ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাকসুতে ভিপি-জিএস শিবিরের, এজিএস ছাত্রদলের

নিজস্ব প্রতিবেদক, চবি (চট্টগ্রাম)
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২২:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / 101

চাকসুতে ভিপি-জিএস শিবিরের, এজিএস ছাত্রদলের

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়েছে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’। তারা ভিপি (সহ-সভাপতি), জিএস (সাধারণ সম্পাদক)সহ মোট ২২টি পদে জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে এজিএস (সহ-সাধারণ সম্পাদক) পদে জয় পেয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে চাকসু নির্বাচন কমিশন ফলাফল ঘোষণা করে। এতে ভিপি পদে ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’-এর ইব্রাহিম হোসেন রনি এবং জিএস পদে একই প্যানেলের সাঈদ বিন হাবিব নির্বাচিত হন। এজিএস পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী আইয়ুবুর রহমান তৌফিক।

চাকসুর ১৪টি হলের ফলাফল অনুযায়ী, ভিপি পদে ইব্রাহিম হোসেন রনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৯৮৩ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের সাজ্জাদ হোসেন পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৭৪ ভোট।
জিএস পদে সাঈদ বিন হাবিব পেয়েছেন ৮ হাজার ৩১ ভোট, যেখানে ছাত্রদলের মো. শাফায়াত হোসেন পেয়েছেন ২ হাজার ৭৩৪ ভোট।
অন্যদিকে, এজিএস পদে আইয়ুবুর রহমান তৌফিক পেয়েছেন ৭ হাজার ১৪ ভোট, তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাজ্জাদ হোসেন মুন্না পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৫ ভোট।

বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। চাকসুর ২৬টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪১৫ জন প্রার্থী, আর হল ও হোস্টেল সংসদের ২৪টি পদের জন্য লড়েন ৪৯৩ জন।

ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলেও ফলাফল ঘোষণার আগে কিছু স্থানে উত্তেজনা দেখা দেয়। বুধবার রাত একটার পর ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থীরা ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিনকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। রাত ৩টা ১৫ মিনিটে তিনি মুক্ত হন।

এর আগে সারাদিন ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু পরিবেশে সম্পন্ন হলেও রাতে উত্তেজনা বাড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেটের বাইরে ছাত্রদল সমর্থনে বিএনপি এবং ছাত্রশিবির সমর্থনে জামায়াতের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। যদিও উভয়পক্ষ শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করলেও কোনো সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাতেই ক্যাম্পাসে বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চাকসুতে ভিপি-জিএস শিবিরের, এজিএস ছাত্রদলের

সর্বশেষ আপডেট ১০:২২:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়েছে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’। তারা ভিপি (সহ-সভাপতি), জিএস (সাধারণ সম্পাদক)সহ মোট ২২টি পদে জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে এজিএস (সহ-সাধারণ সম্পাদক) পদে জয় পেয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে চাকসু নির্বাচন কমিশন ফলাফল ঘোষণা করে। এতে ভিপি পদে ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’-এর ইব্রাহিম হোসেন রনি এবং জিএস পদে একই প্যানেলের সাঈদ বিন হাবিব নির্বাচিত হন। এজিএস পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী আইয়ুবুর রহমান তৌফিক।

চাকসুর ১৪টি হলের ফলাফল অনুযায়ী, ভিপি পদে ইব্রাহিম হোসেন রনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৯৮৩ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের সাজ্জাদ হোসেন পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৭৪ ভোট।
জিএস পদে সাঈদ বিন হাবিব পেয়েছেন ৮ হাজার ৩১ ভোট, যেখানে ছাত্রদলের মো. শাফায়াত হোসেন পেয়েছেন ২ হাজার ৭৩৪ ভোট।
অন্যদিকে, এজিএস পদে আইয়ুবুর রহমান তৌফিক পেয়েছেন ৭ হাজার ১৪ ভোট, তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাজ্জাদ হোসেন মুন্না পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৫ ভোট।

বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। চাকসুর ২৬টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪১৫ জন প্রার্থী, আর হল ও হোস্টেল সংসদের ২৪টি পদের জন্য লড়েন ৪৯৩ জন।

ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলেও ফলাফল ঘোষণার আগে কিছু স্থানে উত্তেজনা দেখা দেয়। বুধবার রাত একটার পর ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থীরা ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিনকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। রাত ৩টা ১৫ মিনিটে তিনি মুক্ত হন।

এর আগে সারাদিন ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু পরিবেশে সম্পন্ন হলেও রাতে উত্তেজনা বাড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেটের বাইরে ছাত্রদল সমর্থনে বিএনপি এবং ছাত্রশিবির সমর্থনে জামায়াতের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। যদিও উভয়পক্ষ শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করলেও কোনো সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাতেই ক্যাম্পাসে বিজিবি মোতায়েন করা হয়।