ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বন্দরে রপ্তানি জট: অপেক্ষায় ১৪ হাজার কনটেইনার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • / 143

চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার জট

চট্টগ্রাম বন্দরে রপ্তানিযোগ্য পণ্যে ভরা ১৪ হাজার ৩৭১টি কনটেইনার জাহাজে তুলার অপেক্ষায় রয়েছে। শুল্ক কর্মকর্তাদের কর্মবিরতির কারণে মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে এ বিপুল জট সৃষ্টি হয়েছে বন্দর ও আশপাশের ডিপোগুলোতে। পাশাপাশি অপেক্ষমাণ রয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ ট্রাক ও কার্ভাডভ্যান, যেগুলোতে রয়েছে রপ্তানি পণ্য।

শনিবার ও রোববার কাস্টমস কর্মকর্তাদের ‘শাটডাউন’ কর্মসূচির ফলে শুল্কায়ন কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। এ কারণে রোববার চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৩ হাজার ৬৮০ একক কনটেইনার নিয়ে যাত্রা করার কথা থাকলেও কোনো জাহাজেই পণ্য উঠানো সম্ভব হয়নি। ওই কনটেইনারগুলো এখন সোমবার দুপুরে পাঁচটি জাহাজে তোলা হচ্ছে।

রপ্তানিকারকরা বলছেন, সরকার কঠোর অবস্থান নেওয়ার পর রোববার রাত থেকে কাস্টম কর্মকর্তারা আবার শুল্কায়নের কাজ শুরু করেছেন। তবে জট স্বাভাবিক হতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগতে পারে। শিপিং কোম্পানিগুলো অপেক্ষা না করলে বিপুল অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখোমুখি হবেন তারা।

বেসরকারি কনটেইনার ডিপো সমিতির মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার জানান, টানা দুইদিন শুল্কায়ন বন্ধ থাকায় চট্টগ্রামের ১৯টি ডিপোতে জমে গেছে হাজার হাজার রপ্তানি কনটেইনার। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন পণ্যের ট্রাক, যার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার নিয়েছে।

শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল আলম জুয়েল জানান, দৈনিক গড়ে ২,২০০ থেকে ২,৫০০ কনটেইনার বন্দরে পাঠানো সম্ভব। এই হারে চলতে থাকলে জমে থাকা কনটেইনার সরাতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লেগে যাবে।

এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাঠামোগত সংস্কার দাবিতে গত ১২ মে থেকে কাস্টমস কর্মকর্তাদের কর্মসূচি শুরু হয়, যা রাজস্ব আদায় কার্যক্রমে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটায়। বিষয়টি নিরসনে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপে আন্দোলন স্থগিত হলেও তৈরি হওয়া জট স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চট্টগ্রাম বন্দরে রপ্তানি জট: অপেক্ষায় ১৪ হাজার কনটেইনার

সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

চট্টগ্রাম বন্দরে রপ্তানিযোগ্য পণ্যে ভরা ১৪ হাজার ৩৭১টি কনটেইনার জাহাজে তুলার অপেক্ষায় রয়েছে। শুল্ক কর্মকর্তাদের কর্মবিরতির কারণে মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে এ বিপুল জট সৃষ্টি হয়েছে বন্দর ও আশপাশের ডিপোগুলোতে। পাশাপাশি অপেক্ষমাণ রয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ ট্রাক ও কার্ভাডভ্যান, যেগুলোতে রয়েছে রপ্তানি পণ্য।

শনিবার ও রোববার কাস্টমস কর্মকর্তাদের ‘শাটডাউন’ কর্মসূচির ফলে শুল্কায়ন কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। এ কারণে রোববার চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৩ হাজার ৬৮০ একক কনটেইনার নিয়ে যাত্রা করার কথা থাকলেও কোনো জাহাজেই পণ্য উঠানো সম্ভব হয়নি। ওই কনটেইনারগুলো এখন সোমবার দুপুরে পাঁচটি জাহাজে তোলা হচ্ছে।

রপ্তানিকারকরা বলছেন, সরকার কঠোর অবস্থান নেওয়ার পর রোববার রাত থেকে কাস্টম কর্মকর্তারা আবার শুল্কায়নের কাজ শুরু করেছেন। তবে জট স্বাভাবিক হতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগতে পারে। শিপিং কোম্পানিগুলো অপেক্ষা না করলে বিপুল অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখোমুখি হবেন তারা।

বেসরকারি কনটেইনার ডিপো সমিতির মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার জানান, টানা দুইদিন শুল্কায়ন বন্ধ থাকায় চট্টগ্রামের ১৯টি ডিপোতে জমে গেছে হাজার হাজার রপ্তানি কনটেইনার। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন পণ্যের ট্রাক, যার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার নিয়েছে।

শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল আলম জুয়েল জানান, দৈনিক গড়ে ২,২০০ থেকে ২,৫০০ কনটেইনার বন্দরে পাঠানো সম্ভব। এই হারে চলতে থাকলে জমে থাকা কনটেইনার সরাতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লেগে যাবে।

এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাঠামোগত সংস্কার দাবিতে গত ১২ মে থেকে কাস্টমস কর্মকর্তাদের কর্মসূচি শুরু হয়, যা রাজস্ব আদায় কার্যক্রমে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটায়। বিষয়টি নিরসনে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপে আন্দোলন স্থগিত হলেও তৈরি হওয়া জট স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।