ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বন্দরে বাড়তি মাশুলে বন্ধ ট্রেইলার চলাচল

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • / 99

চট্টগ্রাম বন্দর

চট্টগ্রাম বন্দরে ভারী যানবাহনের প্রবেশ ফি ৫৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৩০ টাকা করায় ট্রেইলার মালিকেরা গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে কনটেইনার পরিবহন কার্যক্রমে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। ব্যক্তিমালিকানার এসব ট্রেইলার সাধারণত আন্তজেলা রুটে পণ্য ও কনটেইনার পরিবহন করে।

১৫ অক্টোবর থেকে নতুন মাশুল কার্যকর হওয়ার পর থেকেই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। কিছু প্রাইম মুভার ও ট্রাকও বন্দর থেকে পণ্য তোলা বন্ধ করেছে। তবে বেসরকারি ডিপো বা অফডকের ট্রেইলারগুলো এখনো চলাচল করছে।

চট্টগ্রাম প্রাইম মুভার ও ফ্লাটবেড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন জানান, এটি কোনো ধর্মঘট নয়; বরং বাড়তি ফি প্রদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত না হওয়ায় মালিকেরা গাড়ি চালাচ্ছেন না। তিনি বলেন, “৫৭ টাকার জায়গায় এখন ২৩০ টাকা দিতে হচ্ছে। শ্রমিক নাকি মালিক, কে এই টাকা দেবে— এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা গাড়ি বন্ধ রাখব।”

তিনি আরও বলেন, “চট্টগ্রাম থেকে ভারী গাড়ি ঢাকাসহ অন্যান্য এলাকায় যায় নির্দিষ্ট খরচে। তেলের দাম বাড়লে তা সমন্বয় করা হয়, কিন্তু হঠাৎ ফি বাড়ানো অযৌক্তিক। আমরা বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, চেয়ারম্যান ঢাকায় আছেন। তিনি ফিরে এলে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হবে।”

মোহাম্মদ হোসেনের দাবি, ১৪ অক্টোবর রাত থেকেই তাদের ট্রেইলার চলাচল বন্ধ রয়েছে।

বিকডার (বেসরকারি ডিপো মালিক সমিতি)-এর মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার বলেন, “প্রাইম মুভার মালিকদের ট্রেইলার আন্তজেলা রুটে চলে, আর ডিপোর ট্রেইলার বন্দর থেকে ডিপো পর্যন্ত কনটেইনার আনে-নেয়। তবে প্রাইম মুভার বন্ধ থাকায় কিছু ডিপো রুটেও পরিবহন বিঘ্ন ঘটছে।”

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তা ও অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের জন্য এই নতুন ফি কার্যকর করা হয়েছে। তবে ট্রেইলার মালিকরা বলছেন, বাড়তি মাশুল না কমালে বা যৌক্তিক সমাধান না এলে তারা গাড়ি চালু করবেন না।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চট্টগ্রাম বন্দরে বাড়তি মাশুলে বন্ধ ট্রেইলার চলাচল

সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

চট্টগ্রাম বন্দরে ভারী যানবাহনের প্রবেশ ফি ৫৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৩০ টাকা করায় ট্রেইলার মালিকেরা গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে কনটেইনার পরিবহন কার্যক্রমে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। ব্যক্তিমালিকানার এসব ট্রেইলার সাধারণত আন্তজেলা রুটে পণ্য ও কনটেইনার পরিবহন করে।

১৫ অক্টোবর থেকে নতুন মাশুল কার্যকর হওয়ার পর থেকেই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। কিছু প্রাইম মুভার ও ট্রাকও বন্দর থেকে পণ্য তোলা বন্ধ করেছে। তবে বেসরকারি ডিপো বা অফডকের ট্রেইলারগুলো এখনো চলাচল করছে।

চট্টগ্রাম প্রাইম মুভার ও ফ্লাটবেড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন জানান, এটি কোনো ধর্মঘট নয়; বরং বাড়তি ফি প্রদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত না হওয়ায় মালিকেরা গাড়ি চালাচ্ছেন না। তিনি বলেন, “৫৭ টাকার জায়গায় এখন ২৩০ টাকা দিতে হচ্ছে। শ্রমিক নাকি মালিক, কে এই টাকা দেবে— এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা গাড়ি বন্ধ রাখব।”

তিনি আরও বলেন, “চট্টগ্রাম থেকে ভারী গাড়ি ঢাকাসহ অন্যান্য এলাকায় যায় নির্দিষ্ট খরচে। তেলের দাম বাড়লে তা সমন্বয় করা হয়, কিন্তু হঠাৎ ফি বাড়ানো অযৌক্তিক। আমরা বিষয়টি বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, চেয়ারম্যান ঢাকায় আছেন। তিনি ফিরে এলে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হবে।”

মোহাম্মদ হোসেনের দাবি, ১৪ অক্টোবর রাত থেকেই তাদের ট্রেইলার চলাচল বন্ধ রয়েছে।

বিকডার (বেসরকারি ডিপো মালিক সমিতি)-এর মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার বলেন, “প্রাইম মুভার মালিকদের ট্রেইলার আন্তজেলা রুটে চলে, আর ডিপোর ট্রেইলার বন্দর থেকে ডিপো পর্যন্ত কনটেইনার আনে-নেয়। তবে প্রাইম মুভার বন্ধ থাকায় কিছু ডিপো রুটেও পরিবহন বিঘ্ন ঘটছে।”

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তা ও অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের জন্য এই নতুন ফি কার্যকর করা হয়েছে। তবে ট্রেইলার মালিকরা বলছেন, বাড়তি মাশুল না কমালে বা যৌক্তিক সমাধান না এলে তারা গাড়ি চালু করবেন না।