ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবিতে সংঘর্ষ: গ্রেপ্তার ৮ গ্রামবাসী কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৪:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 69

চবিতে সংঘর্ষ: গ্রেপ্তার ৮ গ্রামবাসী কারাগারে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গ্রামের বাসিন্দাদের সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আট গ্রামবাসীর জামিন নামঞ্জুর করে আদালত। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহারের আদালত শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন; ইমরান হোসেন এমরান, মো. হাসান, মো. রাসেল কালা রাসেল, মো. আলমগীর, নজরুল ইসলাম, মো. জাহেদ, মো. আরমান ও দিদারুল আলম। সবাই হাটহাজারীর ফতেহপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

চট্টগ্রাম জেলা কোর্ট পরিদর্শক হাবিবুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার আট আসামিকে থানা থেকে আদালতে পাঠানো হয়। তাদের জামিন আবেদন করা হলে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আবেদন নামঞ্জুর করে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ঘটনা ঘটে ৩০ আগস্ট। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন একটি ভবনের ভাড়াটিয়া এক ছাত্রীর সঙ্গে ভবনের নিরাপত্তারক্ষীর বাকবিতণ্ডার জেরে গ্রামবাসীর সঙ্গে ছাত্ররা সংঘর্ষে জড়ায়। রাতভর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর সংঘর্ষ ৩১ আগস্টও থেমে থেমে চলতে থাকে। এসময় শিক্ষার্থী, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য, উপ-উপাচার্যসহ কয়েকশ আহত হন।

সংঘর্ষের পর ১ সেপ্টেম্বর ক্যাম্পাস ও আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করে হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন। ঘটনার দুদিন পর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার আবদুর রহিম বাদী হয়ে স্থানীয় যুবলীগ কর্মী মো. হানিফকে প্রধান আসামি করে ৯৫ জনের নামে মামলা করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চবিতে সংঘর্ষ: গ্রেপ্তার ৮ গ্রামবাসী কারাগারে

সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৪:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গ্রামের বাসিন্দাদের সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আট গ্রামবাসীর জামিন নামঞ্জুর করে আদালত। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহারের আদালত শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন; ইমরান হোসেন এমরান, মো. হাসান, মো. রাসেল কালা রাসেল, মো. আলমগীর, নজরুল ইসলাম, মো. জাহেদ, মো. আরমান ও দিদারুল আলম। সবাই হাটহাজারীর ফতেহপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

চট্টগ্রাম জেলা কোর্ট পরিদর্শক হাবিবুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার আট আসামিকে থানা থেকে আদালতে পাঠানো হয়। তাদের জামিন আবেদন করা হলে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আবেদন নামঞ্জুর করে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ঘটনা ঘটে ৩০ আগস্ট। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন একটি ভবনের ভাড়াটিয়া এক ছাত্রীর সঙ্গে ভবনের নিরাপত্তারক্ষীর বাকবিতণ্ডার জেরে গ্রামবাসীর সঙ্গে ছাত্ররা সংঘর্ষে জড়ায়। রাতভর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর সংঘর্ষ ৩১ আগস্টও থেমে থেমে চলতে থাকে। এসময় শিক্ষার্থী, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য, উপ-উপাচার্যসহ কয়েকশ আহত হন।

সংঘর্ষের পর ১ সেপ্টেম্বর ক্যাম্পাস ও আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি করে হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন। ঘটনার দুদিন পর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার আবদুর রহিম বাদী হয়ে স্থানীয় যুবলীগ কর্মী মো. হানিফকে প্রধান আসামি করে ৯৫ জনের নামে মামলা করেন।