ঢাকা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘের সমকামী আবাসিক দূতকে নিয়ে প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • / 437

সমকামী আবাসিক সমন্বয়ক হাওয়ার্ডকে নিয়ে ইউনুছের প্রতিবাদ

জাতিসংঘের পরবর্তী আবাসিক সমন্বয়ক (দূত) হিসেবে নিয়োগ পাওয়া কূটনীতিক রিচার্ড এস হাওয়ার্ড একজন সমকামী। বাংলাদেশের মতো মুসলিম প্রধান দেশে এমন সিদ্ধান্তকে দুঃখজনক বলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ।

সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে প্রশ্ন ছুঁড়ে হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, দেশের সামাজিক ও ধর্মীয় প্রেক্ষাপট বিবেচনা না করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল না।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশে একজন সমকামীকে দূত হিসেবে পাঠানো জাতিসংঘের অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্ত। এর ফলে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করি। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বিষয়টি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত পুনঃমূল্যায়ন করবেন বলে আমরা আশা করছি।

অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ বলেন, ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যদি সংস্থা দেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধের বিরুদ্ধে কাজ করতে চায়, তাহলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের সচেতন মানুষকে নিয়ে সোচ্চার হবে ইনশাআল্লাহ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জাতিসংঘের সমকামী আবাসিক দূতকে নিয়ে প্রতিবাদ

সর্বশেষ আপডেট ১০:২২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

জাতিসংঘের পরবর্তী আবাসিক সমন্বয়ক (দূত) হিসেবে নিয়োগ পাওয়া কূটনীতিক রিচার্ড এস হাওয়ার্ড একজন সমকামী। বাংলাদেশের মতো মুসলিম প্রধান দেশে এমন সিদ্ধান্তকে দুঃখজনক বলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ।

সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে প্রশ্ন ছুঁড়ে হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, দেশের সামাজিক ও ধর্মীয় প্রেক্ষাপট বিবেচনা না করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল না।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশে একজন সমকামীকে দূত হিসেবে পাঠানো জাতিসংঘের অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্ত। এর ফলে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করি। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বিষয়টি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত পুনঃমূল্যায়ন করবেন বলে আমরা আশা করছি।

অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ বলেন, ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যদি সংস্থা দেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধের বিরুদ্ধে কাজ করতে চায়, তাহলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দেশের সচেতন মানুষকে নিয়ে সোচ্চার হবে ইনশাআল্লাহ।