ঢাকা ১২:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণভোট কবে, জানা যাবে আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৪০:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / 88

গণভোট

বহুল আলোচিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ঘোষণা আজই আসতে পারে। এ লক্ষ্যে বেলা ১২টায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ওই সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু ঘোষণা দেওয়া হতে পারে। এর আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভা আহ্বান করেছেন।

নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যে জানা গেছে, আজকের সংবাদ সম্মেলনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের ঘোষণা আসতে পারে। গত কয়েক দিন ধরে গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে, তারও সমাধান হতে পারে আজকের ঘোষণায়। সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, পর্দার আড়ালে ঐকমত্যের একটি কাঠামো তৈরি হচ্ছে।

এদিকে রোববারও বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির শীর্ষ নেতাদের মধ্যে পারস্পরিক সমালোচনা অব্যাহত ছিল। গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে কেউ কাউকে ছাড় দেননি। মূল বিরোধ দেখা দিয়েছে নোট অব ডিসেন্ট (আপত্তি নোট) ঘিরে। ঐকমত্য কমিশনের গৃহীত ৮৪টি প্রস্তাবের মধ্যে ৬১টিতেই কোনো না কোনো দলের আপত্তি রয়েছে। এর মধ্যে মৌলিক ২০টি প্রস্তাবের ৯টিতে বিএনপির আপত্তি আছে।

সূত্র মতে, জামায়াত আপত্তি জানালেও শেষ পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের বিষয়ে রাজি হতে পারে।

নোট অব ডিসেন্টের মূল বিষয়গুলো
নোট অব ডিসেন্ট দেওয়া ৬১টি প্রস্তাবের কিছুতে পূর্ণাঙ্গ, কিছুতে আংশিক আপত্তি রয়েছে। যেমন—সংসদে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবে সব দল একমত হলেও এর গঠন পদ্ধতি (পিআর বা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) নিয়ে বিএনপির আপত্তি আছে। একইভাবে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য বিষয়ে কমিশনের প্রস্তাবে বলা হয়েছে—বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, দুর্নীতি দমন কমিশন, পাবলিক সার্ভিস কমিশন, কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল, আইন কমিশন ও এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের নিয়োগ সরকারের হাতে থাকবে না। এগুলো রাষ্ট্রপতি বিশেষ সার্চ কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ দেবেন। এই প্রস্তাবেও বিএনপি আপত্তি জানিয়েছে।

কমিশনের আরেক প্রস্তাবে বলা হয়েছে, একই ব্যক্তি দলীয় প্রধান, সরকারপ্রধান এবং সংসদনেতা থাকতে পারবেন না। পাশাপাশি আইনজীবীদের কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত না থাকার প্রস্তাবেও বিএনপি নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে। অন্যদিকে স্থানীয় সরকারের আর্থিক স্বাধীনতার প্রস্তাবে জামায়াত আপত্তি জানিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের অধীনে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তারা জনপ্রতিনিধিদের নিয়ন্ত্রণে থাকবেন—এই অংশেও তাদের আপত্তি আছে। সংসদে নারী আসন সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবে চরমোনাই ও খেলাফত নেজামে ইসলামের আপত্তি রয়েছে। এনসিপি কোনো প্রস্তাবে আপত্তি জানায়নি।

বিএনপির অভিযোগ
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ঐকমত্য কমিশন জুলাই সনদে স্বাক্ষর করলেও পরবর্তীতে কিছু সুপারিশ বদলে দিয়েছে। অনেক দলের নোট অব ডিসেন্ট সনদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি অপসারণের প্রস্তাবে সব দল একমত হলেও তা বাদ দেওয়া হয়নি। কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত দেশ ও জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়া কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, সংসদ ২৭০ দিনের মধ্যে সংস্কার না করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে যুক্ত হবে—এই অংশেও বিএনপির আপত্তি রয়েছে।

জামায়াতের অবস্থান
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, বিএনপি যেসব বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে, তা তাদের স্বৈরাচারী মানসিকতার প্রতিফলন। তিনি বলেন, “৩১টি দল মিলে আমরা সংস্কারের উদ্যোগে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। বিএনপি স্বেচ্ছায় সনদে সই করেছে, এখন তারা পিছিয়ে আসছে।” তার দাবি, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের জন্য এই সংস্কার প্রয়োজনীয়, এবং গণভোট নির্বাচনেই হওয়া উচিত।

