ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চলন্ত ট্রেনে সন্তানের জন্ম, প্রাণে বাঁচলেন মা ও নবজাতক

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৪৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 123

চলন্ত ট্রেনে সন্তানের জন্ম, প্রাণে বাঁচলেন মা ও নবজাতক

রাজশাহীর থেকে খুলনায় যাওয়ার পথে সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনে সন্তান প্রসব করেন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার উপজেলার রেশমা খাতুন (২৭)। ট্রেনে সন্তান জন্ম দেওয়া এবং প্রচণ্ড রক্তক্ষরণের কারণে মা ও শিশুপুত্র দুই ঘণ্টা জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কাটান। তবে রেলওয়ে স্টাফ, ফায়ার সার্ভিস ও যাত্রীদের সহযোগিতায় তাদের জীবন রক্ষা হয়।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল রেশমা খাতুন যশোর শংকরপুরের বাবা-মায়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। ট্রেনে চড়ে দর্শনা স্টেশন পার হওয়ার পরই প্রসববেদনা শুরু হয়। স্থলভিত্তিক সাহায্য না পেয়ে ট্রেনে সন্তান জন্ম দেন তিনি।

যশোর স্টেশনে পৌঁছালে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অ্যাম্বুলেন্সে তাকে এবং নবজাতককে হাসপাতালে নিয়ে যান। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে দ্রুত চিকিৎসা প্রদানের ফলে মা ও শিশুর জীবন ঝুঁকি কাটে।

হাসপাতালের ডাক্তাররা জানান, নবজাতকের নাড়ি কেটে দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জন্য দুই ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মা ও সন্তান উভয়েই সুস্থ আছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চলন্ত ট্রেনে সন্তানের জন্ম, প্রাণে বাঁচলেন মা ও নবজাতক

সর্বশেষ আপডেট ০২:৪৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজশাহীর থেকে খুলনায় যাওয়ার পথে সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনে সন্তান প্রসব করেন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার উপজেলার রেশমা খাতুন (২৭)। ট্রেনে সন্তান জন্ম দেওয়া এবং প্রচণ্ড রক্তক্ষরণের কারণে মা ও শিশুপুত্র দুই ঘণ্টা জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কাটান। তবে রেলওয়ে স্টাফ, ফায়ার সার্ভিস ও যাত্রীদের সহযোগিতায় তাদের জীবন রক্ষা হয়।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল রেশমা খাতুন যশোর শংকরপুরের বাবা-মায়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। ট্রেনে চড়ে দর্শনা স্টেশন পার হওয়ার পরই প্রসববেদনা শুরু হয়। স্থলভিত্তিক সাহায্য না পেয়ে ট্রেনে সন্তান জন্ম দেন তিনি।

যশোর স্টেশনে পৌঁছালে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অ্যাম্বুলেন্সে তাকে এবং নবজাতককে হাসপাতালে নিয়ে যান। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে দ্রুত চিকিৎসা প্রদানের ফলে মা ও শিশুর জীবন ঝুঁকি কাটে।

হাসপাতালের ডাক্তাররা জানান, নবজাতকের নাড়ি কেটে দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জন্য দুই ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মা ও সন্তান উভয়েই সুস্থ আছেন।