ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাছ রোপণ করে পাহাড়ে বনায়ন সৃষ্টির আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:০০:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / 83

ইউএনও মারুফা সুলতানা

প্রতি বছর সরকার বা বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকে চারা বিতরণ করা হয়ে থাকে। এসব চারা বাড়ির আশপাশে রোপণ করে এলাকাভিত্তিক বনায়ন সৃষ্টি করতে হবে। বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চলে জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশ সুরক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ভবিষ্যতেও সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে চারা রোপণের মাধ্যমে পাহাড়ে বনায়ন সৃষ্টি করতে হবে; এমন আহ্বান জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হীরা

বুধবার সকালে কুহালং ইউনিয়ন পরিষদ সভাকক্ষে নিবন্ধিত শিশুদের মাঝে ফলজ ও বনজ চারা বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-চট্টগ্রাম এসিওর সহযোগিতায় এবং গ্রাউস (গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন)-বিএসএপি প্রোগ্রামের বাস্তবায়নে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

গাছ রোপণ করে পাহাড়ে বনায়ন সৃষ্টির আহ্বান
গাছ রোপণ করে পাহাড়ে বনায়ন সৃষ্টির আহ্বান

সভায় জামছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যাসিং শৈ এবং রাজবিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য অংপ্রু মারমা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবেলায় আমাদের সবাইকে সচেতন হয়ে একসাথে কাজ করতে হবে। অপরিকল্পিতভাবে বন ধ্বংস, পাহাড় কাটা এবং বালু উত্তোলনের মতো কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। এসব বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠান শেষে কুহালং, জামছড়ি ও রাজবিলা; এই তিন ইউনিয়নের ১,৮৯৩ জন নিবন্ধিত শিশুর মাঝে ৪,২১০টি ঔষধি ও ফলজ চারা, ১,৬৮৪টি মেলামাইন প্লেট এবং অতি দরিদ্র পরিবারের জন্য ৩,২৪০টি ঔষধি ও ফলজ চারা বিতরণ করেন অতিথিরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গ্রাউসের পিএফএ কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার মি: উসাইমং মারমা, প্রোগ্রাম ম্যানেজার তুলু মারমা, কুহালং কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার চিং থোয়াই উ মারমা এবং শতাধিক নারী ও শিশু।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গাছ রোপণ করে পাহাড়ে বনায়ন সৃষ্টির আহ্বান

সর্বশেষ আপডেট ০৮:০০:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

প্রতি বছর সরকার বা বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকে চারা বিতরণ করা হয়ে থাকে। এসব চারা বাড়ির আশপাশে রোপণ করে এলাকাভিত্তিক বনায়ন সৃষ্টি করতে হবে। বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চলে জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশ সুরক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ভবিষ্যতেও সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে চারা রোপণের মাধ্যমে পাহাড়ে বনায়ন সৃষ্টি করতে হবে; এমন আহ্বান জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হীরা

বুধবার সকালে কুহালং ইউনিয়ন পরিষদ সভাকক্ষে নিবন্ধিত শিশুদের মাঝে ফলজ ও বনজ চারা বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-চট্টগ্রাম এসিওর সহযোগিতায় এবং গ্রাউস (গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন)-বিএসএপি প্রোগ্রামের বাস্তবায়নে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

গাছ রোপণ করে পাহাড়ে বনায়ন সৃষ্টির আহ্বান
গাছ রোপণ করে পাহাড়ে বনায়ন সৃষ্টির আহ্বান

সভায় জামছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যাসিং শৈ এবং রাজবিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য অংপ্রু মারমা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবেলায় আমাদের সবাইকে সচেতন হয়ে একসাথে কাজ করতে হবে। অপরিকল্পিতভাবে বন ধ্বংস, পাহাড় কাটা এবং বালু উত্তোলনের মতো কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। এসব বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠান শেষে কুহালং, জামছড়ি ও রাজবিলা; এই তিন ইউনিয়নের ১,৮৯৩ জন নিবন্ধিত শিশুর মাঝে ৪,২১০টি ঔষধি ও ফলজ চারা, ১,৬৮৪টি মেলামাইন প্লেট এবং অতি দরিদ্র পরিবারের জন্য ৩,২৪০টি ঔষধি ও ফলজ চারা বিতরণ করেন অতিথিরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গ্রাউসের পিএফএ কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার মি: উসাইমং মারমা, প্রোগ্রাম ম্যানেজার তুলু মারমা, কুহালং কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার চিং থোয়াই উ মারমা এবং শতাধিক নারী ও শিশু।