ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে সরকারের প্রকাশ্য সমর্থন বৈধ: প্রেস উইং

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৭:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 37

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

প্রেস উইং জানিয়েছে, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অন্তর্বর্তী সরকার ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রকাশ্য সমর্থন গণতান্ত্রিক আদর্শের পরিপন্থি নয়।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকারের এই অবস্থান কোনোভাবে নিরপেক্ষতার লঙ্ঘন নয়, বরং এটি সরকারের দায়িত্ব ও সংস্কারমূলক ম্যান্ডেটের স্বাভাবিক বহিঃপ্রকাশ।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার শুধু দৈনন্দিন রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য নয়, বরং দীর্ঘদিনের অপশাসন ও গণতান্ত্রিক সংকট মোকাবিলায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস প্রায় ১৮ মাস ধরে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ ও তরুণদের সঙ্গে পরামর্শে যে সংস্কার প্রস্তাব তৈরি করেছেন, সেটির প্রতিফলন হিসেবে তার অবস্থান গণভোটে নেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক উদাহরণ টেনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্য, স্কটল্যান্ড, ফ্রান্স, তুরস্ক ও কিরগিজস্তানে সরকারপ্রধানরা গুরুত্বপূর্ণ গণভোটে প্রকাশ্যে পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, যা গণতান্ত্রিক রীতির অংশ। এছাড়া প্রেস উইং জানায়, গণভোটের ফলাফলের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো নির্বাচনী স্বার্থ জড়িত নয় এবং ফলাফলের বাস্তবায়ন হবে ভবিষ্যৎ নির্বাচিত সরকারের ওপর।

বিবৃতিতে জোর দেওয়া হয়েছে, জেলা পর্যায়ে প্রশাসনের অংশগ্রহণের লক্ষ্য ভোটারদের সচেতন সিদ্ধান্তে সহায়তা করা, বিভ্রান্তি দূর করা এবং সংস্কারের বিষয়বস্তু স্পষ্ট করা। বর্তমানে নীরবতা বা দ্বিধা নিরপেক্ষতার প্রতীক নয়, বরং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের অভাব নির্দেশ করে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সবসময় জনগণের হাতে—এটাই গণতন্ত্রের প্রকৃত নিশ্চয়তা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে সরকারের প্রকাশ্য সমর্থন বৈধ: প্রেস উইং

সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৭:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

প্রেস উইং জানিয়েছে, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অন্তর্বর্তী সরকার ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রকাশ্য সমর্থন গণতান্ত্রিক আদর্শের পরিপন্থি নয়।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকারের এই অবস্থান কোনোভাবে নিরপেক্ষতার লঙ্ঘন নয়, বরং এটি সরকারের দায়িত্ব ও সংস্কারমূলক ম্যান্ডেটের স্বাভাবিক বহিঃপ্রকাশ।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার শুধু দৈনন্দিন রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য নয়, বরং দীর্ঘদিনের অপশাসন ও গণতান্ত্রিক সংকট মোকাবিলায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস প্রায় ১৮ মাস ধরে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ ও তরুণদের সঙ্গে পরামর্শে যে সংস্কার প্রস্তাব তৈরি করেছেন, সেটির প্রতিফলন হিসেবে তার অবস্থান গণভোটে নেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক উদাহরণ টেনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্য, স্কটল্যান্ড, ফ্রান্স, তুরস্ক ও কিরগিজস্তানে সরকারপ্রধানরা গুরুত্বপূর্ণ গণভোটে প্রকাশ্যে পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, যা গণতান্ত্রিক রীতির অংশ। এছাড়া প্রেস উইং জানায়, গণভোটের ফলাফলের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো নির্বাচনী স্বার্থ জড়িত নয় এবং ফলাফলের বাস্তবায়ন হবে ভবিষ্যৎ নির্বাচিত সরকারের ওপর।

বিবৃতিতে জোর দেওয়া হয়েছে, জেলা পর্যায়ে প্রশাসনের অংশগ্রহণের লক্ষ্য ভোটারদের সচেতন সিদ্ধান্তে সহায়তা করা, বিভ্রান্তি দূর করা এবং সংস্কারের বিষয়বস্তু স্পষ্ট করা। বর্তমানে নীরবতা বা দ্বিধা নিরপেক্ষতার প্রতীক নয়, বরং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের অভাব নির্দেশ করে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সবসময় জনগণের হাতে—এটাই গণতন্ত্রের প্রকৃত নিশ্চয়তা।