ঢাকা ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জন্মদিনে ডা. জোবাইদা রহমান: এক আলোর নাম

আশানুর রহমান মিঠু
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:১৭:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 244

জোবাইদা রহমান (ফাইল ফটো)

আজ ১৮ জুন—বাংলার আকাশে একটি আলোকোজ্জ্বল তারার উদয়ের দিন। আজ জন্মগ্রহণ করেছিলেন সেই নারী, যিনি মেধা, স্থিরতা আর আত্মমর্যাদায় এক অনন্য প্রতীক—ডা. জোবাইদা রহমান। সিলেটের শান্ত ঘ্রাণমাখা প্রভাত তাঁকে এ ধরায় বরণ করেছিল ১৯৭২ সালে।

সময় ঘুরেছে, ইতিহাস পেরিয়েছে বহু বাঁক। ১৯৯৪ সালের বসন্তের ৩ ফেব্রুয়ারি, জীবনযাত্রার গহীনে জুটে যায় দুটি পথ—তারেক রহমান আর জোবাইদা রহমানের। এই দম্পতির ভালোবাসার পরশে জন্ম নেয় কন্যা জাইমা রহমান, যার নামের মধ্যেই উচ্চারিত হয় আশা ও উত্তরাধিকার।

২০০৮ সালে, রাজনীতির কঠিন বাতাসে তারেক রহমান কারামুক্ত হন। সহমর্মী সঙ্গী হয়ে জোবাইদা রহমান পাড়ি জমান লন্ডনের দূর প্রবাসে। কেটে যায় দীর্ঘ সতেরোটি বছর। অবশেষে ২০২৫ সালের ৬ মে, দেশের মাটি তাকে আবার আপন করে নেয়। কিন্তু কর্ম ও কর্তব্যের টানে ৫ জুন, তিনি আবার পাড়ি জমান লন্ডনের পথে

রক্তে তাঁর দেশপ্রেম—বাবা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী, যিনি ছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নৌবাহিনীর প্রধান। আর তাঁর রক্তের ভেতরেই বয়ে চলেছে মুক্তিযুদ্ধের ধ্বনি—চাচা স্বাধীনতার সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানী। তিনি সেই ঘরের মেয়ে, যার চাচাতো বোন আইরিন খান, বিশ্ব বিবেকের এক নাম; অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাবেক মহাসচিব।

ডা. জোবাইদা রহমান—তিনি শুধু একজন চিকিৎসক নন, নীরব শক্তি, সৌন্দর্যের ভারসাম্য, শিকড়ের সঙ্গে থাকা এক অহংকার। জন্মদিনে তাঁর জন্য শ্রদ্ধা আর ভবিষ্যতের পথচলার জন্য নিরন্তর শুভকামনা জানিয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। জন্মদিন উপলক্ষ্যে বৃক্ষরোপন অভিযানও পরিচালনা করছে দলটি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জন্মদিনে ডা. জোবাইদা রহমান: এক আলোর নাম

সর্বশেষ আপডেট ০৭:১৭:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

আজ ১৮ জুন—বাংলার আকাশে একটি আলোকোজ্জ্বল তারার উদয়ের দিন। আজ জন্মগ্রহণ করেছিলেন সেই নারী, যিনি মেধা, স্থিরতা আর আত্মমর্যাদায় এক অনন্য প্রতীক—ডা. জোবাইদা রহমান। সিলেটের শান্ত ঘ্রাণমাখা প্রভাত তাঁকে এ ধরায় বরণ করেছিল ১৯৭২ সালে।

সময় ঘুরেছে, ইতিহাস পেরিয়েছে বহু বাঁক। ১৯৯৪ সালের বসন্তের ৩ ফেব্রুয়ারি, জীবনযাত্রার গহীনে জুটে যায় দুটি পথ—তারেক রহমান আর জোবাইদা রহমানের। এই দম্পতির ভালোবাসার পরশে জন্ম নেয় কন্যা জাইমা রহমান, যার নামের মধ্যেই উচ্চারিত হয় আশা ও উত্তরাধিকার।

২০০৮ সালে, রাজনীতির কঠিন বাতাসে তারেক রহমান কারামুক্ত হন। সহমর্মী সঙ্গী হয়ে জোবাইদা রহমান পাড়ি জমান লন্ডনের দূর প্রবাসে। কেটে যায় দীর্ঘ সতেরোটি বছর। অবশেষে ২০২৫ সালের ৬ মে, দেশের মাটি তাকে আবার আপন করে নেয়। কিন্তু কর্ম ও কর্তব্যের টানে ৫ জুন, তিনি আবার পাড়ি জমান লন্ডনের পথে

রক্তে তাঁর দেশপ্রেম—বাবা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী, যিনি ছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নৌবাহিনীর প্রধান। আর তাঁর রক্তের ভেতরেই বয়ে চলেছে মুক্তিযুদ্ধের ধ্বনি—চাচা স্বাধীনতার সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানী। তিনি সেই ঘরের মেয়ে, যার চাচাতো বোন আইরিন খান, বিশ্ব বিবেকের এক নাম; অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাবেক মহাসচিব।

ডা. জোবাইদা রহমান—তিনি শুধু একজন চিকিৎসক নন, নীরব শক্তি, সৌন্দর্যের ভারসাম্য, শিকড়ের সঙ্গে থাকা এক অহংকার। জন্মদিনে তাঁর জন্য শ্রদ্ধা আর ভবিষ্যতের পথচলার জন্য নিরন্তর শুভকামনা জানিয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। জন্মদিন উপলক্ষ্যে বৃক্ষরোপন অভিযানও পরিচালনা করছে দলটি।