ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গ্রামীণ ব্যাংক ও রাষ্ট্র চালানো এক জিনিস না: ফরহাদ মজহার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 97

ফরহাদ মজহার

সেন্টার ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড পিস স্টাডিজের আয়োজিত “ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থা ও নির্বাচন” শীর্ষক আলোচনায় কবি-চিন্তক ফরহাদ মজহার প্রধান উপদেষ্টা ডঃ ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে তীব্র সমালোচনা করেন। জাতীয় প্রেসক্লাবে মঙ্গলবার তিনি বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক পরিচালনা এবং একটি দেশের সরকার চালানো সম্পূর্ণ আলাদা কাজ — এগুলোকে একরকম ভাবা যৌক্তিক নয়।
ফরহাদ মজহার দাবি করেন, উপদেষ্টা সরকার সংবিধান অনুযায়ী গঠিত নয় এবং তাই তার বৈধতা অনস্বীকার্য প্রশ্নের মধ্যে রয়েছে। তিনি বলেন, আইন ও সংবিধানকে সম্মান করে বৈধতা প্রতিষ্ঠা করা উচিত; অন্যথায় জনগণের অসন্তোষের মুখে সরকার স্থিত থাকে না।
তিনি আরও বলেন, অতীতের বড় ত্যাগ ও সংগ্রামের পরও যদি সরকার নির্বাচনের কথা ওঠায়, তবে তা কী ভিত্তিতে হচ্ছে—এই প্রশ্নটি তাদের কাছে ছিল। মজহার রাজনীতিকে জনসেবায় বিশ্বাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চান এবং তিনি বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোকে সেই মাপকাঠিতে পেলেন না; বরং “লুটেরা-মাফিয়া” শ্রেণির প্রাধান্য থাকার অভিযোগ তুলে ধরেন।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ভূমিকার ওপরও তাঁর কড়া অভিযোগ—প্রয়োজনে সমস্যার গভীরতা বোঝার চেষ্টা করা উচিত ছিল। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, উপদেষ্টা সরকার কাদের নির্দেশে গঠিত এবং কেন সেই রকম কাঠামো নেওয়া হয়েছে, সেসব প্রশ্নেরও জবাব দরকার।
শেষে মজহার বলেন, কয়েকজন তরুণকে মন্ত্রণালয়ে নেওয়া হয়েছে বলে প্রশংসা করলেও কার্যনির্বাহে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেননি; কারণ পুরনো আমলাতন্ত্র আশ্রয় করে রয়েছে এবং সেটাই তরুণদের বিভক্ত করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গ্রামীণ ব্যাংক ও রাষ্ট্র চালানো এক জিনিস না: ফরহাদ মজহার

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সেন্টার ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড পিস স্টাডিজের আয়োজিত “ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থা ও নির্বাচন” শীর্ষক আলোচনায় কবি-চিন্তক ফরহাদ মজহার প্রধান উপদেষ্টা ডঃ ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে তীব্র সমালোচনা করেন। জাতীয় প্রেসক্লাবে মঙ্গলবার তিনি বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক পরিচালনা এবং একটি দেশের সরকার চালানো সম্পূর্ণ আলাদা কাজ — এগুলোকে একরকম ভাবা যৌক্তিক নয়।
ফরহাদ মজহার দাবি করেন, উপদেষ্টা সরকার সংবিধান অনুযায়ী গঠিত নয় এবং তাই তার বৈধতা অনস্বীকার্য প্রশ্নের মধ্যে রয়েছে। তিনি বলেন, আইন ও সংবিধানকে সম্মান করে বৈধতা প্রতিষ্ঠা করা উচিত; অন্যথায় জনগণের অসন্তোষের মুখে সরকার স্থিত থাকে না।
তিনি আরও বলেন, অতীতের বড় ত্যাগ ও সংগ্রামের পরও যদি সরকার নির্বাচনের কথা ওঠায়, তবে তা কী ভিত্তিতে হচ্ছে—এই প্রশ্নটি তাদের কাছে ছিল। মজহার রাজনীতিকে জনসেবায় বিশ্বাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চান এবং তিনি বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোকে সেই মাপকাঠিতে পেলেন না; বরং “লুটেরা-মাফিয়া” শ্রেণির প্রাধান্য থাকার অভিযোগ তুলে ধরেন।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ভূমিকার ওপরও তাঁর কড়া অভিযোগ—প্রয়োজনে সমস্যার গভীরতা বোঝার চেষ্টা করা উচিত ছিল। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, উপদেষ্টা সরকার কাদের নির্দেশে গঠিত এবং কেন সেই রকম কাঠামো নেওয়া হয়েছে, সেসব প্রশ্নেরও জবাব দরকার।
শেষে মজহার বলেন, কয়েকজন তরুণকে মন্ত্রণালয়ে নেওয়া হয়েছে বলে প্রশংসা করলেও কার্যনির্বাহে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেননি; কারণ পুরনো আমলাতন্ত্র আশ্রয় করে রয়েছে এবং সেটাই তরুণদের বিভক্ত করেছে।