ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চার জেলায় একদিনে ৪৩ জনকে পুশইন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৮:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫
  • / 181

পুশইন

দেশের চার জেলায় সীমান্ত দিয়ে একদিনে বাংলাদেশিসহ ৪৩ জনকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গার ঠাকুরপুর সীমান্তে ৬ জন, লালমনিরহাট জেলায় ৯ জন, মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তে ১২ জন এবং পঞ্চগড়ের দুটি সীমান্ত দিয়ে ভারতীয়সহ ১৬ জনকে পুশইন করা হয়।

শনিবার (১৪ জুন) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এসব সীমান্তে এসব ঘটনা ঘটে।

দর্শনা থানার ঠাকুরপুর সীমান্ত দিয়ে নারীসহ একই পরিবারের ৬ বাংলাদেশিকে পুশইন করে বিএসএফ। তারা হলেন কুড়িগ্রাম জেলার মৃত কিতাব আলীর ছেলে শাহাজান (৪০), স্ত্রী কহিনুর (৩৫), কন্যা সাবিহা খাতুন (১৮), শারমিন (১৫), সাথী খাতুন (৮) ও ছেলে নাজমুল (১)। তারা হরিয়ানায় দীর্ঘ ১৯-২০ বছর ধরে বসবাস করছিলেন।

হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলার তিনটি সীমান্ত দিয়ে ৯ জনকে পুশইন করে বিএসএফ। পাটগ্রামের ডাঙ্গাপাড়া সীমান্ত দিয়ে ৬ জন এবং হাতীবান্ধার সিঙ্গিমারী সীমান্ত দিয়ে ৩ জন বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়। আরও তিনজনকে পুশইনের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা তা প্রতিহত করে।

বড়লেখার লাতু সীমান্ত দিয়ে শুক্রবার (১৩ জুন) রাত ৯টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ১২ রোহিঙ্গাকে পুশইন করে বিএসএফ। এদের মধ্যে ৭ শিশু, ১ পুরুষ ও ৪ নারী রয়েছেন। তারা সবাই কক্সবাজার জেলার উখিয়ার বালুখালী শরণার্থী ক্যাম্পের বাসিন্দা। বিজিবি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, তাদের শনাক্ত করে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

সদর উপজেলার মিস্ত্রিপাড়া ও তেতুঁলিয়ার পেদিয়াগছ সীমান্ত দিয়ে ১৬ জনকে পুশইন করে বিএসএফ। এদের মধ্যে ১২ জন বাংলাদেশি এবং ৪ জন ভারতীয় নাগরিক। ভারতীয়দের ফেরত পাঠাতে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে বিজিবি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চার জেলায় একদিনে ৪৩ জনকে পুশইন

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৮:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

দেশের চার জেলায় সীমান্ত দিয়ে একদিনে বাংলাদেশিসহ ৪৩ জনকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গার ঠাকুরপুর সীমান্তে ৬ জন, লালমনিরহাট জেলায় ৯ জন, মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তে ১২ জন এবং পঞ্চগড়ের দুটি সীমান্ত দিয়ে ভারতীয়সহ ১৬ জনকে পুশইন করা হয়।

শনিবার (১৪ জুন) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এসব সীমান্তে এসব ঘটনা ঘটে।

দর্শনা থানার ঠাকুরপুর সীমান্ত দিয়ে নারীসহ একই পরিবারের ৬ বাংলাদেশিকে পুশইন করে বিএসএফ। তারা হলেন কুড়িগ্রাম জেলার মৃত কিতাব আলীর ছেলে শাহাজান (৪০), স্ত্রী কহিনুর (৩৫), কন্যা সাবিহা খাতুন (১৮), শারমিন (১৫), সাথী খাতুন (৮) ও ছেলে নাজমুল (১)। তারা হরিয়ানায় দীর্ঘ ১৯-২০ বছর ধরে বসবাস করছিলেন।

হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলার তিনটি সীমান্ত দিয়ে ৯ জনকে পুশইন করে বিএসএফ। পাটগ্রামের ডাঙ্গাপাড়া সীমান্ত দিয়ে ৬ জন এবং হাতীবান্ধার সিঙ্গিমারী সীমান্ত দিয়ে ৩ জন বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়। আরও তিনজনকে পুশইনের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা তা প্রতিহত করে।

বড়লেখার লাতু সীমান্ত দিয়ে শুক্রবার (১৩ জুন) রাত ৯টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ১২ রোহিঙ্গাকে পুশইন করে বিএসএফ। এদের মধ্যে ৭ শিশু, ১ পুরুষ ও ৪ নারী রয়েছেন। তারা সবাই কক্সবাজার জেলার উখিয়ার বালুখালী শরণার্থী ক্যাম্পের বাসিন্দা। বিজিবি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, তাদের শনাক্ত করে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

সদর উপজেলার মিস্ত্রিপাড়া ও তেতুঁলিয়ার পেদিয়াগছ সীমান্ত দিয়ে ১৬ জনকে পুশইন করে বিএসএফ। এদের মধ্যে ১২ জন বাংলাদেশি এবং ৪ জন ভারতীয় নাগরিক। ভারতীয়দের ফেরত পাঠাতে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে বিজিবি।