ঢাকা ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা

খালেদা জিয়া-তারেক রহমানের খালাসের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবদেক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:২০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / 102

খালেদা জিয়া-তারেক রহমান। ছবি: বাংলা অ্যাফেয়ার্স

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দশ বছরের সাজা থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে খালাস দিয়ে আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে।

বুধবার (৫ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে আপিল বিভাগের ৫৯ পৃষ্ঠার এই পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এই মামলার আপিলসমূহের বিষয়বস্তু গঠনকারী কার্যধারাগুলো উদ্দেশ্যমূলকভাবে গঠন করায় তা আইনের স্পষ্ট অপব্যবহার বলে প্রতীয়মান হয়েছে, যা একটি দুরভিসন্ধিমূলক মামলার সমতুল্য।

রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত মামলার অন্যান্য দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের জন্যও প্রযোজ্য হবে, যারা আপিল করেননি।

গত ১৫ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সর্বসম্মতিক্রমে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানকে খালাস দেন।

এ বিষয়ে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, যে মামলায় কিছুই ছিল না, সে মামলায় হাইকোর্ট সাজা পাঁচ বছর থেকে ১০ বছর করেছে। এটি খুবই দুঃখজনক। মামলার মধ্যে কোনও সারবত্তা ছিল না, বিচার ব্যবস্থা বলে কিছু ছিল না। ফ্যাসিস্ট সরকার যেমন চায়, তেমন রায় হতো। আজ বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করছে।

দুদকের পক্ষের আইনজীবী আসিফ হাসান জানান, মোট চারটি আপিল ছিল এবং আদালত চারটিই মঞ্জুর করেছেন। তিনি বলেন, হাইকোর্ট ও বিচারিক আদালতের রায় বাতিল করা হয়েছে। যারা আপিল করেননি, তারাও খালাস পেয়েছে। যেহেতু আদালত মামলাটিকে ‘ম্যালিসাস প্রসিকিউশন’ বা বিদ্বেষপূর্ণ কার্যধারা বলেছেন, তাই তারাও এই সুবিধা পেয়েছেন। বাকি দুজনের মধ্যে একজন তারেক রহমান ও অন্যজন কামাল সিদ্দিকী।

উল্লেখ্য, এতিমদের সহায়তার উদ্দেশ্যে বিদেশ থেকে পাঠানো ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করার অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে এই মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা

খালেদা জিয়া-তারেক রহমানের খালাসের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

সর্বশেষ আপডেট ০১:২০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দশ বছরের সাজা থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে খালাস দিয়ে আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে।

বুধবার (৫ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে আপিল বিভাগের ৫৯ পৃষ্ঠার এই পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এই মামলার আপিলসমূহের বিষয়বস্তু গঠনকারী কার্যধারাগুলো উদ্দেশ্যমূলকভাবে গঠন করায় তা আইনের স্পষ্ট অপব্যবহার বলে প্রতীয়মান হয়েছে, যা একটি দুরভিসন্ধিমূলক মামলার সমতুল্য।

রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত মামলার অন্যান্য দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের জন্যও প্রযোজ্য হবে, যারা আপিল করেননি।

গত ১৫ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সর্বসম্মতিক্রমে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানকে খালাস দেন।

এ বিষয়ে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, যে মামলায় কিছুই ছিল না, সে মামলায় হাইকোর্ট সাজা পাঁচ বছর থেকে ১০ বছর করেছে। এটি খুবই দুঃখজনক। মামলার মধ্যে কোনও সারবত্তা ছিল না, বিচার ব্যবস্থা বলে কিছু ছিল না। ফ্যাসিস্ট সরকার যেমন চায়, তেমন রায় হতো। আজ বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করছে।

দুদকের পক্ষের আইনজীবী আসিফ হাসান জানান, মোট চারটি আপিল ছিল এবং আদালত চারটিই মঞ্জুর করেছেন। তিনি বলেন, হাইকোর্ট ও বিচারিক আদালতের রায় বাতিল করা হয়েছে। যারা আপিল করেননি, তারাও খালাস পেয়েছে। যেহেতু আদালত মামলাটিকে ‘ম্যালিসাস প্রসিকিউশন’ বা বিদ্বেষপূর্ণ কার্যধারা বলেছেন, তাই তারাও এই সুবিধা পেয়েছেন। বাকি দুজনের মধ্যে একজন তারেক রহমান ও অন্যজন কামাল সিদ্দিকী।

উল্লেখ্য, এতিমদের সহায়তার উদ্দেশ্যে বিদেশ থেকে পাঠানো ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করার অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে এই মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।