ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 103

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন

আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর। এ জাদুঘরে পিলখানা হত্যাকাণ্ড, গুম-খুন-আয়নাঘর, শাপলা ট্র্যাজেডি ও ভোট কারচুপিসহ গত ১৬ বছরের রাজনৈতিক দুঃসময়ের চিত্র তুলে ধরা হবে।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক বৈঠকে জাদুঘর নির্মাণ কর্তৃপক্ষ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এ তথ্য জানায়। পরে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার সাংবাদিকদের এ তথ্য দেন।

সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী জানান, ৩১ অক্টোবর ২০২৫-এর মধ্যে জাদুঘরের নির্মাণকাজ শেষ হবে এবং নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই এটি উদ্বোধন করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, “১৬ বছরের দুঃশাসনের নানা ঘটনার দলিল, নির্দেশনা ও নৃশংসতার ইতিহাস এখানে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে দর্শনার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা নিতে পারেন।”

প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস বলেন, “এই জাদুঘর মানুষকে সেই সময়ের প্রতিরোধ ও সংগ্রামের চেতনাকে অনুভব করতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে ৫ আগস্ট গণভবনে জনতার ঢলের যে স্মৃতি—তা এখানে প্রতিফলিত হবে।”

জাদুঘরের চিফ কিউরেটর তানজীম ওয়াহাব জানান, আইসিটি প্রসিকিউশন টিম ও গুমবিষয়ক তদন্ত কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে। দর্শনার্থীরা ধারাবাহিকভাবে ১৬ বছরের বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ জানতে পারবেন।

সংস্কৃতি উপদেষ্টা ফারুকী আরও বলেন, গুম-খুনের নির্দেশ সম্পর্কিত অডিও ইতোমধ্যে জাদুঘরের হাতে এসেছে, যা প্রদর্শিত হবে। এছাড়া এখানে থাকবে একটি স্ক্রিনিং সেন্টার, যেখানে জুলাই ও দুঃশাসনকালীন নানা ডকুমেন্টারি দেখানো হবে।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, আইসিটির প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, গুম সংক্রান্ত কমিশনের সদস্য ড. নাবিলা ইদ্রিস, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় জাদুঘরের গভর্নিং বডির চেয়ারপারসন মেরিনা তাবাসসুম এবং গবেষক-শিল্পী-স্থপতিদের একটি দল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর। এ জাদুঘরে পিলখানা হত্যাকাণ্ড, গুম-খুন-আয়নাঘর, শাপলা ট্র্যাজেডি ও ভোট কারচুপিসহ গত ১৬ বছরের রাজনৈতিক দুঃসময়ের চিত্র তুলে ধরা হবে।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক বৈঠকে জাদুঘর নির্মাণ কর্তৃপক্ষ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এ তথ্য জানায়। পরে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার সাংবাদিকদের এ তথ্য দেন।

সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী জানান, ৩১ অক্টোবর ২০২৫-এর মধ্যে জাদুঘরের নির্মাণকাজ শেষ হবে এবং নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই এটি উদ্বোধন করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, “১৬ বছরের দুঃশাসনের নানা ঘটনার দলিল, নির্দেশনা ও নৃশংসতার ইতিহাস এখানে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে দর্শনার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা নিতে পারেন।”

প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস বলেন, “এই জাদুঘর মানুষকে সেই সময়ের প্রতিরোধ ও সংগ্রামের চেতনাকে অনুভব করতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে ৫ আগস্ট গণভবনে জনতার ঢলের যে স্মৃতি—তা এখানে প্রতিফলিত হবে।”

জাদুঘরের চিফ কিউরেটর তানজীম ওয়াহাব জানান, আইসিটি প্রসিকিউশন টিম ও গুমবিষয়ক তদন্ত কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে। দর্শনার্থীরা ধারাবাহিকভাবে ১৬ বছরের বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ জানতে পারবেন।

সংস্কৃতি উপদেষ্টা ফারুকী আরও বলেন, গুম-খুনের নির্দেশ সম্পর্কিত অডিও ইতোমধ্যে জাদুঘরের হাতে এসেছে, যা প্রদর্শিত হবে। এছাড়া এখানে থাকবে একটি স্ক্রিনিং সেন্টার, যেখানে জুলাই ও দুঃশাসনকালীন নানা ডকুমেন্টারি দেখানো হবে।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, আইসিটির প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, গুম সংক্রান্ত কমিশনের সদস্য ড. নাবিলা ইদ্রিস, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় জাদুঘরের গভর্নিং বডির চেয়ারপারসন মেরিনা তাবাসসুম এবং গবেষক-শিল্পী-স্থপতিদের একটি দল।