এনসিপির মন্তব্য
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “এক দল সংস্কার ভেস্তে দিতে চায়, আরেক দল নির্বাচন বিলম্বিত করতে চায়।” তিনি জানান, বিএনপি শুরু থেকেই মৌলিক বিষয়গুলোতে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে, যা সংস্কার বাস্তবায়নে প্রশ্ন তুলেছে। আবার জামায়াতের আচরণেও নির্বাচনের বিলম্বের আশঙ্কা রয়েছে। তার মতে, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি, অধ্যাপক ইউনূসের নির্দেশ জারি এবং গণভোটের সময় নির্ধারণ—এই বিষয়গুলোয় ঐকমত্য হলেই গণভোট একই দিনে বা আগে আয়োজন সম্ভব। তবে এই ইস্যুতে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে নতুন দ্বন্দ্ব হোক, তা এনসিপি চায় না।

জুলাই সনদের সারসংক্ষেপ
রাষ্ট্র সংস্কারে প্রস্তাবিত জুলাই সনদে মোট ৮৪টি প্রস্তাব রয়েছে, যার মধ্যে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব ৪৮টি। এখন পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াতসহ ২৫টি দল এতে স্বাক্ষর করেছে। ২৮ অক্টোবর ঐকমত্য কমিশন এই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ করে।

সুপারিশ অনুযায়ী, ৯টি প্রস্তাব নির্বাহী আদেশে, ২৭টি অধ্যাদেশে এবং ৪৮টি গণভোটের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। পরবর্তী সংসদ দুটি ভূমিকা পালন করবে—সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও আইনসভা হিসেবে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা প্রথম অধিবেশন শুরুর ২৭০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংশোধন সম্পন্ন না করলে জুলাই সনদের প্রস্তাবগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে যুক্ত হবে। এরপর ৪৫ দিনের মধ্যে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।

এ বিষয়ে সরকারের ঘোষণা আজকের সংবাদ সম্মেলন থেকেই আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গণভোট কবে, জানা যাবে আজ

সর্বশেষ আপডেট ১০:৪০:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

বহুল আলোচিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ঘোষণা আজই আসতে পারে। এ লক্ষ্যে বেলা ১২টায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ওই সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু ঘোষণা দেওয়া হতে পারে। এর আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভা আহ্বান করেছেন।

নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যে জানা গেছে, আজকের সংবাদ সম্মেলনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের ঘোষণা আসতে পারে। গত কয়েক দিন ধরে গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে, তারও সমাধান হতে পারে আজকের ঘোষণায়। সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, পর্দার আড়ালে ঐকমত্যের একটি কাঠামো তৈরি হচ্ছে।

এদিকে রোববারও বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির শীর্ষ নেতাদের মধ্যে পারস্পরিক সমালোচনা অব্যাহত ছিল। গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে কেউ কাউকে ছাড় দেননি। মূল বিরোধ দেখা দিয়েছে নোট অব ডিসেন্ট (আপত্তি নোট) ঘিরে। ঐকমত্য কমিশনের গৃহীত ৮৪টি প্রস্তাবের মধ্যে ৬১টিতেই কোনো না কোনো দলের আপত্তি রয়েছে। এর মধ্যে মৌলিক ২০টি প্রস্তাবের ৯টিতে বিএনপির আপত্তি আছে।

সূত্র মতে, জামায়াত আপত্তি জানালেও শেষ পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের বিষয়ে রাজি হতে পারে।

নোট অব ডিসেন্টের মূল বিষয়গুলো
নোট অব ডিসেন্ট দেওয়া ৬১টি প্রস্তাবের কিছুতে পূর্ণাঙ্গ, কিছুতে আংশিক আপত্তি রয়েছে। যেমন—সংসদে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবে সব দল একমত হলেও এর গঠন পদ্ধতি (পিআর বা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) নিয়ে বিএনপির আপত্তি আছে। একইভাবে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য বিষয়ে কমিশনের প্রস্তাবে বলা হয়েছে—বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, দুর্নীতি দমন কমিশন, পাবলিক সার্ভিস কমিশন, কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল, আইন কমিশন ও এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের নিয়োগ সরকারের হাতে থাকবে না। এগুলো রাষ্ট্রপতি বিশেষ সার্চ কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ দেবেন। এই প্রস্তাবেও বিএনপি আপত্তি জানিয়েছে।

