইটে দেশে ফিরে আসেন।

একইভাবে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি ক্যাপ্টেন এনাম ঢাকা-লন্ডন রুটে মেয়াদোত্তীর্ণ আইডি কার্ড নিয়ে উড়োজাহাজ পরিচালনা করায় হিথরো বিমানবন্দরে আটক হন। পরে আনসেভ অপারেশনের মাধ্যমে তাকে বিমানের আরেকটি ফ্লাইটে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

বিমানের একাধিক কর্মকর্তা মনে করেন, অভ্যন্তরীণ জবাবদিহিতার অভাব ও শিথিল নজরদারির কারণেই এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ কর্মকর্তা বুশরা ইসলাম জানান, ক্যাপ্টেন মুনতাসির এই মুহুর্তে জেদ্দা অবস্থান করছেন। তার পাসপোর্ট পাঠানো হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জেদ্দা বিমানবন্দরে আটক বিমানের পাইলট ক্যাপ্টেন মুনতাসির

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পাসপোর্ট ছাড়া সৌদি আরবের জেদ্দায় ফ্লাই করায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট ক্যাপ্টেন মুনতাসির রহমানকে আটক করেছে স্থানীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। এর আগে একই ধরনের ঘটনায় একাধিকবার বিমানের পাইলটরা বিদেশে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন।

পাসপোর্ট ছাড়া বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ পরিচালনা করায় জেদ্দা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটকে রাখে ক্যাপ্টেন মুনতাসির রহমানকে।

বুধবার সকালে বিমান কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে ক্যাপ্টেন মুনতাসিরকে বিমানবন্দর থেকে হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সন্ধ্যার একটি ফ্লাইটে তার পাসপোর্ট পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয় বলে বিমান কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, ক্যাপ্টেন মুনতাসিরের আগেও বিভিন্ন সময়ে নানা বিতর্কিত ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে শুধু তিনি নন, বিমানের ইতিহাসে এর আগেও একাধিক পাইলট একই ধরনের ঘটনায় বিদেশি বিমানবন্দরে বিপাকে পড়েছেন।

২০১৯ সালে ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফ্লাইট পরিচালনা করে দোহা বিমানবন্দরে পৌঁছান পাসপোর্ট ছাড়া। সে সময় তাকে বিমানবন্দরের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে তিনি অন্য ফ্লাইটে দেশে ফিরে আসেন।

একইভাবে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি ক্যাপ্টেন এনাম ঢাকা-লন্ডন রুটে মেয়াদোত্তীর্ণ আইডি কার্ড নিয়ে উড়োজাহাজ পরিচালনা করায় হিথরো বিমানবন্দরে আটক হন। পরে আনসেভ অপারেশনের মাধ্যমে তাকে বিমানের আরেকটি ফ্লাইটে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

বিমানের একাধিক কর্মকর্তা মনে করেন, অভ্যন্তরীণ জবাবদিহিতার অভাব ও শিথিল নজরদারির কারণেই এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ কর্মকর্তা বুশরা ইসলাম জানান, ক্যাপ্টেন মুনতাসির এই মুহুর্তে জেদ্দা অবস্থান করছেন। তার পাসপোর্ট পাঠানো হয়েছে।