ঢাকা ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জুলাই হত্যা মামলায় শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৫৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / 188

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচার

জুলাই–আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনাল-১–এ রায় পাঠ শুরু হয়। মোট ৪৫৩ পৃষ্ঠার এই রায় ছয়টি ভাগে সাজানো হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার রায়ের সূচনা পাঠ করেন। পরবর্তীতে বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীও রায়ের বিভিন্ন অংশ উপস্থাপন করেন।

রায়ে সাম্প্রতিক বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে অভিযুক্ত শেখ হাসিনার বক্তব্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, এবং পরবর্তী সময়ে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়।

এর আগে বিচারকাজে ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত অডিও, ভিডিওসহ নানা তথ্য–উপাত্তের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের সাক্ষ্য ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনাও রায়ের অংশ হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে।

জুলাইয়ের গণ–অভ্যুত্থানকালীন সময়ে বিভিন্ন ভিডিওতে ধরা পড়া ঘটনাগুলোর ভিত্তিতে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ আদালতে তুলে ধরা হয়। যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, বাড্ডা, সাভার, আশুলিয়া, রংপুরসহ বহু এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর প্রাণঘাতী গুলি চালানোর অভিযোগের প্রমাণও বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হয়।

এ ছাড়া মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ আদালতে পড়ে শোনানো হয়। গণ–অভ্যুত্থান চলাকালে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোন আলাপও ট্রাইব্যুনালে প্লে করা হয়।

রায় ঘোষণার পুরো কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জুলাই হত্যা মামলায় শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা

সর্বশেষ আপডেট ০২:৫৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই–আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনাল-১–এ রায় পাঠ শুরু হয়। মোট ৪৫৩ পৃষ্ঠার এই রায় ছয়টি ভাগে সাজানো হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার রায়ের সূচনা পাঠ করেন। পরবর্তীতে বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীও রায়ের বিভিন্ন অংশ উপস্থাপন করেন।

রায়ে সাম্প্রতিক বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে অভিযুক্ত শেখ হাসিনার বক্তব্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, এবং পরবর্তী সময়ে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়।

এর আগে বিচারকাজে ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত অডিও, ভিডিওসহ নানা তথ্য–উপাত্তের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের সাক্ষ্য ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনাও রায়ের অংশ হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে।

জুলাইয়ের গণ–অভ্যুত্থানকালীন সময়ে বিভিন্ন ভিডিওতে ধরা পড়া ঘটনাগুলোর ভিত্তিতে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ আদালতে তুলে ধরা হয়। যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, বাড্ডা, সাভার, আশুলিয়া, রংপুরসহ বহু এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর প্রাণঘাতী গুলি চালানোর অভিযোগের প্রমাণও বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হয়।

এ ছাড়া মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ আদালতে পড়ে শোনানো হয়। গণ–অভ্যুত্থান চলাকালে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোন আলাপও ট্রাইব্যুনালে প্লে করা হয়।

রায় ঘোষণার পুরো কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে।