ঢাকা ০১:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ আসলে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ বাড়বে—ভিত্তিহীন দাবি: সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 5

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

সরকার বলেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বেশি হলে অন্তর্বর্তী সরকার ছয় মাস ক্ষমতায় থাকবে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

বৃহস্পতিবার রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং-এর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোটকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। কিছু পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট হলে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর করবে না।

একটি টেলিভিশন চ্যানেলের ফটোকার্ডের শিরোনাম—“নির্বাচনের পর সংসদ সদস্যরা ১৮০ দিন গণপরিষদ হিসেবে কাজ করবেন: আলী রীয়াজ”—ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা প্রথম দিন থেকেই সংসদ স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সরকার গঠন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও বাজেট প্রণয়ন হবে। সংবিধান সংস্কারের জন্য নির্বাচিত সদস্যরা আলাদা শপথ নিয়ে ১৮০ দিনের মধ্যে সংস্কার প্রক্রিয়া শেষ করবেন।

বিবৃতিতে জোর দেওয়া হয়েছে, অধ্যাপক আলী রীয়াজ কোথাও বলেননি যে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১৮০ দিন ক্ষমতায় থাকবে। দায়িত্ব পালন করবেন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাই।

‘জুলাই জাতীয় সনদ (সাংবিধানিক সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’-এ বলা আছে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পেলে সংসদের দ্বৈত ভূমিকা থাকবে। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা একই সঙ্গে সংসদ ও সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ ১৮০ কর্মদিবসের মধ্যে কাজ শেষ করবে এবং কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হবে।

সরকার বলেছে, এই সময়ের মধ্যে সংসদ সদস্যরা সরকার গঠন ও রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি সংস্কার কাজও সম্পন্ন করবেন, তবে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ বাড়ানোর কোনো ইঙ্গিত নেই। সংস্কার প্রক্রিয়া শেষ হলে দ্বৈত দায়িত্ব শেষ হবে এবং নির্বাচিত সদস্যরা কেবল সংসদ সদস্য হিসেবেই দায়িত্ব পালন করবেন।

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ আসলে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ বাড়বে—ভিত্তিহীন দাবি: সরকার

সর্বশেষ আপডেট ১১:০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

সরকার বলেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বেশি হলে অন্তর্বর্তী সরকার ছয় মাস ক্ষমতায় থাকবে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

বৃহস্পতিবার রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং-এর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোটকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। কিছু পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট হলে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর করবে না।

একটি টেলিভিশন চ্যানেলের ফটোকার্ডের শিরোনাম—“নির্বাচনের পর সংসদ সদস্যরা ১৮০ দিন গণপরিষদ হিসেবে কাজ করবেন: আলী রীয়াজ”—ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা প্রথম দিন থেকেই সংসদ স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সরকার গঠন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও বাজেট প্রণয়ন হবে। সংবিধান সংস্কারের জন্য নির্বাচিত সদস্যরা আলাদা শপথ নিয়ে ১৮০ দিনের মধ্যে সংস্কার প্রক্রিয়া শেষ করবেন।

বিবৃতিতে জোর দেওয়া হয়েছে, অধ্যাপক আলী রীয়াজ কোথাও বলেননি যে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১৮০ দিন ক্ষমতায় থাকবে। দায়িত্ব পালন করবেন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাই।

‘জুলাই জাতীয় সনদ (সাংবিধানিক সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’-এ বলা আছে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পেলে সংসদের দ্বৈত ভূমিকা থাকবে। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা একই সঙ্গে সংসদ ও সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ ১৮০ কর্মদিবসের মধ্যে কাজ শেষ করবে এবং কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হবে।

সরকার বলেছে, এই সময়ের মধ্যে সংসদ সদস্যরা সরকার গঠন ও রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি সংস্কার কাজও সম্পন্ন করবেন, তবে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ বাড়ানোর কোনো ইঙ্গিত নেই। সংস্কার প্রক্রিয়া শেষ হলে দ্বৈত দায়িত্ব শেষ হবে এবং নির্বাচিত সদস্যরা কেবল সংসদ সদস্য হিসেবেই দায়িত্ব পালন করবেন।