ঢাকা ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাড়িচালক নুরুল আমিনের কাছে জিম্মি লক্ষ্মীপুর জেলা সওজ

এসএমআর শহিদ
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:১০:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / 198

লক্ষ্মীপুর জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামের গাড়িচালক আওয়ামী লীগের দোসর গত বছরের ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পরে ভোল পাল্টে হয়ে যায় বিএনপি।

নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম ও নুরুল আমিনের কাচ্ছে জিম্মি লক্ষ্মীপুর জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগ, রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন স্থানীয় এমপি ও মন্ত্রীর সাথে এই নুরুল আমিনের সখ্যতা থাকায় হয়ে
যায় লক্ষ্মীপুর জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি, নুরুল আমিনের আর তাকাতে হয়নি পিছনে, পদের প্রভাব খাটিয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগ গড়ে তুলেছেন আত্মীয়করণের সিন্ডিকেট। যার মাধ্যমে নিজ স্বজনদের মাস্টার রুল এবং এম আর ভিত্তিক চাকুরি দেন।

বিশেষ করে নুরুল আমিনের ছেলে ইউসুফ সুজন (শ্রমিক), শ্যালক আব্দুল জলিল (শ্রমিক), ভাতিজা আল আমিন (শ্রমিক) , ভাতিজা গাড়িচালক ইসহাক রানা, ভাতিজা জহিরুল ইসলাম সৌরভকে (পাহারাদার) পদে চাকরি দিয়েছেন। এছাড়া টাকার বিনিময়ে এমএলএসএস পদে শরিফুল ইসলাম রাব্বি,  শাহদাত ও আরিফুলকে গাড়িচালক পদে চাকরি দেয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক লক্ষ্মীপুর জেলা সড়ক ও জনপদের গাড়িচালক বলেন, ড্রাইভার নুরুল আমিনের শ্যালক জলিল সরকারি বাস ভবন পাওয়ার যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও নুরুল আমিনের প্রভাবে একটি বাসা বরাদ্দ নিয়ে দেয়া হয়। অথচ ওই বাসা অন্যত্রে ভাড়া দিচ্ছে জলিল।

লক্ষ্মীপুর জেলা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম এর লাক্সারি নতুন গাড়ী (গাড়ী নং- ১১-১৬২০) ২০১৯ সালে পাওয়া। সেই গাড়িটি গ্যাসে থাকা সত্ত্বেও প্রতিমাসে ৫শ’ থেকে ৮শ’ লিটার অকটেন ইস্যু করা হয়, একইভাবে নতুন গাড়িটিও প্রতি বছর মেরামত দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় এই মো: নুরুল আমিন।

শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন লক্ষ্মীপুর জেলা সভাপতি নুরুল আমিন একইভাবে তার ভাতিজাদের জন্যেও অনিয়ম বহির্ভূত বাসা বরাদ্দ নেয়।

সড়ক ও জনপদ বিভাগের কোয়ার্টারে উপ সহকারী প্রকৌশলীর বরাদ্দকৃত বাসায় প্রায় ১৩ বছর বসবাস করে যাচ্ছে। বাসা ভাড়া সহ দিচ্ছেনা পানি, বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের বিলও। কোয়ার্টারের মধ্যে সরকারি গাছ কেটে তৈরি করেছেন ফার্নিচার- এমন অভিযোগও পাওয়া গেছে।

উক্ত বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামের গাড়িচালক নুরুল আমিনের কাছে মুঠোফোনে বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার চাকরির মেয়াদ আরো দুই মাস আগে শেষ হয়েছে। কিন্তু আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আমাকে দিয়ে এখনো গাড়ি চালায়। আপনি আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলুন। বাংলা অ্যাফেয়ার্সের পক্ষ থেকে  আপনি আওয়ামী লীগ থেকে ভোল পাল্টে হয়েছেন বিএনপি হয়েছেন এই প্রশ্নের জবাবে নুরুল আমিন বলেন. আমি আগে থেকেই বিএনপি করতাম।

এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গাড়িচালক নুরুল আমিনের কাছে জিম্মি লক্ষ্মীপুর জেলা সওজ

সর্বশেষ আপডেট ০৮:১০:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

লক্ষ্মীপুর জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামের গাড়িচালক আওয়ামী লীগের দোসর গত বছরের ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পরে ভোল পাল্টে হয়ে যায় বিএনপি।

নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম ও নুরুল আমিনের কাচ্ছে জিম্মি লক্ষ্মীপুর জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগ, রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন স্থানীয় এমপি ও মন্ত্রীর সাথে এই নুরুল আমিনের সখ্যতা থাকায় হয়ে
যায় লক্ষ্মীপুর জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি, নুরুল আমিনের আর তাকাতে হয়নি পিছনে, পদের প্রভাব খাটিয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগ গড়ে তুলেছেন আত্মীয়করণের সিন্ডিকেট। যার মাধ্যমে নিজ স্বজনদের মাস্টার রুল এবং এম আর ভিত্তিক চাকুরি দেন।

বিশেষ করে নুরুল আমিনের ছেলে ইউসুফ সুজন (শ্রমিক), শ্যালক আব্দুল জলিল (শ্রমিক), ভাতিজা আল আমিন (শ্রমিক) , ভাতিজা গাড়িচালক ইসহাক রানা, ভাতিজা জহিরুল ইসলাম সৌরভকে (পাহারাদার) পদে চাকরি দিয়েছেন। এছাড়া টাকার বিনিময়ে এমএলএসএস পদে শরিফুল ইসলাম রাব্বি,  শাহদাত ও আরিফুলকে গাড়িচালক পদে চাকরি দেয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক লক্ষ্মীপুর জেলা সড়ক ও জনপদের গাড়িচালক বলেন, ড্রাইভার নুরুল আমিনের শ্যালক জলিল সরকারি বাস ভবন পাওয়ার যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও নুরুল আমিনের প্রভাবে একটি বাসা বরাদ্দ নিয়ে দেয়া হয়। অথচ ওই বাসা অন্যত্রে ভাড়া দিচ্ছে জলিল।

লক্ষ্মীপুর জেলা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম এর লাক্সারি নতুন গাড়ী (গাড়ী নং- ১১-১৬২০) ২০১৯ সালে পাওয়া। সেই গাড়িটি গ্যাসে থাকা সত্ত্বেও প্রতিমাসে ৫শ’ থেকে ৮শ’ লিটার অকটেন ইস্যু করা হয়, একইভাবে নতুন গাড়িটিও প্রতি বছর মেরামত দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় এই মো: নুরুল আমিন।

শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন লক্ষ্মীপুর জেলা সভাপতি নুরুল আমিন একইভাবে তার ভাতিজাদের জন্যেও অনিয়ম বহির্ভূত বাসা বরাদ্দ নেয়।

সড়ক ও জনপদ বিভাগের কোয়ার্টারে উপ সহকারী প্রকৌশলীর বরাদ্দকৃত বাসায় প্রায় ১৩ বছর বসবাস করে যাচ্ছে। বাসা ভাড়া সহ দিচ্ছেনা পানি, বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের বিলও। কোয়ার্টারের মধ্যে সরকারি গাছ কেটে তৈরি করেছেন ফার্নিচার- এমন অভিযোগও পাওয়া গেছে।

উক্ত বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামের গাড়িচালক নুরুল আমিনের কাছে মুঠোফোনে বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার চাকরির মেয়াদ আরো দুই মাস আগে শেষ হয়েছে। কিন্তু আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আমাকে দিয়ে এখনো গাড়ি চালায়। আপনি আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলুন। বাংলা অ্যাফেয়ার্সের পক্ষ থেকে  আপনি আওয়ামী লীগ থেকে ভোল পাল্টে হয়েছেন বিএনপি হয়েছেন এই প্রশ্নের জবাবে নুরুল আমিন বলেন. আমি আগে থেকেই বিএনপি করতাম।

এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।