ঢাকা ০৪:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরে ২ লঞ্চের সংঘর্ষে নিহত ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁদপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৫৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 54

ঘন কুয়াশায় চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে দুটি যাত্রীবাহী লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাত ২টার পর ঢাকাগামী জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চের সঙ্গে ঝালকাঠিগামী অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের এ দুর্ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে চারজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন।

দুর্ঘটনার পর ঘন কুয়াশার মধ্যে লঞ্চ না চালানোর নির্দেশনা দিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। দুর্ঘটনা তদন্তে মন্ত্রণালয় থেকে আট সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নিহতরা হলেন– ভোলার লালমোহন উপজেলার কাজিরাবাদ এলাকার সিরাজুল ব্যাপারীর ছেলে আবদুল গনি (৩৮), একই এলাকার কালু খাঁর ছেলে মো. সাজু ( ৪৫), কচুয়াখালী গজারিয়া এলাকার মো. মিলনের স্ত্রী রিনা বেগম (৩৫) এবং চরফ্যাসন উপজেলার আহমদপুর এলাকার মো. হানিফ (৬০)। আহতদের মধ্যে রয়েছেন– নিহত হানিফের স্ত্রী মোসা. রহিমা (৪৫), লালমোহনের মতলব বেপারীর ছেলে মো. শাহাদাত ও আবদুল আজিজের ছেলে মো. মিনা (৪৫)।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কাজী আরিফ বিল্লাহ জানান, দুর্ঘটনাস্থল থেকে অন্য একটি লঞ্চ চারজনের মরদেহ এবং আহত যাত্রীদের সদরঘাটে নিয়ে এসেছে।

জানা যায়, ভোলার ঘোষেরহাট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা অভিমুখী এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটি বৃহস্পতিবার রাত ২টার পর হাইমচর এলাকা অতিক্রম করছিল। এ সময় ঢাকা থেকে বরিশাল অভিমুখী এমভি অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। পরে দুর্ঘটনাকবলিত অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চটি ঝালকাঠি টার্মিনাল থেকে জব্দ করে নৌ পুলিশ।

চাঁদপুর নৌবন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আব্দুল মান্নান বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে গভীর রাতে মেঘনা নদীতে লঞ্চ দুটির সংঘর্ষ হয়।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চাঁদপুরে ২ লঞ্চের সংঘর্ষে নিহত ৪

সর্বশেষ আপডেট ১২:৫৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ঘন কুয়াশায় চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে দুটি যাত্রীবাহী লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাত ২টার পর ঢাকাগামী জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চের সঙ্গে ঝালকাঠিগামী অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের এ দুর্ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে চারজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন।

দুর্ঘটনার পর ঘন কুয়াশার মধ্যে লঞ্চ না চালানোর নির্দেশনা দিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। দুর্ঘটনা তদন্তে মন্ত্রণালয় থেকে আট সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নিহতরা হলেন– ভোলার লালমোহন উপজেলার কাজিরাবাদ এলাকার সিরাজুল ব্যাপারীর ছেলে আবদুল গনি (৩৮), একই এলাকার কালু খাঁর ছেলে মো. সাজু ( ৪৫), কচুয়াখালী গজারিয়া এলাকার মো. মিলনের স্ত্রী রিনা বেগম (৩৫) এবং চরফ্যাসন উপজেলার আহমদপুর এলাকার মো. হানিফ (৬০)। আহতদের মধ্যে রয়েছেন– নিহত হানিফের স্ত্রী মোসা. রহিমা (৪৫), লালমোহনের মতলব বেপারীর ছেলে মো. শাহাদাত ও আবদুল আজিজের ছেলে মো. মিনা (৪৫)।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কাজী আরিফ বিল্লাহ জানান, দুর্ঘটনাস্থল থেকে অন্য একটি লঞ্চ চারজনের মরদেহ এবং আহত যাত্রীদের সদরঘাটে নিয়ে এসেছে।

জানা যায়, ভোলার ঘোষেরহাট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা অভিমুখী এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটি বৃহস্পতিবার রাত ২টার পর হাইমচর এলাকা অতিক্রম করছিল। এ সময় ঢাকা থেকে বরিশাল অভিমুখী এমভি অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। পরে দুর্ঘটনাকবলিত অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চটি ঝালকাঠি টার্মিনাল থেকে জব্দ করে নৌ পুলিশ।

চাঁদপুর নৌবন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আব্দুল মান্নান বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে গভীর রাতে মেঘনা নদীতে লঞ্চ দুটির সংঘর্ষ হয়।