ঢাকা ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
মেঘনা আলমের দাবি

“গ্রেপ্তার নয়, আমাকে অপহরণ করা হয়েছিল”

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:২৯:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫
  • / 140

মেঘনা আলম

রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় জব্দ হওয়া মোবাইল ফোন, আইপ্যাড ও পাসপোর্ট নিজের জিম্মায় পেতে আদালতে আবেদন করেছেন মেঘনা আলম। রোববার (২২ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলামের আদালতে উপস্থিত হয়ে তিনি জানান, “আমি মডেল নই, পলিটিক্যাল লিডারশিপ ট্রেইনার। আমাকে গ্রেপ্তার নয়, বাসা থেকে অপহরণ করা হয়েছিল।”

তার আইনজীবীরা আদালতে জমা দেওয়া আবেদনে বলেন, এসব জিনিস ব্যক্তিগত ও প্রয়োজনীয়, তাই তা জিম্মায় দেওয়া হোক। আদালত শুনানি শেষে আদেশ পরে দেবেন বলে জানান।

মেঘনা আলম আরও বলেন, “৯ এপ্রিল আমাকে যে পদ্ধতিতে নেওয়া হয়েছিল তা গ্রেপ্তার নয়, অপহরণ। কারণ আইনি কোনো প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি, এমনকি আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা ওয়ারেন্টও ছিল না।”

এর আগে ১০ এপ্রিল বিশেষ ক্ষমতা আইনে তাকে ৩০ দিনের জন্য আটক রাখা হয়, যা ২৮ এপ্রিল বাতিল করা হলে তিনি কারামুক্ত হন। এরপর থেকে জামিনে রয়েছেন।

তাকে ঘিরে দায়ের হওয়া মামলায় বলা হয়েছে, মেঘনা আলম ও দেওয়ান সমির একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য। তারা সুন্দরী তরুণীদের ব্যবহার করে বিদেশি কূটনীতিক ও দেশের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে, অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনের পর সম্মানহানির ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করতেন।

সম্প্রতি সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মেঘনা আলমের ঘনিষ্ঠতা নিয়েও নানা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যা মামলার প্রসঙ্গগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে দাবি তদন্ত সংশ্লিষ্টদের।

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মেঘনা আলমের দাবি

“গ্রেপ্তার নয়, আমাকে অপহরণ করা হয়েছিল”

সর্বশেষ আপডেট ০৩:২৯:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫

রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মামলায় জব্দ হওয়া মোবাইল ফোন, আইপ্যাড ও পাসপোর্ট নিজের জিম্মায় পেতে আদালতে আবেদন করেছেন মেঘনা আলম। রোববার (২২ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলামের আদালতে উপস্থিত হয়ে তিনি জানান, “আমি মডেল নই, পলিটিক্যাল লিডারশিপ ট্রেইনার। আমাকে গ্রেপ্তার নয়, বাসা থেকে অপহরণ করা হয়েছিল।”

তার আইনজীবীরা আদালতে জমা দেওয়া আবেদনে বলেন, এসব জিনিস ব্যক্তিগত ও প্রয়োজনীয়, তাই তা জিম্মায় দেওয়া হোক। আদালত শুনানি শেষে আদেশ পরে দেবেন বলে জানান।

মেঘনা আলম আরও বলেন, “৯ এপ্রিল আমাকে যে পদ্ধতিতে নেওয়া হয়েছিল তা গ্রেপ্তার নয়, অপহরণ। কারণ আইনি কোনো প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি, এমনকি আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা ওয়ারেন্টও ছিল না।”

এর আগে ১০ এপ্রিল বিশেষ ক্ষমতা আইনে তাকে ৩০ দিনের জন্য আটক রাখা হয়, যা ২৮ এপ্রিল বাতিল করা হলে তিনি কারামুক্ত হন। এরপর থেকে জামিনে রয়েছেন।

তাকে ঘিরে দায়ের হওয়া মামলায় বলা হয়েছে, মেঘনা আলম ও দেওয়ান সমির একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য। তারা সুন্দরী তরুণীদের ব্যবহার করে বিদেশি কূটনীতিক ও দেশের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে, অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনের পর সম্মানহানির ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করতেন।

সম্প্রতি সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মেঘনা আলমের ঘনিষ্ঠতা নিয়েও নানা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যা মামলার প্রসঙ্গগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে দাবি তদন্ত সংশ্লিষ্টদের।