ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জিরো সয়েল বাস্তবায়নে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: পরিবেশ উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:১৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
  • / 336

জিরো সয়েল বাস্তবায়নে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: পরিবেশ উপদেষ্টা

মহানগরীর ধুলা ও দূষণ কমিয়ে পরিবেশবান্ধব নগর গড়তে ‘জিরো সয়েল’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) পূর্বাচল নতুন শহরের হারার বাড়ি চত্বরে বন অধিদপ্তর ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের যৌথ আয়োজনে বনায়ন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “জিরো সয়েল বাস্তবায়নে সিটি কর্পোরেশন, বন বিভাগ ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। খোলা মাটি ঘাস বা লতায় ঢেকে দিতে হবে, ছাদে গাছ লাগাতে হবে এবং সকলের অংশগ্রহণে পরিবেশকে সবুজ ও বাসযোগ্য করতে হবে।”

তিনি আরও জানান, সড়ক বিভাজক, ফুটপাত, খাল/জলাশয়ের পাড়সহ নগরের বনায়নযোগ্য স্থানে গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। “আমরা চেষ্টা করবো সেপ্টেম্বরের মধ্যেই একটি দৃষ্টান্তমূলক রূপান্তর নিশ্চিত করতে। প্রাকৃতিক ইকোসিস্টেম ভেঙে ফেলা নয়, বরং গড়ে তোলা উচিত। বন তৈরি হয়, কৃত্রিমভাবে বানানো যায় না।”

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম এবং প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী।

ডিএনসিসির সূত্র অনুযায়ী, ভবিষ্যতে ১২০ কিমি মিডিয়ান এবং ১০৮ কিমি খালপাড় সবুজায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। রাজউকের উত্তরা ও পূর্বাচল আবাসিক এলাকায় যৌথভাবে বনায়ন কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে উপদেষ্টা বনানী কবরস্থানের পাশের রাস্তায় ঘাস রোপণের মাধ্যমে ‘জিরো সয়েল’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জিরো সয়েল বাস্তবায়নে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: পরিবেশ উপদেষ্টা

সর্বশেষ আপডেট ০১:১৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

মহানগরীর ধুলা ও দূষণ কমিয়ে পরিবেশবান্ধব নগর গড়তে ‘জিরো সয়েল’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) পূর্বাচল নতুন শহরের হারার বাড়ি চত্বরে বন অধিদপ্তর ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের যৌথ আয়োজনে বনায়ন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “জিরো সয়েল বাস্তবায়নে সিটি কর্পোরেশন, বন বিভাগ ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। খোলা মাটি ঘাস বা লতায় ঢেকে দিতে হবে, ছাদে গাছ লাগাতে হবে এবং সকলের অংশগ্রহণে পরিবেশকে সবুজ ও বাসযোগ্য করতে হবে।”

তিনি আরও জানান, সড়ক বিভাজক, ফুটপাত, খাল/জলাশয়ের পাড়সহ নগরের বনায়নযোগ্য স্থানে গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। “আমরা চেষ্টা করবো সেপ্টেম্বরের মধ্যেই একটি দৃষ্টান্তমূলক রূপান্তর নিশ্চিত করতে। প্রাকৃতিক ইকোসিস্টেম ভেঙে ফেলা নয়, বরং গড়ে তোলা উচিত। বন তৈরি হয়, কৃত্রিমভাবে বানানো যায় না।”

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম এবং প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী।

ডিএনসিসির সূত্র অনুযায়ী, ভবিষ্যতে ১২০ কিমি মিডিয়ান এবং ১০৮ কিমি খালপাড় সবুজায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। রাজউকের উত্তরা ও পূর্বাচল আবাসিক এলাকায় যৌথভাবে বনায়ন কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে উপদেষ্টা বনানী কবরস্থানের পাশের রাস্তায় ঘাস রোপণের মাধ্যমে ‘জিরো সয়েল’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।