গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে জনগণের হাতে রাষ্ট্রের মালিকানা
- সর্বশেষ আপডেট ০৮:৩৮:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
- / 33
সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, “মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়” থেকে “নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়” নামকরণ রাষ্ট্রের একটি সুস্পষ্ট রাজনৈতিক ও নৈতিক অবস্থানকে প্রতিফলিত করে। এটি নারীদের করুণা বা দয়ার জায়গা থেকে বের করে অধিকারসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা।
একই সঙ্গে আসন্ন গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে দেশে নির্বাচন থাকলেও প্রকৃত অর্থে জনগণের ভোটাধিকার, বিচারব্যবস্থা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অনুপস্থিত ছিল। সাংবাদিক নির্যাতন, গুম-খুন, বিরোধী কণ্ঠ দমন, নারী নির্যাতন ও সহিংসতায় বিচারহীনতা এবং কৃষক-শ্রমিকদের প্রতি অবহেলা একটি ভয়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার চিত্র তুলে ধরেন। এই বাস্তবতায় নতুন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে জনগণের সরাসরি মতামত গ্রহণের একমাত্র গণতান্ত্রিক পথ হলো গণভোট।
তিনি আজ বুধবার নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ” মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের” নাম পরিবর্তন করে “নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়” নামকরণ করায় এবং গণতান্ত্রিক শক্তিশালী কাঠামো তৈরি করার স্বপ্নে গণভোট প্রচার ও উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষ্যে সাংবাদিকদের সাথে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। এ সময় নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ এনডিসি উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা বলেন, গণভোটে “হ্যাঁ” মানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, নারীর নিরাপত্তা, সাংবাদিকের কলমের স্বাধীনতা, কৃষক-শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার এবং রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পথে অগ্রসর হওয়া।
উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ স্পষ্ট করে বলেন, এই গণভোট কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নয়; এটি একটি নৈতিক ও নাগরিক সিদ্ধান্ত। তিনি সকলকে ভয় নয়, মানুষের পক্ষে দাঁড়িয়ে আসন্ন গণভোটে “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানান।
































