ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাঁদাবাজি বন্ধ করতে চান মির্জা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 7

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর হটলাইন চালু করে প্রায় দুই মাস চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তবে পরে নজরদারি শিথিল হওয়ায় রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরাও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘ফ্রিল্যান্সিং- এ ফিউচার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মির্জা আব্বাস।

 

তিনি বলেন, চাঁদাবাজি কোনো একজনের পক্ষে একা বন্ধ করা সম্ভব নয়। চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে হলে সামাজিক আন্দোলনের পাশাপাশি কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করতে হবে।

 

মির্জা আব্বাস আরও বলেন, মাদক বর্তমানে সারাদেশের জন্য একটি বড় ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। যারা মাদক ব্যবসা ও সংশ্লিষ্ট অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে নির্দিষ্ট কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরিবর্তে তিনি বলেন, সময় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী যে সমস্যাটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে, সেটির সমাধানে তিনি কাজ করবেন।

 

৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকে একসঙ্গে মিলিয়ে দেখার বিষয়ে সতর্ক করে মির্জা আব্বাস বলেন, দুটি ঘটনাই আলাদা প্রেক্ষাপটে সংঘটিত এবং দুটিই গৌরবের অর্জন।

 

অনুষ্ঠানের শেষে ঢাকা-৮ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের এই প্রার্থী জীবনের শেষ প্রান্তে এসে মানুষের সেবায় নিজেকে সম্পূর্ণভাবে উৎসর্গ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চাঁদাবাজি বন্ধ করতে চান মির্জা আব্বাস

সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর হটলাইন চালু করে প্রায় দুই মাস চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তবে পরে নজরদারি শিথিল হওয়ায় রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরাও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘ফ্রিল্যান্সিং- এ ফিউচার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মির্জা আব্বাস।

 

তিনি বলেন, চাঁদাবাজি কোনো একজনের পক্ষে একা বন্ধ করা সম্ভব নয়। চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে হলে সামাজিক আন্দোলনের পাশাপাশি কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করতে হবে।

 

মির্জা আব্বাস আরও বলেন, মাদক বর্তমানে সারাদেশের জন্য একটি বড় ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। যারা মাদক ব্যবসা ও সংশ্লিষ্ট অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে নির্দিষ্ট কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরিবর্তে তিনি বলেন, সময় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী যে সমস্যাটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে, সেটির সমাধানে তিনি কাজ করবেন।

 

৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকে একসঙ্গে মিলিয়ে দেখার বিষয়ে সতর্ক করে মির্জা আব্বাস বলেন, দুটি ঘটনাই আলাদা প্রেক্ষাপটে সংঘটিত এবং দুটিই গৌরবের অর্জন।

 

অনুষ্ঠানের শেষে ঢাকা-৮ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের এই প্রার্থী জীবনের শেষ প্রান্তে এসে মানুষের সেবায় নিজেকে সম্পূর্ণভাবে উৎসর্গ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।