ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামায়াত শুরু থেকেই জটিলতা সৃষ্টি করছে: রুমিন ফারহানা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২৫:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
  • / 92

রুমিন ফারহানা

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, জামায়াত ইসলামী শুরু থেকেই দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় নিম্ন কক্ষে পিআর এজেন্ডা অন্তর্ভুক্ত ছিল না। কিন্তু ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঠেকানো সম্ভব নয় বুঝতে পেরে জামায়াত এই বিষয়টি আনল। তারা বলল, যদি নিম্ন কক্ষে পিআর না হয়, তাহলে ভোটেই যাব না।”

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টক শোতে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, জামায়াতের এই ব্ল্যাকমেইলিং—“যদি কিছু না হয়, আমরা ভোটে যাব না, নির্বাচন বর্জন করব”—এক ধরনের কৌশল, যার মাধ্যমে তারা অন্য রাজনৈতিক দল ও সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে। তিনি মন্তব্য করেন, “শুরু থেকেই জামায়াত জটিলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।”

তিনি বলেন, দেশে এর আগে তিনটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ভোটদাতাদের হ্যাঁ বা না মাধ্যমে উত্তর দিতে হয়েছিল। জুলাই সনদের ৮৪টি ধারার মধ্যে ৫ থেকে ১০ ধারায় বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে, বাকি ৫ থেকে ১০ ধারায় জামায়াতের নোট অব ডিসেন্ট। একেক ধারায় বিভিন্ন দলের নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে।

রুমিন ফারহানা প্রশ্ন তুলেছেন, “সরকার কি ১১ কোটি ভোটারকে যথেষ্ট তথ্য দিয়েছে? ভোটারদের নোট অব ডিসেন্টসহ ৮৪টি ধারার বিষয় বুঝে-শুনে ভোট দেওয়ার ক্ষমতা আছে কি? প্রতিটি ধারায় হ্যাঁ বা না ভোট দিতে হবে, কিন্তু সেটার সুযোগ নেই। তবুও বিএনপি বলেছে, গণভোটে সেই ধারাগুলো যেখানে নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে, সেই ধারাসহ অংশ নেওয়া হবে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জামায়াত শুরু থেকেই জটিলতা সৃষ্টি করছে: রুমিন ফারহানা

সর্বশেষ আপডেট ১১:২৫:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, জামায়াত ইসলামী শুরু থেকেই দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় জটিলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় নিম্ন কক্ষে পিআর এজেন্ডা অন্তর্ভুক্ত ছিল না। কিন্তু ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঠেকানো সম্ভব নয় বুঝতে পেরে জামায়াত এই বিষয়টি আনল। তারা বলল, যদি নিম্ন কক্ষে পিআর না হয়, তাহলে ভোটেই যাব না।”

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টক শোতে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, জামায়াতের এই ব্ল্যাকমেইলিং—“যদি কিছু না হয়, আমরা ভোটে যাব না, নির্বাচন বর্জন করব”—এক ধরনের কৌশল, যার মাধ্যমে তারা অন্য রাজনৈতিক দল ও সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে। তিনি মন্তব্য করেন, “শুরু থেকেই জামায়াত জটিলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।”

তিনি বলেন, দেশে এর আগে তিনটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ভোটদাতাদের হ্যাঁ বা না মাধ্যমে উত্তর দিতে হয়েছিল। জুলাই সনদের ৮৪টি ধারার মধ্যে ৫ থেকে ১০ ধারায় বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে, বাকি ৫ থেকে ১০ ধারায় জামায়াতের নোট অব ডিসেন্ট। একেক ধারায় বিভিন্ন দলের নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে।

রুমিন ফারহানা প্রশ্ন তুলেছেন, “সরকার কি ১১ কোটি ভোটারকে যথেষ্ট তথ্য দিয়েছে? ভোটারদের নোট অব ডিসেন্টসহ ৮৪টি ধারার বিষয় বুঝে-শুনে ভোট দেওয়ার ক্ষমতা আছে কি? প্রতিটি ধারায় হ্যাঁ বা না ভোট দিতে হবে, কিন্তু সেটার সুযোগ নেই। তবুও বিএনপি বলেছে, গণভোটে সেই ধারাগুলো যেখানে নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে, সেই ধারাসহ অংশ নেওয়া হবে।”