ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান খালেদা জিয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
  • / 173

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান খালেদা জিয়ার

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শোক ও বিজয়ের প্রথম বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে বিএনপির বিশেষ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।

গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’ থেকে যুক্ত হয়ে দেওয়া বক্তৃতায় খালেদা জিয়া বলেন, “নতুন করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা আমাদের দ্রুত কাজে লাগাতে হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জনগণের নিরাপত্তা এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব এখন আমাদের কাঁধে। শহীদদের রক্ত যেন বৃথা না যায়—এটা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন সর্বাত্মক ঐক্য।”

বক্তব্যে তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন এবং “কোটি মানুষের নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্ন” বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

বক্তব্যের শুরুতে খালেদা জিয়া বলেন, “রক্তস্নাত জুলাই-আগস্ট আবারও আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে। গত ১৬ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার জনগণের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। কিন্তু ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেই ফ্যাসিবাদের পতন ঘটেছে। এখন সুযোগ এসেছে নতুন বাংলাদেশ গড়ার।”

বিএনপি চেয়ারপারসন গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তিদের তালিকা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “তাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। সেই সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সম্মান, পুনর্বাসন ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।”

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে সারাদেশ থেকে গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন এবং নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান খালেদা জিয়ার

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৬:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শোক ও বিজয়ের প্রথম বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে বিএনপির বিশেষ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।

গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’ থেকে যুক্ত হয়ে দেওয়া বক্তৃতায় খালেদা জিয়া বলেন, “নতুন করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা আমাদের দ্রুত কাজে লাগাতে হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জনগণের নিরাপত্তা এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব এখন আমাদের কাঁধে। শহীদদের রক্ত যেন বৃথা না যায়—এটা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন সর্বাত্মক ঐক্য।”

বক্তব্যে তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন এবং “কোটি মানুষের নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্ন” বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

বক্তব্যের শুরুতে খালেদা জিয়া বলেন, “রক্তস্নাত জুলাই-আগস্ট আবারও আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে। গত ১৬ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার জনগণের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। কিন্তু ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেই ফ্যাসিবাদের পতন ঘটেছে। এখন সুযোগ এসেছে নতুন বাংলাদেশ গড়ার।”

বিএনপি চেয়ারপারসন গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তিদের তালিকা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “তাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। সেই সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর সম্মান, পুনর্বাসন ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।”

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে সারাদেশ থেকে গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন এবং নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।