ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া বিচারপতির পদত্যাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • / 74

খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া বিচারপতির পদত্যাগ

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দেওয়া হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান পদত্যাগ করেছেন। রোববার (৩১ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়।

অনিয়মের অভিযোগে আগে থেকেই বিচারপতি আখতারুজ্জামানকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। গত ১ জুলাই সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল তাকে সরাসরি হাজির হয়ে অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলে। সেই ব্যাখ্যা দেওয়ার পর তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

রাষ্ট্রপতি গত ২৩ মার্চ বিচারপতি আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল তদন্ত শুরু করে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৬ অক্টোবর দুর্নীতির অভিযোগ ও তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগে মোট ১২ জন বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠান প্রধান বিচারপতি। তাদের মধ্যে বিচারপতি আখতারুজ্জামানও ছিলেন। এ ছাড়া ছুটিতে যাওয়া বিচারপতিরা হলেন;  বিচারপতি নাইমা হায়দার, শেখ হাসান আরিফ, আশীষ রঞ্জন দাস, মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার, এস এম মনিরুজ্জামান, আতাউর রহমান খান, শাহেদ নূর উদ্দিন, মো. আমিনুল ইসলাম, এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, খিজির হায়াত ও খোন্দকার দিলীরুজ্জামান।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ বিচারপতি আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। একই মামলায় তারেক রহমানসহ আরও পাঁচজনকে ১০ বছর করে সাজা দেওয়া হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া বিচারপতির পদত্যাগ

সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দেওয়া হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান পদত্যাগ করেছেন। রোববার (৩১ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়।

অনিয়মের অভিযোগে আগে থেকেই বিচারপতি আখতারুজ্জামানকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। গত ১ জুলাই সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল তাকে সরাসরি হাজির হয়ে অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলে। সেই ব্যাখ্যা দেওয়ার পর তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

রাষ্ট্রপতি গত ২৩ মার্চ বিচারপতি আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল তদন্ত শুরু করে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৬ অক্টোবর দুর্নীতির অভিযোগ ও তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগে মোট ১২ জন বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠান প্রধান বিচারপতি। তাদের মধ্যে বিচারপতি আখতারুজ্জামানও ছিলেন। এ ছাড়া ছুটিতে যাওয়া বিচারপতিরা হলেন;  বিচারপতি নাইমা হায়দার, শেখ হাসান আরিফ, আশীষ রঞ্জন দাস, মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার, এস এম মনিরুজ্জামান, আতাউর রহমান খান, শাহেদ নূর উদ্দিন, মো. আমিনুল ইসলাম, এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, খিজির হায়াত ও খোন্দকার দিলীরুজ্জামান।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ বিচারপতি আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। একই মামলায় তারেক রহমানসহ আরও পাঁচজনকে ১০ বছর করে সাজা দেওয়া হয়।