ঢাকা ০২:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঘূর্ণিঝড় মেলিসার তাণ্ডবে ক্যারিবীয় অঞ্চলে নিহত ৭

অন্তার্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 82

ঘূর্ণিঝড় মেলিসার তাণ্ডবে ক্যারিবীয় অঞ্চলে নিহত ৭

ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হেনেছে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ‘মেলিসা’। ঘণ্টায় ২৫০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাওয়া এই সুপার সাইক্লোনে অন্তত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে তিনজন জ্যামাইকা, তিনজন হাইতি ও একজন ডোমিনিকান রিপাবলিকের বাসিন্দা। এছাড়া আরও একজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

মার্কিন ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার (এনএইচসি) জানিয়েছে, মেলিসা বর্তমানে ক্যাটাগরি-৫ মাত্রার ঘূর্ণিঝড়, যা প্রবল জলোচ্ছ্বাস ও ভারী বৃষ্টিপাতের সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটাচ্ছে। উপকূলের বহু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে এবং অনেক স্থানে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

জ্যামাইকার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, রাজধানী কিংস্টনসহ বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে গেছে। জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম চলছে, এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অনলাইনে বিশেষ সহায়তা পোর্টাল চালু করা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, এই ঝড় জ্যামাইকায় বিপর্যয়কর বন্যা, ভূমিধস ও অবকাঠামোগত ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করেছে। ইতোমধ্যেই ১৫ লাখেরও বেশি মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা রেড ক্রস।

অন্যদিকে প্রতিবেশী কিউবাতেও মেলিসার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। দেশটিতে জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং উপকূলীয় এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার ভোরের দিকে ঝড়টি কিউবার ভূমি স্পর্শ করতে পারে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সাগরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে এই ঘূর্ণিঝড় অতিরিক্ত শক্তি সঞ্চয় করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেই ‘মেলিসা’র মতো বিধ্বংসী ঝড়ের সংখ্যা ও তীব্রতা উভয়ই বেড়ে চলেছে— যা পুরো ক্যারিবীয় অঞ্চলকে এক ভয়াবহ মানবিক সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ঘূর্ণিঝড় মেলিসার তাণ্ডবে ক্যারিবীয় অঞ্চলে নিহত ৭

সর্বশেষ আপডেট ১০:২৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হেনেছে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ‘মেলিসা’। ঘণ্টায় ২৫০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাওয়া এই সুপার সাইক্লোনে অন্তত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে তিনজন জ্যামাইকা, তিনজন হাইতি ও একজন ডোমিনিকান রিপাবলিকের বাসিন্দা। এছাড়া আরও একজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

মার্কিন ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার (এনএইচসি) জানিয়েছে, মেলিসা বর্তমানে ক্যাটাগরি-৫ মাত্রার ঘূর্ণিঝড়, যা প্রবল জলোচ্ছ্বাস ও ভারী বৃষ্টিপাতের সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটাচ্ছে। উপকূলের বহু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে এবং অনেক স্থানে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

জ্যামাইকার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, রাজধানী কিংস্টনসহ বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে গেছে। জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম চলছে, এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অনলাইনে বিশেষ সহায়তা পোর্টাল চালু করা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, এই ঝড় জ্যামাইকায় বিপর্যয়কর বন্যা, ভূমিধস ও অবকাঠামোগত ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করেছে। ইতোমধ্যেই ১৫ লাখেরও বেশি মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা রেড ক্রস।

অন্যদিকে প্রতিবেশী কিউবাতেও মেলিসার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। দেশটিতে জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং উপকূলীয় এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার ভোরের দিকে ঝড়টি কিউবার ভূমি স্পর্শ করতে পারে।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সাগরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে এই ঘূর্ণিঝড় অতিরিক্ত শক্তি সঞ্চয় করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেই ‘মেলিসা’র মতো বিধ্বংসী ঝড়ের সংখ্যা ও তীব্রতা উভয়ই বেড়ে চলেছে— যা পুরো ক্যারিবীয় অঞ্চলকে এক ভয়াবহ মানবিক সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।