জনগণের ক্ষমতায়নের নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ : ড. ইউনূস
- সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৬:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
- / 120
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন হবে ন্যায়বিচার ও জনগণের ক্ষমতায়নের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ—এমন মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) ইতালির রোমে অনুষ্ঠিত বিশ্ব খাদ্য ফোরামের সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ড. ইউনূস বলেন, ২০২৪ সালের শান্তিপূর্ণ তরুণ নেতৃত্বাধীন আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার পুনরুদ্ধারের মোড় ঘোরানো মুহূর্ত। “তরুণরা সাহস ও আশায় ভরপুর হয়ে রাস্তায় নেমেছিল জনগণের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য। তারা চেয়েছিল একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আস্থাভিত্তিক সমাজ গঠন—যেখানে ক্ষমতা থাকবে জনগণের হাতে,” বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “আজ সেই তরুণরাই নতুন বাংলাদেশ গঠনে কাজ করছে, যেখানে জনগণ হবে রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু। আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সেই জনগণের ক্ষমতায়নের প্রতিশ্রুতির বাস্তব প্রতিফলন ঘটাবে।”
বক্তৃতায় ড. ইউনূস বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তায় অগ্রগতির কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ এখন ১৭ কোটি মানুষের খাদ্য নিশ্চিত করছে এবং মিয়ানমারের সহিংসতা থেকে পালিয়ে আসা প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকেও আশ্রয় ও খাদ্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।”
কৃষিক্ষেত্রে অর্জনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা এখন ধান, সবজি ও স্বাদুপানির মাছ উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। কৃষকদের নিবিড়তা ২১৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, আর উদ্ভাবিত হয়েছে জলবায়ু সহনশীল ১৩৩ প্রজাতির ধান।”
ড. ইউনূস আরও জানান, কৃষি এখন যান্ত্রিকীকরণের আওতায় এসেছে; সরকার কৃষকদের জন্য ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি দিচ্ছে। একই সঙ্গে শক্তিশালী খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থা, অপুষ্টি হ্রাস, খাদ্যাভ্যাসে বৈচিত্র্য, এবং মাটি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ চলছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
































