ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তারেক রহমান

গুপ্ত স্বৈরাচারের সম্ভাবনা রোধে ঐক্যের প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৯:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 83

তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো যদি ঐক্যবদ্ধ না হয়, তবে দেশের জন্য গুপ্ত স্বৈরাচারের পুনরাবির্ভাবের সম্ভাবনা রয়েছে। আজ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) তিনি লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা শাখার দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, “স্বাধীনতার পর এক সময় দেশে স্বৈরশাসক ক্ষমতায় বসেছিলেন। পরবর্তীতে জনগণের আন্দোলনে সেই স্বৈরাচার পরাজিত হয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একদলীয় শাসনকে চ্যালেঞ্জ করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তবে পরে আবার স্বৈরাচারের ছায়া দেখা দেয়। জনগণ তা নিয়ন্ত্রণে আনে। বিগত ১৫ বছরে আরেকবার স্বৈরাচার রাজত্ব করেছিল, যা জনগণের সংগ্রামের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এখন যদি গণতন্ত্রের পক্ষের সব শক্তি ঐক্যবদ্ধ না হয়, তবে গুপ্ত স্বৈরাচারের পুনরাবির্ভাবের আশঙ্কা আছে। তাই দেশকে সুসংগঠিত করতে ঐক্য অপরিহার্য।”

তিনি আরও বলেন, দলের নেতাকর্মীরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে অংশ নিয়েছে, নির্যাতনের শিকার হয়েছে এবং স্বৈরাচার পতিত হয়েছে। এখন দেশের পুনর্গঠন সময় এসেছে। এজন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

তারেক রহমান উল্লেখ করেন, “গত ১৬ বছরে দেশে বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে জীবনযাপন করতে হয়েছে। এখন সময় এসেছে দেশকে গঠনমূলকভাবে এগিয়ে নেওয়ার। এজন্য জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে, ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। কিভাবে দেশকে পুনর্গঠন করা হবে, তা সর্বস্তরের মানুষকে জানাতে হবে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তারেক রহমান

গুপ্ত স্বৈরাচারের সম্ভাবনা রোধে ঐক্যের প্রয়োজন

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৯:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো যদি ঐক্যবদ্ধ না হয়, তবে দেশের জন্য গুপ্ত স্বৈরাচারের পুনরাবির্ভাবের সম্ভাবনা রয়েছে। আজ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) তিনি লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা শাখার দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, “স্বাধীনতার পর এক সময় দেশে স্বৈরশাসক ক্ষমতায় বসেছিলেন। পরবর্তীতে জনগণের আন্দোলনে সেই স্বৈরাচার পরাজিত হয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একদলীয় শাসনকে চ্যালেঞ্জ করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তবে পরে আবার স্বৈরাচারের ছায়া দেখা দেয়। জনগণ তা নিয়ন্ত্রণে আনে। বিগত ১৫ বছরে আরেকবার স্বৈরাচার রাজত্ব করেছিল, যা জনগণের সংগ্রামের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এখন যদি গণতন্ত্রের পক্ষের সব শক্তি ঐক্যবদ্ধ না হয়, তবে গুপ্ত স্বৈরাচারের পুনরাবির্ভাবের আশঙ্কা আছে। তাই দেশকে সুসংগঠিত করতে ঐক্য অপরিহার্য।”

তিনি আরও বলেন, দলের নেতাকর্মীরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে অংশ নিয়েছে, নির্যাতনের শিকার হয়েছে এবং স্বৈরাচার পতিত হয়েছে। এখন দেশের পুনর্গঠন সময় এসেছে। এজন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

তারেক রহমান উল্লেখ করেন, “গত ১৬ বছরে দেশে বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে জীবনযাপন করতে হয়েছে। এখন সময় এসেছে দেশকে গঠনমূলকভাবে এগিয়ে নেওয়ার। এজন্য জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে, ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। কিভাবে দেশকে পুনর্গঠন করা হবে, তা সর্বস্তরের মানুষকে জানাতে হবে।”