ঢাকা ০৬:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গ্রিনল্যান্ড দখল করলে ইতিহাসে নাম উঠবে ট্রাম্পের: ক্রেমলিন

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 32

বেশিরভাগ গ্রিনল্যান্ডবাসী ট্রাম্পের তাদের দ্বীপটি কেনার বা জোর করে দখল করার বিরোধিতা করছেন। ছবি: রয়টার্স

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দফতর ক্রেমলিন মন্তব্য করেছে, যদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখল করতে সক্ষম হন, তবে তিনি কেবল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসেই নয়, বিশ্ব ইতিহাসেও স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

সোমবার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা যেভাবে বিষয়টি মূল্যায়ন করছেন, তাতে তিনি অসঙ্গতি দেখতে পাচ্ছেন না। তবে তিনি গ্রিনল্যান্ড দখল করা সঠিক কি না বা তা আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

পেসকভ বলেন, “যদি যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করতে সমর্থ হয়, তাহলে ট্রাম্প নিশ্চিতভাবেই ইতিহাসে স্থান করে নেবেন।” তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে নানা ‘উদ্বেগজনক তথ্য’ ছড়িয়েছে, কিন্তু রাশিয়ার কোনও নীলনকশা আছে এমন অভিযোগে ক্রেমলিন মন্তব্য করতে চায় না।

এর আগে ট্রাম্প বারবার জোর দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা ছাড়া অন্য কোনো ব্যাপারে রাজি নয়। তার যুক্তি, যুক্তরাষ্ট্র যদি দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ না নেয়, ভবিষ্যতে রাশিয়া বা চীন সেখানে প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

তবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড উভয় পক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয় এবং দ্বীপের বাসিন্দারাও যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চান না।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও গত সপ্তাহে জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর রাশিয়া ও চীনের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ অগ্রহণযোগ্য। তাদের মতে, এই বিতর্ক পশ্চিমা শক্তির দ্বৈত মানদণ্ড এবং তথাকথিত নৈতিক শ্রেষ্ঠত্বকেই সামনে এনেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গ্রিনল্যান্ড দখল করলে ইতিহাসে নাম উঠবে ট্রাম্পের: ক্রেমলিন

সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দফতর ক্রেমলিন মন্তব্য করেছে, যদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখল করতে সক্ষম হন, তবে তিনি কেবল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসেই নয়, বিশ্ব ইতিহাসেও স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

সোমবার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা যেভাবে বিষয়টি মূল্যায়ন করছেন, তাতে তিনি অসঙ্গতি দেখতে পাচ্ছেন না। তবে তিনি গ্রিনল্যান্ড দখল করা সঠিক কি না বা তা আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

পেসকভ বলেন, “যদি যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করতে সমর্থ হয়, তাহলে ট্রাম্প নিশ্চিতভাবেই ইতিহাসে স্থান করে নেবেন।” তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে নানা ‘উদ্বেগজনক তথ্য’ ছড়িয়েছে, কিন্তু রাশিয়ার কোনও নীলনকশা আছে এমন অভিযোগে ক্রেমলিন মন্তব্য করতে চায় না।

এর আগে ট্রাম্প বারবার জোর দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা ছাড়া অন্য কোনো ব্যাপারে রাজি নয়। তার যুক্তি, যুক্তরাষ্ট্র যদি দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ না নেয়, ভবিষ্যতে রাশিয়া বা চীন সেখানে প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

তবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড উভয় পক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয় এবং দ্বীপের বাসিন্দারাও যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চান না।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও গত সপ্তাহে জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর রাশিয়া ও চীনের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ অগ্রহণযোগ্য। তাদের মতে, এই বিতর্ক পশ্চিমা শক্তির দ্বৈত মানদণ্ড এবং তথাকথিত নৈতিক শ্রেষ্ঠত্বকেই সামনে এনেছে।