ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাতীয় পার্টির রাঙ্গার মনোনয়ন পত্র ঘুষ-বাণিজ্যের প্রমান দুদকের হাতে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:০৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 22

জাতীয় পার্টি

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. মশিউর রহমান রাঙ্গার বিরুদ্ধে প্রমাণ পেয়েছে যে, তিনি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগের জন্য ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন জানিয়েছেন, কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাবেক এমপি পনির উদ্দিন আহমেদ কাছ থেকে এই ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে রাঙ্গা ও পনির উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

অনুসন্ধান প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রাঙ্গা ব্যবসায়িক সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও পনির উদ্দিন আহমেদকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করে দেন এবং ২০১৮ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে বিভিন্ন ব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে মোট ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা হস্তান্তর করা হয়। এই অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও লেনদেন আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এ ধরনের কার্যক্রম দণ্ডবিধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।

দুদক আরও জানিয়েছে, রাঙ্গার সন্দেহভাজন সম্পদের তথ্য যাচাই করার জন্য আইন, ২০০৪ এর ২৬(১) ধারায় তার নামে সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারি করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জাতীয় পার্টির রাঙ্গার মনোনয়ন পত্র ঘুষ-বাণিজ্যের প্রমান দুদকের হাতে

সর্বশেষ আপডেট ০৫:০৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. মশিউর রহমান রাঙ্গার বিরুদ্ধে প্রমাণ পেয়েছে যে, তিনি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগের জন্য ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন জানিয়েছেন, কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাবেক এমপি পনির উদ্দিন আহমেদ কাছ থেকে এই ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে রাঙ্গা ও পনির উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

অনুসন্ধান প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রাঙ্গা ব্যবসায়িক সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও পনির উদ্দিন আহমেদকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করে দেন এবং ২০১৮ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে বিভিন্ন ব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে মোট ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা হস্তান্তর করা হয়। এই অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও লেনদেন আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এ ধরনের কার্যক্রম দণ্ডবিধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।

দুদক আরও জানিয়েছে, রাঙ্গার সন্দেহভাজন সম্পদের তথ্য যাচাই করার জন্য আইন, ২০০৪ এর ২৬(১) ধারায় তার নামে সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারি করা হবে।