ঢাকা ১১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গভর্নরের পদত্যাগ গুজব উড়িয়ে দিলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 4

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর নিজের পদত্যাগ ও ছুটির গুজব সরাসরি উড়িয়ে দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সাংবাদিকদের বলেন, “আমি কোনো ছুটির দরখাস্ত দিইনি, ছুটি মঞ্জুর হয়নি, এমনকি কোনো ছুটির ইচ্ছাও নেই। প্রতিদিন রাত ১০টার আগে বাসায় যেতে পারি না, ছুটি নেওয়ার সময় কোথায়?”

তিনি বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত গুজব ছড়ানো হচ্ছে, যা একটি মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে উসকানি দিচ্ছে। গভর্নর দাবি করেন, গত এক বছরে বাংলাদেশ ব্যাংকে যে সংস্কার হয়েছে, তা গত ১৪-১৫ বছরে হয়নি। ব্যাংকের কাজ শুধু শাখা অনুমোদন বা ভাড়া নয়; ফরেন এক্সচেঞ্জ মার্কেট, ক্যাপিটাল ও ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট উন্নয়ন আমাদের মূল কাজ।

গভর্নর আরও বলেন, কিছু আমানতকারী সাম্প্রতিক দুই বছরে মাত্র ৪ শতাংশ মুনাফা পেয়েছেন, যেখানে আগের বছরগুলোতে তারা ১২–১৩ শতাংশ পেয়েছেন। আগামী দিনে তারা ৯.৫ শতাংশ মুনাফা পাবেন। তিনি সরকারের অস্বাভাবিক সহায়তার জন্য আমানতকারীদের কৃতজ্ঞ থাকার আহ্বান জানান। চট্টগ্রামের কিছু শাখায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার অভিযোগ নজরে আছে এবং প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেওয়া হবে।

ইসলামী ব্যাংকিংয়ে মুনাফা বিতরণের বিষয়ে গভর্নর বলেন, এটি কোনো নতুন স্ট্যান্ডার্ড নয়, বরং চলমান সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধান। সাধারণ মানুষকে তিনি সরাসরি ব্যাংকে এসে তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানান, গুজবে কান দেবেন না। সাবেক পাঁচটি ব্যাংক এখন সরকারী মালিকানাধীন, তাই কারও টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গভর্নরের পদত্যাগ গুজব উড়িয়ে দিলেন

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর নিজের পদত্যাগ ও ছুটির গুজব সরাসরি উড়িয়ে দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সাংবাদিকদের বলেন, “আমি কোনো ছুটির দরখাস্ত দিইনি, ছুটি মঞ্জুর হয়নি, এমনকি কোনো ছুটির ইচ্ছাও নেই। প্রতিদিন রাত ১০টার আগে বাসায় যেতে পারি না, ছুটি নেওয়ার সময় কোথায়?”

তিনি বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত গুজব ছড়ানো হচ্ছে, যা একটি মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে উসকানি দিচ্ছে। গভর্নর দাবি করেন, গত এক বছরে বাংলাদেশ ব্যাংকে যে সংস্কার হয়েছে, তা গত ১৪-১৫ বছরে হয়নি। ব্যাংকের কাজ শুধু শাখা অনুমোদন বা ভাড়া নয়; ফরেন এক্সচেঞ্জ মার্কেট, ক্যাপিটাল ও ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট উন্নয়ন আমাদের মূল কাজ।

গভর্নর আরও বলেন, কিছু আমানতকারী সাম্প্রতিক দুই বছরে মাত্র ৪ শতাংশ মুনাফা পেয়েছেন, যেখানে আগের বছরগুলোতে তারা ১২–১৩ শতাংশ পেয়েছেন। আগামী দিনে তারা ৯.৫ শতাংশ মুনাফা পাবেন। তিনি সরকারের অস্বাভাবিক সহায়তার জন্য আমানতকারীদের কৃতজ্ঞ থাকার আহ্বান জানান। চট্টগ্রামের কিছু শাখায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার অভিযোগ নজরে আছে এবং প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেওয়া হবে।

ইসলামী ব্যাংকিংয়ে মুনাফা বিতরণের বিষয়ে গভর্নর বলেন, এটি কোনো নতুন স্ট্যান্ডার্ড নয়, বরং চলমান সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধান। সাধারণ মানুষকে তিনি সরাসরি ব্যাংকে এসে তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানান, গুজবে কান দেবেন না। সাবেক পাঁচটি ব্যাংক এখন সরকারী মালিকানাধীন, তাই কারও টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।