কমিশনের আরেক প্রস্তাবে বলা হয়েছে, একই ব্যক্তি দলীয় প্রধান, সরকারপ্রধান এবং সংসদনেতা থাকতে পারবেন না। পাশাপাশি আইনজীবীদের কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত না থাকার প্রস্তাবেও বিএনপি নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে। অন্যদিকে স্থানীয় সরকারের আর্থিক স্বাধীনতার প্রস্তাবে জামায়াত আপত্তি জানিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের অধীনে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তারা জনপ্রতিনিধিদের নিয়ন্ত্রণে থাকবেন—এই অংশেও তাদের আপত্তি আছে। সংসদে নারী আসন সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবে চরমোনাই ও খেলাফত নেজামে ইসলামের আপত্তি রয়েছে। এনসিপি কোনো প্রস্তাবে আপত্তি জানায়নি।

বিএনপির অভিযোগ
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ঐকমত্য কমিশন জুলাই সনদে স্বাক্ষর করলেও পরবর্তীতে কিছু সুপারিশ বদলে দিয়েছে। অনেক দলের নোট অব ডিসেন্ট সনদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি অপসারণের প্রস্তাবে সব দল একমত হলেও তা বাদ দেওয়া হয়নি। কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত দেশ ও জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়া কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, সংসদ ২৭০ দিনের মধ্যে সংস্কার না করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে যুক্ত হবে—এই অংশেও বিএনপির আপত্তি রয়েছে।

জামায়াতের অবস্থান
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, বিএনপি যেসব বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে, তা তাদের স্বৈরাচারী মানসিকতার প্রতিফলন। তিনি বলেন, “৩১টি দল মিলে আমরা সংস্কারের উদ্যোগে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। বিএনপি স্বেচ্ছায় সনদে সই করেছে, এখন তারা পিছিয়ে আসছে।” তার দাবি, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের জন্য এই সংস্কার প্রয়োজনীয়, এবং গণভোট নির্বাচনেই হওয়া উচিত।

এনসিপির মন্তব্য
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “এক দল সংস্কার ভেস্তে দিতে চায়, আরেক দল নির্বাচন বিলম্বিত করতে চায়।” তিনি জানান, বিএনপি শুরু থেকেই মৌলিক বিষয়গুলোতে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে, যা সংস্কার বাস্তবায়নে প্রশ্ন তুলেছে। আবার জামায়াতের আচরণেও নির্বাচনের বিলম্বের আশঙ্কা রয়েছে। তার মতে, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি, অধ্যাপক ইউনূসের নির্দেশ জারি এবং গণভোটের সময় নির্ধারণ—এই বিষয়গুলোয় ঐকমত্য হলেই গণভোট একই দিনে বা আগে আয়োজন সম্ভব। তবে এই ইস্যুতে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে নতুন দ্বন্দ্ব হোক, তা এনসিপি চায় না।

জুলাই সনদের সারসংক্ষেপ
রাষ্ট্র সংস্কারে প্রস্তাবিত জুলাই সনদে মোট ৮৪টি প্রস্তাব রয়েছে, যার মধ্যে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব ৪৮টি। এখন পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াতসহ ২৫টি দল এতে স্বাক্ষর করেছে। ২৮ অক্টোবর ঐকমত্য কমিশন এই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ করে।

সুপারিশ অনুযায়ী, ৯টি প্রস্তাব নির্বাহী আদেশে, ২৭টি অধ্যাদেশে এবং ৪৮টি গণভোটের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। পরবর্তী সংসদ দুটি ভূমিকা পালন করবে—সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও আইনসভা হিসেবে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা প্রথম অধিবেশন শুরুর ২৭০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংশোধন সম্পন্ন না করলে জুলাই সনদের প্রস্তাবগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে যুক্ত হবে। এরপর ৪৫ দিনের মধ্যে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।

এ বিষয়ে সরকারের ঘোষণা আজকের সংবাদ সম্মেলন থেকেই আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।